ব্রিসবেন টেস্টে ১১টা বল শরীরে লাগে, চেতেশ্বর পুজারার পরিকল্পনা ছিল সেটাই

0

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ব্রিসবেন টেস্টের শেষ ইনিংসে যে ভাবে একের পর এক আঘাত পেয়েও অস্ট্রেলীয় বোলারদের সামনে লৌহকঠিন হয়ে তিনি দাঁড়িয়েছেন, তাতে চেতেশ্বর পুজারার (Cheteshwar Pujara) ভক্ত অনেক বেড়ে গিয়েছে। ১১ বার শরীরে বল লেগেছিল, যা প্রত্যেকটাই পুজারার ক্ষেত্রে আরও বড়ো বিপদ ডেকে আনতে পারত।

অনেক বেশি চোট পেতে পারতেন তিনি। তবে এতে আদৌ বিচলিত নন ভারতে নির্ভরযোগ্য তিন নম্বর। কারণ তাঁর কাছে সেটাই ছিল পরিকল্পনা। ব্রিসবেনে শেষ দিনে ব্যাট করার সময় ভারত লাঞ্চ অবধি যাতে উইকেট না হারায়, সেটাই চাইছিলেন পুজারা। রান না হলেও হাতে উইকেট রাখতে চাইছিলেন তিনি। পরের দুই সেশনে রান তোলার চেষ্টা করতে হলে হাতে উইকেট থাকা যে জরুরি, তা জানতেন ভারতের বহু যুদ্ধের নায়ক।

হিন্দুস্তান টাইমসকে পুজারা বলেন, “প্রথম সেশনে বেশি উইকেট পড়লে অস্ট্রেলিয়া সুবিধা পেয়ে যেত। আমরা মাত্র ১ উইকেট হারিয়েছিলাম প্রথম সেশনে। আমার পরিষ্কার পরিকল্পনা ছিল, রান না এলেও হবে, কিন্তু উইকেট দেওয়া চলবে না। রানের গতি বাড়ানোর জন্য পরের দুটো সেশন রয়েছে।”

এর পর তিনি বলে চলেন, “লাঞ্চের সময় আমি অপরাজিত ছিলাম। তবে রান পাইনি। জানতাম শেষ ২ সেশনে রান আসবে। সেটাই হল।”

গাব্বায় শেষ ইনিংসে ২১১ বল খেলা পূজারা ব্যাট করেছিলেন ৩১৪ মিনিট। সেই ইনিংসে ১১ বার বলের আঘাত লাগে পুজারার। তিনি বলেন, “মাথায় বল লাগলে খুব যে ব্যথা লাগে, এমন নয়। টিভির পর্দায় যতটা ভয়ংকর দেখতে লাগে, হেলমেট থাকায় ততটা জোরে লাগে না। পিচে উঁচু নিচু বাউন্স ছিল। সেই বল ব্যাট ছোঁয়ানো খুব ভয়ংকর। আউট হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। শর্ট লেগ, লেগ স্লিপ, গালি বা উইকেটকিপার, যে কারোর হাতে বল চলে যেতে পারত। সেই জন্য ঠিক করি ব্যাট দিয়ে খেলব না ওই বলগুলো।”

এর ফলেই ইচ্ছে করেই শরীর দিয়ে বলগুলো সামলেছিলেন তিনি। এ দিকে পুজারা আরও জানান যে দ্বিতীয় টেস্ট খেলার সময় আঙুলে আঘাত লাগে তাঁর। সেই নিয়েই পরের দু’টো টেস্টে খেলেছিলেন তিনি।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

হিংসায় উসকানি দেয় এমন অনুষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, কেন্দ্রকে কড়া বার্তা শীর্ষ আদালতের

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন