bengal

কলকাতা: সবুজ পিচে কেরলকে কুপোকাত করতে চেয়েছিল বাংলা। কিন্তু সেই পিচ বুমেরাং হয়ে বাংলার ওপরেই চূড়ান্ত চাপ তৈরি করে দিল। এখন আশা শুধু বোলাররা। তাঁরা যদি কিছু না করতে পারেন, তা হলে কেরলের বিরুদ্ধে হারের লজ্জা হজম করতে হবে বাংলাকে।

সবুজ পিচে তৈরি করলে একটা ঝুঁকি থাকেই। টসে ঝুঁকি। যদি টস নিজেদের পক্ষে যায়, তা হলে ভালো, কিন্তু অন্যটা হলেই চাপের। সেটাই হল। মঙ্গলবার, ইডেনের সবুজ পিচে টসে জিতে যায় কেরল। বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠাতে বিন্দুমাত্র চিন্তা করতে হয়নি কেরল অধিনায়ক সচিন বেবিকে। এবং শুরুতেই ঝটকা।

কোনো রান না করেই প্যাভিলিয়নের পথ দেখেন আগের ম্যাচে শতরানকারী কৌশিক ঘোষ এবং তিন নম্বরে নামা সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারিকে সঙ্গে নিয়ে একটা জুটি তৈরি করার চেষ্টা করেন অভিষেক কুমার রমন। রমন খেলছিলেন ভালো। কিন্তু ৪০-এর বেশি এগোতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন ‘একজন ব্যক্তিই নিজের ইচ্ছা মতো সব কিছু করছে’, বিরাট প্রসঙ্গে ভারতীয় কিংবদন্তি

রমন আউট হয়ে যাওয়ার পরে মনোজ এবং অনুষ্টুপ মজুমদারের ওপরে বাংলার যাবতীয় আশা ভরসা ছিল। ২২ রানে মনোজ ফিরে যাওয়ার পরে, বাংলার বাকি ব্যাটসম্যানদের পতন ছিল শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। অনুষ্টুপ একটা দিক ধরে থাকলেও, অন্য দিক থেকে উইকেট পড়তে থাকে বরাবর। শেষে ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলা। ৫৩ রান করেন অনুষ্টুপ।

শামি-দিন্দা-ঈশান পোড়েল সম্বলিত পেস আক্রমণের ওপরে আশা ছিল বাংলার। যদি চটজলদি তিন-চারটে উইকেট তুলে কেরলের ওপরে পালটা চাপ সৃষ্টি করা যায়। শুরুটাও তেমনই হয়েছিল। কেরলের ওপেনার অরুণ কার্তিককে ফিরিয়ে বাংলাকে জব্বর স্টার্ট দেন শামি। কিন্তু তার পর আর উইকেট তুলতে ব্যর্থ বোলাররা। দিনের শেষে কেরলের স্কোর ১ উইকেটে ৩৫। সব মিলিয়ে এই ম্যাচ থেকে বাংলার ভালো কিছু আশা করতে হলে দ্বিতীয় দিন শুরুতেই পেসারদের তাণ্ডব চালাতেই হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here