Kapil-Dev
Arunava-Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

বিশ্বকাপ জন্মলগ্নে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপটে থরহরি কম্প ধরেছিল সব টিমে। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের সেই মারকাটারি রমরমা বাজারে ভারত সর্বপ্রথম ছুতোরের টুকটাক নয়, কামারের এক ঘায়ে কোমর ভেঙে দিয়েছিল ওঁদের। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে অধিনায়ক কপিল দেবের ৩০৩ রান, ১২খানা উইকেট এবং সাতটা ক্যাচ ভারতীয়দের মনের ফ্রেমে বাঁধানো রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাপ ঘরে তোলার হ্যাট্রিকের স্বপ্ন একেবারে ধুয়েমুছে সাফ!

বিশ্বকাপের বারান্দায়/১৯

যে দেশকে ক্রিকেটপণ্ডিতরা ধর্তব্যের মধ্যে নিয়ে আসেননি, সেই ভারতবর্ষ লর্ডসের ব্যালকনিতে জাতীয় পতাকা তুলে ধরে প্রমাণ করেছে- ইয়েস, উই ক্যান।

এ বার ‘বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসেস ক্রিকেট শো স্টাম্পড’ অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্যকার হেনরি ব্লোফেল্ড কী বলছেন শুনুন। -“কপিল দেব যখন বাতাসে ভাসমান লাট্টুর মতো ঘোরা বল তালুবন্দি করার জন্য ছুটছেন, তখন ভারত নিশ্চিত নি‌ঃশ্বাস রুদ্ধ করে ছিল। কপিল দেবের মতো ভারতীয়রা জানতেন ভিভ রিচার্ডসের ক্যাচ ফসকালে সব আশায় জলাঞ্জলি। ক্যাচটা কিন্তু আহামরি অসম্ভব কিছু ছিল না, বরং সুন্দর সোজা ক্যাচ। তবে এও ঠিক, আমি এত টেনশ্‌ড ক্যাচ বিশ্বকাপ ইতিহাসে হয়েছে…বিশ্বাস করতে পারছি না”।

ওয়েল সেড মিস্টার ব্লোফেল্ড, ১৯৮৩ সালের সেই বিশেষ সময়ে ভারতবাসীর কণ্ঠার কাছে হৃদপিণ্ড দলা পাকিয়ে ছিল। ওই ফাইনাল ম্যাচে মাত্র ৩৩ রানেই প্যাভেলিয়নে ফিরতে বাধ্য হয়েছিলেন ভিভ। ৫৪.৪ ওভারে মাত্র ১৮৩ রান তুলেছিল ভারত। জবাবে ৫২ ওভারে ১৪০ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং। পুরো ম্যাচে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের মালিক শ্রীকান্ত, ৩৮।

Kapil-Dev

আবার সেই লর্ডসেই ‘লর্ড’ হওয়ার সুযোগ। হতে পারে টিম ইন্ডিয়ার কেউ-না-কেউ হারকিউলিস হয়ে হারকিউলিয়ান টাস্ক সেরে ফেললেন। আর মাত্র এই হার্ডলসে ক্লিক করার দরকার, ফাইনালে উঠলে চিল্লে জিতব। বাকিটা বুঝে নেওয়ার ক্ষমতা ধরেন আমাদের ক্রিকেটাররা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here