ওয়েবডেস্ক: ক্ষমার প্রশ্নটা এখানে উঠছে কোথা থেকে বলুন তো? দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ, পরস্পরকে পছন্দ করেন তাঁরা, ব্যাপারটায় সম্মতিও ছিল দুই পক্ষেরই- তা হলে আবার ক্ষমা কেন?

গণ্ডগোলটা আসলে যে ঘটিয়েছিলেন আরশি খান নিজেই! বিগ বস ১১-এর এই প্রতিদ্বন্দ্বিনী তো আর সম্প্রতি নন, সেই ২০১৫ সাল থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে থাকতে অভ্যস্ত। এবং এ ব্যাপারে অমোঘ অস্ত্র তাঁর একটিই- যৌনতা! সত্যি বলতে কী, এই সব ভেবে-চিন্তেই তো তাঁকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল বিগ বসের বাড়িতে।

তো, এ হেন আরশি যখন গোপন কথাটি গোপনে রাখার প্রয়োজন বোধ করেননি, যা ছিল আবরণে ঢাকা, তাকে হাট করে দিয়েছেন লোকচক্ষুর সামনে, তখন একটা গ্লানি তো তাঁর থাকারই কথা! “হ্যাঁ, শাহিদ আফ্রিদির সঙ্গে আমার যৌনসম্পর্ক রয়েছে”, এ কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে পরিচিত হওয়ার দরকার কি ছিল তাঁর? শাহিদ আফ্রিদি তো সম্পর্কের বিনিময়ে তাঁর কেরিয়ার তৈরি করে দিতে সাহায্য কম করেননি! বিনিময়ে তাঁকে বেকায়দায় ফেলা কেন?

ফলে, ঘটনার বছর তিনেক কেটে যাওয়ার পরে ক্ষমা চাইলেন আরশি। ছোটো পর্দার এক টক শো-তে এসে। রাজীব খান্ডেলওয়ালের কাছে স্বীকার করে নিলেন ভুলের কথা।

arshi khan

“আমি মিস্টার আফ্রিদিকে অত্যন্ত সম্মান করি। উনি আমার জন্য অনেক কিছু করেছেন। ওই টুইটটা আমার জীবনের সব চেয়ে বড়ো ভুল ছিল। এ রকম একটা সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আমার প্রকাশ্যে কথা তোলা উচিত হয়নি”, বলছেন আরশি।

অবশ্য এটাই প্রথম বার নয়! এর আগেও একবার পাকিস্তান ক্রিকেটের এই কিংবদন্তির কাছে ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন আরশি। বিগ বসের বাড়িতে ডেরা ফেলার আগে ফোন করেছিলেন ক্ষমা চাওয়ার জন্য। কিন্তু আফ্রিদি ফোন তোলেননি!

shahid afridi

এ বারেও কি ক্ষমা করবেন? কী মনে হয় আপনার?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here