শেষ বেলায় বোলারদের দাপটে ম্যাচে ফিরল বাংলা

0
cab

কটক: দিনের শেষ দশ ওভারে আচমকা চেগে উঠলেন বোলাররা। আর তাতেই ম্যাচে ফিরে এল বাংলা। নইলে দ্বিতীয় দিনের শেষে ক্রমশ হতাশা গ্রাস করছিল অভিমন্যু ঈশ্বরণদের।

শুক্রবার প্রায় গোটা দিন উইকেট কামড়ে পড়ে থেকে ব্যাট করে যান ওড়িশার দুই ব্যাটসম্যান শান্তনু মিশ্র আর দেবাশিস সামন্তরায়। দ্রুত গতিতে রান তোলার কোনো বালাই ছিল না। তাঁদের মূল লক্ষ্য যে প্রথম ইনিংসে লিডটা পাওয়া, সেটা তাঁদের ব্যাটিং দেখেই বোঝা যাচ্ছিল।

দুই ব্যাটসম্যান যখন উইকেটে দাঁড়িয়ে পড়েছেন, তখন বিশ্বাসই করা যাচ্ছিল না যে এই পিচই আগের দিন সকালে বাংলার ব্যাটসম্যানদের কাছে ত্রাস হয়ে উঠেছিল। ঈশান পোড়েল, মুকেশ কুমার, শাহবাজ আহমেদ, কেউ প্রভাব ফেলতে পারেননি। একমাত্র শুরুতে একটা উইকেট তুলে নিয়েছিলেন নীলকণ্ঠ দাস।

৫২ ওভার দেবাশিস আর শান্তনু উইকেট আঁকড়ে থাকার পর জুটিটা ভেঙে দেন নীলকণ্ঠ দাস। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই শাহবাজ একটা আর ঈশান একটা উইকেট তুলে নেন। দিনের শেষে ওড়িশার রান চার উইকেটে ১৫১।

এ দিন সকালে বেশি দূর এগোতে পারেনি বাংলা। ৩৩২-এই শেষ হয়ে যায় তাঁদের ইনিংস। ১৫৭ রানে শেষ হয় অনুষ্টুপ মজুমদারের ইনিংস।

শুক্রবার, রঞ্জি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয় দিন সবার নজর ছিল শাহবাজ আহমেদের ওপরে। বৃহস্পতিবার খুব কঠিন সময়ে খেলা ধরেন তিনি। অনুষ্টুপের সঙ্গে মহাকাব্যিক পার্টনারশিপের মধ্যে দিয়ে বাংলাকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন তিনি। ফলে বঙ্গক্রিকেটপ্রেমীদের আশা ছিল, প্রথম মরশুমেই তারকা হয়ে যাওয়া এই ক্রিকেটারের থেকে একটা শতরান যদি পাওয়া যায়।

কিন্তু সেটা হয়নি। দিনের খেলা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সূর্যকান্ত প্রধান তাঁর স্টাম্প ছিটকে দেন। এর পর একে একে প্যাভিলিয়নের পথ দেখেন মুকেশ কুমার আর ঈশান পোড়েল।

একটা সময়ে মনে হচ্ছিল, অনুষ্টুপ হয়তো দেড়শোও পেরোতে পারবেন না। কিন্তু ১১ নম্বরে নামা নীলকণ্ঠ দাসের সঙ্গে ছোট্ট একটা জুটি তৈরি করে এই মাইলস্টোন পেরিয়ে যান তিনি। সেই সঙ্গে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটিও খেলে ফেলেন চন্দননগরজাত এই ব্যাটসম্যান। এর পর আগ্রাসী ঢঙে ব্যাট চালাতে গিয়ে আউট হয়ে যান তিনি।

আরও পড়ুন ওয়েলিংটন টেস্টে ভারতীয় একাদশ থেকে বাদ পড়লেন ঋদ্ধিমান সাহা

দিনের শেষে বাংলা শিবির খুব একটা অস্বস্তিতে নেই। যদিও এখনও দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়নি ঈশান-নীলকণ্ঠদের। শনিবার একমাত্র লক্ষ্য হবে, যত কম রানের মধ্যে ওড়িশাকে আটকে রাখা যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে যত বেশি লিড থাকবে, ততই সুবিধা হবে বাংলার।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.