Connect with us

ক্রিকেট

ভারতের সঙ্গে টেস্ট সিরিজের দিনক্ষণ ঘোষণা করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

খবর অনলাইন ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির (Border-Gavaskar Trophy) খেলা কোথায় কোথায় হবে তার তালিকা প্রকাশ করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (Cricket Australia)। চার ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজে (four match test series) বিরাট কোহলির (Virat Kohli) টিম এই প্রথম বিদেশে দিন-রাতের ম্যাচ খেলবে। এই খেলা হবে অ্যাডিলেডে।

করোনাভাইরাস (coronavirus) অতিমারির জেরে অস্ট্রেলিয়া-ভারত সিরিজ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু বুধবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত সংশয়ের অবসান হল। এই সিরিজ হবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ।  

আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন কেড়ে নিতে পারে আইসিসি, বিসিসিআইয়ের সঙ্গে নজিরবিহীন সংঘাত

বিশ্বের অন্যতম দামি টেস্ট সিরিজ হল অস্ট্রেলিয়া-ভারত সিরিজ। এই ক্রিকেট সিরিজে অন্তত ৩০ কোটি ডলার লেনদেন হয়।

যতদূর খবর মিলেছে তা থেকে জানা গিয়েছে, ব্রিসবেনের গাব্বায় প্রথম ম্যাচের মধ্য দিয়ে ৩ ডিসেম্বর সিরিজ শুরু হবে। এর পর বিশ্ব টেস্ট র‍্যাঙ্কিং-এর প্রথম ও তৃতীয় স্থানাধিকারীর মধ্যে বাকি তিনটি টেস্ট হবে অ্যাডিলেড, মেলবোর্ন ও সিডনিতে। অ্যাডিলেডের পিঙ্ক বল টেস্ট শুরু হবে ১১ ডিসেম্বর। এর পর মেলবোর্নে বক্সিং ডে-তে এবং সিডনিতে নতুন বছরে টেস্ট হবে।

ক্রিকেট

করোনা পিছু ছাড়ছে না মাশরাফি বিন মুর্তজার

ঋদি হক: ঢাকা

বিপদটা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মাশরাফি! এ বারের পরীক্ষায়ও করোনা পজিটিভ এসেছে বাংলাদেশ (Bangladeesh) দলের সাবেক অধিনায়ক ও নড়াইল-২ (Narail 2) আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার (Mashrafe Bin Mortaza)। এর আগে ২০ জুন পরীক্ষায় মাশরাফির করোনা শনাক্ত হয়। যথরীতি ১৪ দিন হোমকোয়ারান্টাইনে ছিলেন। দ্বিতীয় বার পরীক্ষায়ও ভাইরাস পজিটিভ মুর্তজার!

মুর্তজার ছোটো ভাই মোরসালিন বিন মাশরাফির করোনা (coronavirus) পজিটিভ আসে ২৩ জুন। তার আগে মাশরাফির শাশুড়িও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। মাশরাফির চিকিৎসার দেখভাল করছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ। মাশরাফির সর্বক্ষণ খোঁজখবর নিচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) মেডিক্যাল বিভাগ। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনই মাশরাফিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবিএম আবদুল্লাহর সঙ্গে কথা বলে প্রেসক্রিপশনের ব্যবস্থা করেন।

বাংলাদেশে কোভিড ১৯

অপর দিকে বাংলাদেশে করোনা শনাক্তের ১১৯তম দিনে মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। বেড়েছে সুস্থতার হার। ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২৯ জন, যা গতকালের চেয়ে ১৩ জন কম। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৯৭ জন। শুক্রবারের চেয়ে শনিবার মৃত্যুহার কমেছে ০.০১ শতাংশ। শনিবার মৃত্যুর হার দাঁড়িয়েছে ১,২৫ শতাংশ। আগের দিন ছিল ১.২৬ শতাংশ। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এ দিনে মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৩,২৮৮ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭৯ জন।

৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্তর খবর আসে। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ একজনের মৃত্যু হয়। এর পর ধীরে ধীরে আক্রান্তরের সংখ্যা বাড়লেও, মাত্রা এতটা জোরালো ছিলো না। কিন্তু ঈদের আগে পরে মানুষের বাধাহীন চলাচলের ফলে হু হু আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে যায়। আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি দিন গড়ে ৪ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

কোরবানির পশুর হাট

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোরবানির পশুর হাট হচ্ছে একটা জনবিস্ফোরণের জায়গা। আক্রান্তের সংখ্যা যতটুকু কমার দিকে রয়েছে, অবাধ যাতায়তের ফলে তা আবার ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এর্মাজেন্সি কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, গেল ঈদে মানুষের অবাধ চলাচলই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কারণ বলা হয়েছিল। কোরবানির পশুর হাটে সব সময়ই জনসমাগম হয়ে থাকে। তাতে সংক্রমণের ঘটনা বাড়াটাই স্বাভাবিক। আর বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম বলেন, কোরবানির হাট মানেই জনসমাগম। এটা রোধ করা সম্ভব নয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৬৭৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ৭২১ জন। দেশে সুস্থতার হার এখন ৪৪.২৯ শতাংশ।

Continue Reading

ক্রিকেট

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত বন্ধ করল শ্রীলঙ্কা

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রহস্য যে ভাবে ঘনীভূত হচ্ছিল, তার থেকেও দ্রুত গতিতে সেই রহস্যের ওপরে জল ঢালা হয়ে গেল। কারণ ২০১১-এর বিশ্বকাপ ফাইনালে গড়াপেটা নিয়ে তদন্ত বন্ধ করে দিল শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)।  

বৃহস্পতিবার প্রাক্তন অধিনায়ক কুমার সঙ্গকারাকে (Kumara Sangakkara) ১০ ঘণ্টার ম্যারাথন জেরা করেছে শ্রীলঙ্কা পুলিশ। শুক্রবার তাঁর সতীর্থ শ্রীলঙ্কার অপর কিংবদন্তি ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনকে (Mahela Jayawardena) জেরা করার জন্য ডাকে পুলিশ।

কিন্তু জয়বর্ধন তদন্তকারীদের সামনে বসার আগেই তদন্ত বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে পুলিশ। তারা জানিয়ে দেয় কোনো ক্রিকেটারের বয়ানে অসঙ্গতি মেলেনি। তথ্যপ্রমাণের অভাবে তাই তদন্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করা হল।

এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রথমে অরবিন্দ ডি সিলভাকে ডেকে পাঠানো হয়। তার পর উপুল তরঙ্গ আর সঙ্গকারাও জেরার সামনে বসেন।

বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান জগত ফনসেকা জানিয়েছেন, “ক্রিকেটারদের বয়ানে কোনো অসঙ্গতি মেলেনি। ফাইনালে শ্রীলঙ্কার হেরে যাওয়ার নেপথ্যে কোনো গড়াপেটার কারণ নেই।

ঘটনার সূত্রপাত হয় কিছু দিন আগে। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররা নাকি সেই ম্যাচ ইচ্ছাকৃত হেরেছিলেন ধোনিদের কাছে। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ ক্রিকেট দুনিয়া নাড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দ অতুলগামাগে।

প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর এমন বিস্ফোরক অভিযোগে নড়েচড়ে বসে সে দেশের ক্রিকেট বোর্ড। এমনকি অতুলগামাগের অভিযোগের প্রতিবাদে সরব হন সঙ্গকারা আর মাহেলা। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে অতুলগামাগেরই মুখ পুড়ল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Continue Reading

ক্রিকেট

স্যার এভার্টন উইকস্: টেস্টে পর পর পাঁচ ইনিংসে সেঞ্চুরির রেকর্ড যাঁর আজও অক্ষত

শম্ভু সেন

সক্কালে ঘুম থেকে উঠেই খবরটা পেলাম – ‘থ্রি ডব্লিউস’-এর শেষ জন চলে গেলেন। মানে? শেষ জন বেঁচেছিলেন? খবরটা পেয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়াটা এ রকমই হয়েছিল। আসলে এভার্টন উইকস্‌ (Everton Weeks) যে বেঁচেছিলেন সেই খবরটাই তো জানা ছিল না।

‘থ্রি ডব্লিউস’-এর (Three W) প্রথম জন ফ্র্যাঙ্ক ওরেল (Frank Worrell) তো কবেই চলে গিয়েছেন। তাঁকে আমরা যতটা না মনে রেখেছি তাঁর ক্রিকেট-কৃতিত্বের জন্য, তার চেয়েও বেশি মনে রেখেছি তাঁর এক অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য। দিনটা ছিল ১৯৬২-এর ৩ ফেব্রুয়ারি। চার্লি গ্রিফিথের দুরন্ত বলে মাথায় আঘাত লেগে জীবন-মৃত্যুর দোরগোড়ায় চলে গিয়েছিলেন ভারতের অধিনায়ক নরি কন্ট্রাক্টর। তাঁর ক্রিকেট-কেরিয়ার তো শেষ হয়েই গিয়েছিল। কন্ট্রাক্টরকে বাঁচানোর জন্য দরকার ছিল রক্তের। দুই দলের মধ্যে ওরেলই ছিলেন প্রথম জন যিনি কন্ট্রাক্টরকে রক্ত দিয়েছিলেন। তাই প্রতি বছর ওরেলের জন্মদিন রক্তদান দিবস হিসাবে পালিত হয়। কিন্তু ওরেলের মৃত্যুটা যে অকালমৃত্যু ছিল, সেটা তো খেয়ালই নেই আমাদের। লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪২ বছরে প্রয়াত হন ফ্র্যাঙ্ক ওরেল, ১৯৬৭-তে।

‘থ্রি ডব্লিউস’-এর দ্বিতীয় জন ক্লাইড ওয়ালকট (Clyde Wallkot)। তিনি প্রয়াত হয়েছেন মোটামুটি পরিণত বয়সে, ২০০৬ সালে। তখন তাঁর ৮০ বছর বয়স।

আর ‘থ্রি ডব্লিউস’-এর তৃতীয় জন যে আমাদের মধ্যেই ছিলেন, সে খবর তো আমরা রাখতামই না। বোধহয় ভাবতেও পারতাম না। কারণ তাঁর সতীর্থরা তো কবেই চলে গিয়েছেন, বিশেষ করে ফ্র্যাঙ্ক ওরেল, প্রায় সাড়ে চার যুগ আগে। তাই সকালে যখন এই দুঃসংবাদ এল, তখন আমাদের প্রথম প্রশ্নই ছিল, উইকস্‌ বেঁচেছিলেন? হাঁ, বেঁচেছিলেন। আর আমাদের দুর্ভাগ্য আর মাত্র পাঁচ বছরের জন্য জীবনের শতরান করে যেতে পারলেন না।

কী ভাবে ‘থ্রি ডব্লিউস’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই কিংবদন্তি ‘থ্রি ডব্লিউস’ একে অপরের চেয়ে ১৭ মাসের ছোটো বড়ো। আর জন্মও বার্বাডোজের কেনসিংটন ওভাল মাঠের এক মাইলের মধ্যে। ওয়ালকট বলতেন, একজন ধাত্রীমাই তাঁদের তিন জনকে প্রসব করিয়েছেন। তা না হলে, কী করে তাঁরা ‘এক জোট’ হলেন। উইকসের প্রথম সাক্ষাৎ ওয়ালকটের সঙ্গে, ১৯৪১-এ। একটি ট্রায়াল ম্যাচে সতীর্থ ছিলেন তাঁরা। থেকেও ছিলেন এক ঘরে। তার পরে তাঁদের দলে ভেড়েন ফ্র্যাঙ্ক ওরেল। সারা সপ্তাহ ক্রিকেট খেলে শনিবারের রাতটা তাঁরা নেচে কাটাতেন।

ওরেল-উইকস-ওয়ালকট.

ওয়ালকট বলতেন, এই ত্রয়ীর মধ্যে উইকস্‌ হল সেরা অল-রাউন্ড ব্যাটসম্যান, ওরেল হল সেরা অল- রাউন্ডার। আর নিজের সম্পর্কে বিনয়ী হয়ে বলতেন, তিনি সেরা উইকেটকিপার। উইকস আর ওয়ালকট, দু’ জনেরই টেস্টে অভিষেক ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে, ১৯৪৮-এর ২১ জানুয়ারি কেনসিংটন ওভাল মাঠে। তার পরের টেস্টেই অভিষেক ওরেলের, ১১ ফেব্রুয়ারি, পোর্ট অব স্পেনের কুইনস্‌ পার্ক ওভালে।

১৯৫০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ইংল্যান্ড সফরের সময় এক ইংরেজ সাংবাদিক ওরেল-উইকস-ওয়ালকটকে প্রথম ‘থ্রি ডব্লিউস’ বলে সম্বোধন করেন। সেই থেকে এই ত্রয়ী ‘থ্রি ডব্লিউস’ নামে ক্রিকেট বিশ্বে পরিচিতি পান।

তিন জনের টেস্ট অভিষেক প্রায় এক সঙ্গে হলেও অবসরের সময়ের মধ্যে কিন্তু বেশ ফারাক। প্রথম অবসর নেন উইকস্‌, শেষ টেস্ট খেলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৫৮ সালের ৩১ মার্চ। এর পর অবসর নেন ওয়ালকট, শেষ টেস্ট খেলেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯৬০ সালের ৩১ মার্চ। সর্ব শেষে অবসর নেন ওরেল, তাঁরও শেষ টেস্ট ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে, শুরু হয় ১৯৬৩ সালের ২৬ আগস্ট।

আরও পড়ুন: চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

কিন্তু অবসর নেওয়ার পরেও এই ত্রয়ীর বন্ধুত্ব অটুট ছিল। ওরেলের শেষকৃত্যে তাঁর অন্যতম শবাধারবাহক ছিলেন উইকস্‌। বার্বাডোজে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেভ হিল ক্যামপাসে ঢোকার মুখে একটা ক্রিকেট মাঠ আছে, কেনসিংটনওভালের কাছেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ‘থ্রি ডব্লিউস’-এর সম্মানার্থে এই মাঠের নাম রাখা হয়েছে ‘থ্রি ডব্লিউস ওভাল’। ইউনিভার্সিটির উলটো দিকেই রয়েছে একটা পার্ক। সেখানে ইংরেজি ডব্লিউ অক্ষরের আকারে একটা স্মারক রয়েছে। সেখানে রয়েছে এই ত্রয়ীর আবক্ষ মূর্তি। তিন জনকেই ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাই তিন জনেরই নামের আগে রয়েছে ‘স্যার’। কাছেই রয়েছে একটি মাঠ, যেখানে সমাহিত করা হয়েছে ওরেল আর ওয়ালকটকে। উইকসের শেষ শয্যাও নিশ্চয় এখানেই পাতা হবে।

অনন্য রেকর্ড

২২ বছর ৩২৯ দিন বয়সে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক এভার্টন উইকসের। প্রথম টেস্ট ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে, ঘরের মাঠে অর্থাৎ কেনসিংটন ওভালে, ১৯৪৮-এর ২১ জানুয়ারি শুরু। একটা কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই ম্যাচ। দু’ দলের মোট ১২ জন ক্রিকেটারের অভিষেক হয়েছিল এই ম্যচে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭ এবং ইংল্যান্ডের ৫ জনের। এঁদের মধ্যে উইকসের সঙ্গে ছিলেন ওয়ালকটও।

প্রথম টেস্টের দু’ ইনিংসে করলেন ৩৫ ও ২৫। আহামরি কিছু নয়। পরের দু’টো ম্যাচেও দাগ কাটার মতো কিছু করলেন না। যা দেখে পরে উইজডেন লিখেছিল, “আগামী দিনে তিনি যে স্মরণীয় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন, তার বিন্দুমাত্র ইঙ্গিত তখন পাওয়া যায়নি।” ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ তথা শেষ টেস্টে বাদ। কিন্তু ‘রাখে হরি মারে কে’। জর্জ হেডলি আহত হয়ে টিম থেকে বাদ পড়ে যাওয়ায় শেষ মুহূর্তে ডাক পেয়ে গেলেন উইকস। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ২২৭ রানের জবাব দিতে নামল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাট করতে নেমেই যায় যায়। শূন্য রানে জীবন পেলেন উইকস্‌। তার পর গোটা মাঠ দেখল অন্য উইকস্‌কে। ১৪১ রান করলেন, টেস্ট কেরিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি। সেই টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতে গেল ১০ উইকেটে।

তখন উইকস, ১৯৪৮।

সেই বছরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ভারত-পাকিস্তান-সিলোন (অধুনা শ্রীলঙ্কা তৎকালীন সিলোন তখন টেস্ট-খেলিয়ে দেশ নয়) সফর। দলে ডাক পেলেন উইকস্‌। ভারতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ট্যুর। দিল্লিতে প্রথম টেস্টে ১২৮, বোম্বেতে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪, কলকাতায় তৃতীয় টেস্টের দু’ ইনিংসে ১৬২ ও ১০১। টানা পাঁচটা ইনিংসে সেঞ্চুরি। এক অনন্য রেকর্ড, যা আজও অক্ষত। ভারতে এর পরের দু’টো টেস্টেও ভালো রান করেছিলেন – চতুর্থ টেস্টে মাদ্রাজে ৯০ (বিতর্কিত রান আউট) এবং বোম্বেতে পঞ্চম টেস্টে ৫৬ ও ৪৮। একই সঙ্গে গড়ে ফেললেন আরও একটি রেকর্ড – টেস্টে পর পর সাত ইনিংসে অর্ধ শত রান। উইকসের এই রেকর্ডও ভাঙতে পারেননি কেউ, তবে ছুঁতে পেরেছেন দু’ জন – অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ও শিবনারায়ণ চন্দ্রপল।

টেস্ট কেরিয়ারে উইকসের প্রথম ১ হাজার রান এসেছিল ১২টা টেস্ট থেকে, গড় ৮২.৪৬। ১০ বছরের টেস্ট কেরিয়ারে এভার্টন উইকস খেলেছিলেন ৪৮টি টেস্ট, রান করেন ৪৪৫৫, গড় ৫৮.৬১। শতরানের সংখ্যা ১৫, অর্ধ শতরানের সংখ্যা ১৯। এক অনন্য কৃতিত্ব বই-কি!                           

Continue Reading
Advertisement
কলকাতা9 hours ago

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন, বেহালায় পুড়ে মৃত্যু মা-মেয়ের

দেশ10 hours ago

করোনা মহামারিতে ‘ফুচকা’র জন্য গলা শুকোচ্ছে? এসে গেল ‘এটিএম’

দেশ10 hours ago

‘আত্মনির্ভর ভারত অ্যাপ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

রাজ্য10 hours ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড রাজ্যে, সুস্থতাতেও রেকর্ড

দেশ11 hours ago

১৫ আগস্ট? করোনা ভ্যাকসিনের দিনক্ষণ বেঁধে দেওয়া নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল আইসিএমআর

ক্রিকেট11 hours ago

করোনা পিছু ছাড়ছে না মাশরাফি বিন মুর্তজার

দেশ12 hours ago

পাশের আসনে বসা নেতা করোনা আক্রান্ত! বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে উদ্বেগ

LPG
প্রযুক্তি13 hours ago

রান্নার গ্যাসের ভরতুকির টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কি না, কী ভাবে দেখবেন?

দেশ21 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২,৭৭১, সুস্থ ১৪,৩৩৫

দেশ2 days ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

ক্রিকেট3 days ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

কলকাতা19 hours ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

ক্রিকেট3 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হল কুমার সঙ্গকারা, মাহেলা জয়বর্ধনকে

SBI ATM
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

এসবিআই এটিএমে টাকা তোলার নিয়ম বদলে গেল

দেশ2 days ago

‘সবার টিকা লাগবে না, আর পাঁচটা রোগের মতোই চলে যাবে করোনা’, আশ্বাস অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীর

wfh
ঘরদোর1 day ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

নজরে