cricket association of bengal

বাংলা ৩৫৪ এবং ৬৯৫-৬ (ঋত্বিক ২১৪, অনুষ্টুপ ১৩২ অপরাজিত, ঈশ্বর চৌধুরী ২-৯৫)

গুজরাত ২২৪

জয়পুর: ক্রিকেটে মোদীর ওপর জয় পেলেন দিদি। গত বারের রঞ্জি চ্যাম্পিয়নের বিরুদ্ধে রানের পাহাড় তৈরি করে সেমিফাইনালে উঠে গেল বাংলা। এ বার প্রতিপক্ষ দিল্লি। বাংলা শিবিরে এখন ডাক দিল্লি দখলের।

ইদানীং কালের সব থেকে দুর্দান্ত ব্যাটিং পারফর্ম্যান্সটি উপহার ছিল বাংলা। টানা আড়াই দিন ব্যাট করে গেল বাংলা। খোয়াল মাত্র ছ’টা উইকেট। কয়েক দিন ধরেই যেন শতরান করার হিড়িক পড়েছে বাংলা শিবিরে। এ দিন সেই তালিকায় ফের নাম লেখালেন অনুষ্টুপ মজুমদার। গোয়া ম্যাচ থেকে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন তিনি। সেই ম্যাচে দুই ইনিংসেই শতরান করেছিলেন তিনি। এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে মাত্র ছ’রানের জন্য শতরান ফসকালেও দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর ব্যাট থেকে বেরোল আরও একটি শতরান।

আগের দিনের স্কোর থেকে এ দিন বেশি এগোতে পারেননি ঋত্বিক চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি ফিরতেই ব্যাটন সামলে নেন অনুষ্টুপ। তাঁকে যোগ্য সংগত দিয়ে যান আমির গনি। দু’জনের মধ্যে সপ্তম উইকেটে অপরাজিত ১৫৭ রানের জুটি তৈরি হয়। চা-বিরতির ম্যাচ শেষে করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় দুই শিবির।

এই ম্যচ একাধারে প্রচুর স্বস্তির পাশাপাশি একটা প্রশ্নচিহ্ন কিন্তু তুলে দিল। প্রশ্নচিহ্নটি টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে। শেষ দিন কেন ডিক্লেয়ার না করে ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বাংলা শিবির? দিন্দা-পোড়েলদের কয়েক ওভার হাত ঘোরানোর সুযোগ করে দিলে সেমিফাইনালের আগে একটি বোলিং অনুশীলন হয়ে যেত বাংলার।

স্বস্তি অবশ্যই বাংলার ব্যাটিং ফর্ম। রঞ্জিজয়ীদের বিরুদ্ধে যে ব্যাটিং করল বাংলা শিবির, তাতে সেমিফাইনালেও বাংলার থেকে ভালো কিছু আশা করা যেতেই পারে। সব ব্যাটসম্যানই ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন। এই আবহে বাংলার মিশন এখন একটাই। ২৭ বছর পর রঞ্জির গৌরবময় ট্রফিটা ঘরে তোলা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here