rishi dhawan

বাংলা ৪১৯ এবং ৬৫-৪ (ঋদ্ধিমান ৩৪ অপরাজিত, ধাওয়ান ৪-৩৭)

হিমাচল ২০৬ এবং ৩৫৩ (খান্দুরি ৯৫, চোপড়া ৮১, শামি ৫-১০৯)

কলকাতা: আইপিএলের সুবাদে অনেকের কাছেই তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তাঁর অলরাউন্ড পারফর্ম্যান্সের জন্য ভারতীয় দলে সুযোগও পেয়েছেন তিনি। এ হেন ঋষি ধাওয়ানের দাপটে ইডেনের পড়ন্ত বিকেলে জমে উঠেছিল ম্যাড়ম্যাড়ে ড্র-এর দিকে এগোনো ম্যাচ। তবে ঝাপটা সামলে দিয়ে বাংলার ঘরে তিন পয়েন্ট নিয়ে আসেন ঋদ্ধিমান এবং অভিমন্যু ঈশ্বরন জুটি।

তবে চেষ্টা কিন্তু বাংলাও করেছিল। শেষের ঘন্টাখানেকে ১৪১ রান তাড়া করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল বাংলা। ওপেন করানো হয়েছিল ঋদ্ধিমানকে দিয়ে। শুরুর দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতেই ছিলেন তিনি। কিন্তু ধাওয়ানের দাপটের ফলে সিদ্ধান্ত বদল করে বঙ্গশিবির। ড্র-এর ফলই শ্রেয় মনে করে তারা।

শনিবার ম্যাচের শেষ দিন কিন্তু বাংলার বোলারদেরই ছিল। বলা যায় এ দিনও জুটি বাঁধেন মহম্মদ শামি এবং অশোক দিন্দা। দুই পেসারের দাপটে ৩৫৩-তেই শেষ হয়ে যায় হিমাচল। প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট নেওয়া শামি এই ইনিংসে পান পাঁচটি, অন্য দিকে প্রথম ইনিংসে পাঁচটি উইকেট পাওয়া দিন্দা এই ইনিংসে পান তিনটি। অপর দুটি উইকেট তোলেন মুকেশ কুমার এবং কৌশিক ঘোষ। হিমাচলের হয়ে শতরানের কাছাকাছি পৌঁছেও তা ফসকান প্রিয়াংশু খান্দুরি।

শেষ বিকেলে কমে আসা আলোয় ১৪১ রান করলে পুরো ছ’পয়েন্ট আসবে বাংলার ঘরে, এই চ্যালেঞ্জটি নেয় মনোজবাহিনী। কিন্তু প্রথমেই অভিষেক রমনের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। সেই চাপ বেড়ে যায় সুদীপ, মনোজ এবং শ্রীবৎস ধাওয়ানের শিকারে। শেষে ড্র-তেই শেষ হয় ম্যাচ। তিন পয়েন্ট পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় বাংলাকে।

তিন ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেয়ে ‘গ্রুপ ডি’-এ তিন নম্বর স্থানে রয়েছে বাংলা। ১৫ এবং ১৪ পয়েন্ট পেয়ে প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে পঞ্জাব এবং বিদর্ভ। বাংলার পরের ম্যাচ ৯ তারিখ থেকে ইডেনে বিদর্ভের বিরুদ্ধে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here