অভাবনীয় কিছু না ঘটলে বিশেষ আশা নেই বাংলার

0

কলকাতা: ইনিংসপ্রতি ১৫ ওভারের বেশি বল তাঁকে দিয়ে করানো যাবে না। এই ছিল বিসিসিআইয়ের নির্দেশিকা। তবে শেষ মুহূর্তে শামিকে নিয়ে সেই নির্দেশিকায় কোনো পরিবর্তন এসেছিল কি না, কে জানে! পরিশেষে দেখা গেল, ২৬ ওভার বল করলেন তিনি।

এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক তৈরি হবে কিনা, সেটা পরেই জানা যাবে। তবে এটা বোঝা গেল, যে শামি না থাকলে আরও বড়ো লজ্জা অপেক্ষা করেছিল বাংলার ভাগ্যে। এমনিতেই কেরলের কাছে পিছিয়ে পড়ে যথেষ্ট লজ্জাতেই পড়েছে বাংলা।

ঘরোয়া ক্রিকেটে কেরলকে বেশি পাত্তা একদমই দেওয়া হত না। দেওয়া হবেই বা কেন! রঞ্জি ক্রিকেটে তাদের রেকর্ড যে আহামরি কিছুই নয়। কিন্তু সেই দলই যে এ ভাবে বাংলার ঘাড়ে চেপে বসবে সেটা আন্দাজই করেনি। হয়ত হিমাচল এবং মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট নেওয়ার পরে কিছুটা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস গ্রাস করেছিল বাংলার। সেটাই কাল হল। বাংলার থেকে ১৪৫ রানে এগিয়ে গিয়ে ইনিংস শেষ করল কেরল। দিনের শেষে বাংলার স্কোর ৫-১। ফিরে গিয়েছেন কৌশিক ঘোষ।

আরও পড়ুন শামির ওভার সংখ্যা কম রাখার ফতোয়ায় অবাক প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক

দ্বিতীয় দিন কেরলের ইনিংসের হিরো একজনই। জলজ সাক্সেনা। ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ পরিচিত নাম জলজ। কেরিয়ারের অনেকটা সময়ে মধ্যপ্রদেশে কাটিয়ে এখন কেরলে খেলছেন। তিনি একাই করলেন ১৪৭। তাঁকে যোগ্য সংগত দিয়ে গেলেন বাকি বোলাররা। দিনের শুরুতে এ দিন জ্বলে উঠেছিলেন শামি। কিন্তু সাক্সেনার কাছে ফিকে হয়ে গেলেন তিনি।

তবে চা-বিরতির পরে ঈশান পোড়েল গতি ছুটিয়ে চারটে উইকেট না তুললে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে ফেলত কেরল। যা-ই হোক, এই ম্যাচ থেকে বাংলাকে কিছু করতে হলে কোনো চমৎকৃত কিছু করে দেখাতে হবে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন