ashok dinda

বাংলা ৫৫২-৯ ডিঃ (সুদীপ ১১৫, মনোজ ৬৯, সচ্চিদানন্দ ৪-১০৮)

সার্ভিসেস ১০৩-১ (সিংহ ৪৪ অপরাজিত, চৌহান ৪৪ অপরাজিত, শামি ১-৩৩)

নয়াদিল্লি: বল হাতে ঝড় তোলাতেই পরিচিত তিনি। কিন্তু শনিবাসরীয় দিল্লি অন্য রূপে দেখল অশোক দিন্দাকে। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন নৈছনপুর এক্সপ্রেস। তাঁর তাণ্ডবের সৌজন্যে খুব দ্রুত সাড়ে পাঁচশো রানের বোঝা চাপিয়ে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয় বাংলা।

এ দিন আশা করা হচ্ছিল নিজের ইনিংসকে আরও কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যাবেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু দিনের প্রথম ওভারেই ফিরে যান তিনি। রান পাননি চার নম্বরে নামা অনুষ্টুপ মজুমদারও। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের যাবতীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরও একটি অর্ধশতরান পেরিয়ে যান ঋদ্ধিমান সাহা। তবে ৫৫-তেই থেমে যায় তাঁর ইনিংস।

এক সময়ে বাংলার ৩৭৮ রানের মধ্যে ছ’উইকেট চলে যায় বাংলার। মনে করা হচ্ছিল চারশোর বেশি হয়তো করতে পারবে না মনোজ শিবির। কিন্তু রুখে দাঁড়ায় লোয়ার অর্ডার।  আমির গোনি, কনিষ্ক শেঠ, মোহম্মদ শামি এবং দিন্দার ব্যাটে ভর করে বাংলা তোলে আরও ১৭৪ রান। প্রথমে দুরন্ত ৬৬ রানের জুটি তৈরি হয় কনিষ্ক এবং গোনির মধ্যে। ৫১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন গোনি। তবে শেষের দিকে যাবতীয় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যায় দিন্দা। দলের স্কোর যখন ৯ উইকেটে ৪৭৫, ব্যাট করতে নামেন দিন্দা। এর পরের সাত ওভার মাঠময় শুধু দিন্দা দিন্দা।

তাঁর ব্যাট বিক্রমের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যায় সার্ভিসেস বোলিং। ২২০-এর স্ট্রাইক রেটে মাত্র ২৫ বলে ৫৫ করেন তিনি। ইনিংস সাজানো ছিল আটটা চার এবং দু’টি ছয়ে। সাড়ে পাঁচশো পেরিয়ে যাওয়ার পরেই ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা শিবির।

তবে ব্যাটে জ্বলে উঠলেও, বলে সে ভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি দিন্দা। মোহম্মদ শামির দৌলতে বিপক্ষের প্রথম উইকেটটি পেলেও, তৃতীয় উইকেটে সিংহ এবং চৌহনের মধ্যে দুরন্ত পার্টনারশিপে পালটা লড়াই দিচ্ছে সার্ভিসেস।

বাংলা শিবিরের টার্গেট সার্ভিসেসকে দু’বার আউট করে পুরো পয়েন্ট ঘরে তোলা। সেটা যদি হয়, তা হলে সাম্প্রতিককালে সব থেকে ভালো রঞ্জি অভিযান শুরু করতে পারবে মনোজ ব্রিগেড।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here