cricket association of bengal

বাংলা ৩৫৪ (অভিমন্যু ১২৯, ঈশ্বর চৌধুরী ৫-৮৭)

গুজারাত ১৮০-৬ (মেরাই ৬৭, পার্থিব ৪৭, অমিত ৩-৪৬)

জয়পুর: বাংলা বনাম গুজরাত। খেলার জগতে এই লড়াই আহামরি কিছু না হলেও, রাজনৈতিক দিক থেকে এই লড়াই যে যথেষ্ট সম্মানের সেটা অনেকেই আন্দাজ করতে পারবে। আর এক দিদির রাজ্যে (পড়ুন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া) কি মোদীর রাজ্যের সৈনিকদের হারাতে পারবে দিদির রাজ্যের ছেলেরা?

প্রথম দু’দিনের খেলার পর পরিস্থিতি যেখানে দাঁড়িয়েছে তাতে মনে হচ্ছে মোদীর রাজ্যকে হারানোর সুবর্ণ সুযোগ এসেছে দিদির রাজ্যের কাছে। সৌজন্যে বডুপল্লী অমিত। একাই তিন উইকেট নিয়ে গুজরাত ইনিংস ভাঙার মহা দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

তবে তিন উইকেট নেওয়ার আগে ব্যাট হাতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যান অমিত। সপ্তম উইকেটে আমির গোনির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ৫৮ রানের জুটি তৈরি করেন অমিত। এই দু’জনের পার্টনারশিপের জন্যই সাড়ে তিনশোর পেরিয়ে যায় বঙ্গব্রিগেড।

নক আউট ম্যাচে প্রথম ইনিংসে সাড়ে তিনশো যথেষ্ট ভালো স্কোর। সেই রান তাড়া করে লিড নেওয়ার জন্য বাড়তি চাপ চলে আসে বিপক্ষের ওপরে। সেই চাপকেই কাজে লাগাতে চেয়েছিল বাংলার বোলাররা। শুরুতেই সাফল্য। ১৭ রানের মধ্যে দু’টো উইকেট চলে যায় বাংলার। এর পর বড়ো রানের পার্টনারশিপ তৈরি হয় পার্থিব পটেল এবং ভার্গব মেরাইয়ের মধ্যে। দু’জনের ১০৭ রানের পার্টনারশিপে যখন বাংলা শিবিরে আতঙ্ক ঢুকতে শুরু করেছে, তখনই পার্থিবকে ফিরিয়ে দেন ঈশান পোড়েল। এর পরেই শুরু ‘অমিত শো’।

মাত্র পাঁচ রানের মধ্যে তিনটে উইকেট তুলে নেন অমিত। তবে ১৪৪ রানের মধ্যে ছ’উইকেট হারানোর পর আরও একটা জুটি তৈরি হচ্ছে সপ্তম উইকেটে। তৃতীয় দিন বাংলার লক্ষ্য দ্রুত এই জুটিটা ভেঙে দিয়ে গুজরাতকে অল আউটের দিকে ঠেলে দেওয়া।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here