soumya leaps in the air
উইকেট পেয়ে সৌম্যর লাফ। ছবি সৌজন্যে এপি।

বাংলাদেশ: ২৩৯ (মুশফিকুর ৯৯, মিঠুন ৬০, জুনেদ ৪-১৯)

পাকিস্তান: ২০২-৯ (ইমাম ৮৩, আসিফ আলি ৩১, মুস্তাফিজুর ৪-৪৩)

আবু ধাবি: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী পাকিস্তানের আর এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠা হল  না। ৩৭ রানে জয় ছিনিয়ে নিল বাংলাদেশ। ইনজামামের ভাইপো ইমাম-উল-হকের অনবদ্য ৮৩ কোনো কাজে এল না। কারণ সে ভাবে কাউকে সঙ্গী পেলেন না তিনি।

টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুতেই বিপর্যয়। ১২ রানের মধ্যে ৩টি উইকেট হারায় তারা। দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব মুশফিকুর রহমান। এই টুর্নামেন্টে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার। মহম্মদ মিঠুনের জুটি গড়ে ১৪৪ রানের অমূল্য পার্টনারশিপ গড়েন তাঁরা। তাঁদেরই ব্যাটিং-এর দৌলতে বাংলাদেশ পৌঁছে যায় ২৩৯ রানে। দুর্ভাগ্য মুশফিকুরের। শত রান থেকে মাত্র এক রান দূরে থেকে আউট হয়ে জান তিনি। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে নড়বড়ে ৯৯-এর তালিকায় ঢুকে পড়েন তিনি। সঙ্গী মিঠুনও ৬০ রান করেন। বল হাতে সফল পাকিস্তানের জুনেদ খান। ৯ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন তিনি।

আরও পড়ুন বিরলতম মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন রবীন্দ্র জাডেজা

২৪০ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশের মতো শুরুতেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় পাকিস্তান। ১৮ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। এর পর পরিস্থিতি সামাল দিতে ইমাম তখন সঙ্গী হিসাবে পান ভারতের জামাই শোয়েব মালিককে। দু’ জনে মিলে দলের রান ২০ ওভারে পৌঁছে দেন ৮৫-তে। শোয়েব মালিক ও শাবাদ খান পর পর আউট হয়ে যাওয়ার পরে আসিফ আলিকে সঙ্গী করে দলকে বিপন্মুক্ত করার চেষ্টা করেন ইমাম। কিন্তু দলের ১৬৫ ও ১৬৭ রানে আসিফ ও ইমাম আউট হয়ে যাওয়ার পরে পাকিস্তানের হার ছিল সময়ের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত দশম উইকেটের জুটি অবিচ্ছেদ্য থেকে দলকে ২০২ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। ৩৭ রানে জিতে যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর ১০ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৪টি উইকেট দখল করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন