Connect with us

ক্রিকেট

দুরন্ত ফর্মে মনোজ তিওয়ারি, হাঁকালেন দ্বিশতরান

কল্যাণী: প্রথম দিনের খেলা শেষে অপরাজিত ছিলেন ১৫৬ রানে। সেই রানকে আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়ে এক্কেবারে দ্বিশতরান করে ফেললেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি।

সোমবার কল্যাণীতে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে শুরু থেকেই স্বাভাবিক ছন্দে ছিলেন মনোজ। ২৯৬ বলে এ দিন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ষষ্ঠ দ্বিশতরান করেন তিনি।

বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরনের নেতৃত্বে ব্যাটিং করতে নেমে রবিবার ম্যাচের শুরুতেই বাংলার দুই ওপেনারকে প্যাভেলিয়নে ফিরতে হয়। বাংলার স্কোরবোর্ডে তখন ২ উইকেটে ২২ রান।

এই পরিস্থিতিতে পালটা আঘাত হানেন মনোজ। আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ক্রিকেট খেলেন তিনি। পেরিয়ে যান প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর ২৭তম শতরানে।

আরও পড়ুন রাহুলকেই দীর্ঘমেয়াদি উইকেটকিপার করার পরিকল্পনা? বড়ো ইঙ্গিত দিলেন বিরাট

রবিবার দিনের শেষে বাংলার স্কোরবোর্ডে তখন ৫ উইকেটে ৩৬৬ রান। মনোজ অপরাজিত ১৫৬ রানে। এ দিন শুরু থেকেই আবার আগের ফর্মেই ব্যাটিং মনোজের। ১২৫ ওভার পর্যন্ত বাংলার স্কোর সাত উইকেটে ৪৮৬। মনোজ অপরাজিত ২২৪ রানে।

ক্রিকেট

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত বন্ধ করল শ্রীলঙ্কা

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রহস্য যে ভাবে ঘনীভূত হচ্ছিল, তার থেকেও দ্রুত গতিতে সেই রহস্যের ওপরে জল ঢালা হয়ে গেল। কারণ ২০১১-এর বিশ্বকাপ ফাইনালে গড়াপেটা নিয়ে তদন্ত বন্ধ করে দিল শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)।  

বৃহস্পতিবার প্রাক্তন অধিনায়ক কুমার সঙ্গকারাকে (Kumara Sangakkara) ১০ ঘণ্টার ম্যারাথন জেরা করেছে শ্রীলঙ্কা পুলিশ। শুক্রবার তাঁর সতীর্থ শ্রীলঙ্কার অপর কিংবদন্তি ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনকে (Mahela Jayawardena) জেরা করার জন্য ডাকে পুলিশ।

কিন্তু জয়বর্ধন তদন্তকারীদের সামনে বসার আগেই তদন্ত বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে পুলিশ। তারা জানিয়ে দেয় কোনো ক্রিকেটারের বয়ানে অসঙ্গতি মেলেনি। তথ্যপ্রমাণের অভাবে তাই তদন্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করা হল।

এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রথমে অরবিন্দ ডি সিলভাকে ডেকে পাঠানো হয়। তার পর উপুল তরঙ্গ আর সঙ্গকারাও জেরার সামনে বসেন।

বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান জগত ফনসেকা জানিয়েছেন, “ক্রিকেটারদের বয়ানে কোনো অসঙ্গতি মেলেনি। ফাইনালে শ্রীলঙ্কার হেরে যাওয়ার নেপথ্যে কোনো গড়াপেটার কারণ নেই।

ঘটনার সূত্রপাত হয় কিছু দিন আগে। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররা নাকি সেই ম্যাচ ইচ্ছাকৃত হেরেছিলেন ধোনিদের কাছে। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ ক্রিকেট দুনিয়া নাড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দ অতুলগামাগে।

প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর এমন বিস্ফোরক অভিযোগে নড়েচড়ে বসে সে দেশের ক্রিকেট বোর্ড। এমনকি অতুলগামাগের অভিযোগের প্রতিবাদে সরব হন সঙ্গকারা আর মাহেলা। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে অতুলগামাগেরই মুখ পুড়ল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Continue Reading

ক্রিকেট

স্যার এভার্টন উইকস্: টেস্টে পর পর পাঁচ ইনিংসে সেঞ্চুরির রেকর্ড যাঁর আজও অক্ষত

শম্ভু সেন

সক্কালে ঘুম থেকে উঠেই খবরটা পেলাম – ‘থ্রি ডব্লিউস’-এর শেষ জন চলে গেলেন। মানে? শেষ জন বেঁচেছিলেন? খবরটা পেয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়াটা এ রকমই হয়েছিল। আসলে এভার্টন উইকস্‌ (Everton Weeks) যে বেঁচেছিলেন সেই খবরটাই তো জানা ছিল না।

‘থ্রি ডব্লিউস’-এর (Three W) প্রথম জন ফ্র্যাঙ্ক ওরেল (Frank Worrell) তো কবেই চলে গিয়েছেন। তাঁকে আমরা যতটা না মনে রেখেছি তাঁর ক্রিকেট-কৃতিত্বের জন্য, তার চেয়েও বেশি মনে রেখেছি তাঁর এক অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য। দিনটা ছিল ১৯৬২-এর ৩ ফেব্রুয়ারি। চার্লি গ্রিফিথের দুরন্ত বলে মাথায় আঘাত লেগে জীবন-মৃত্যুর দোরগোড়ায় চলে গিয়েছিলেন ভারতের অধিনায়ক নরি কন্ট্রাক্টর। তাঁর ক্রিকেট-কেরিয়ার তো শেষ হয়েই গিয়েছিল। কন্ট্রাক্টরকে বাঁচানোর জন্য দরকার ছিল রক্তের। দুই দলের মধ্যে ওরেলই ছিলেন প্রথম জন যিনি কন্ট্রাক্টরকে রক্ত দিয়েছিলেন। তাই প্রতি বছর ওরেলের জন্মদিন রক্তদান দিবস হিসাবে পালিত হয়। কিন্তু ওরেলের মৃত্যুটা যে অকালমৃত্যু ছিল, সেটা তো খেয়ালই নেই আমাদের। লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪২ বছরে প্রয়াত হন ফ্র্যাঙ্ক ওরেল, ১৯৬৭-তে।

‘থ্রি ডব্লিউস’-এর দ্বিতীয় জন ক্লাইড ওয়ালকট (Clyde Wallkot)। তিনি প্রয়াত হয়েছেন মোটামুটি পরিণত বয়সে, ২০০৬ সালে। তখন তাঁর ৮০ বছর বয়স।

আর ‘থ্রি ডব্লিউস’-এর তৃতীয় জন যে আমাদের মধ্যেই ছিলেন, সে খবর তো আমরা রাখতামই না। বোধহয় ভাবতেও পারতাম না। কারণ তাঁর সতীর্থরা তো কবেই চলে গিয়েছেন, বিশেষ করে ফ্র্যাঙ্ক ওরেল, প্রায় সাড়ে চার যুগ আগে। তাই সকালে যখন এই দুঃসংবাদ এল, তখন আমাদের প্রথম প্রশ্নই ছিল, উইকস্‌ বেঁচেছিলেন? হাঁ, বেঁচেছিলেন। আর আমাদের দুর্ভাগ্য আর মাত্র পাঁচ বছরের জন্য জীবনের শতরান করে যেতে পারলেন না।

কী ভাবে ‘থ্রি ডব্লিউস’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই কিংবদন্তি ‘থ্রি ডব্লিউস’ একে অপরের চেয়ে ১৭ মাসের ছোটো বড়ো। আর জন্মও বার্বাডোজের কেনসিংটন ওভাল মাঠের এক মাইলের মধ্যে। ওয়ালকট বলতেন, একজন ধাত্রীমাই তাঁদের তিন জনকে প্রসব করিয়েছেন। তা না হলে, কী করে তাঁরা ‘এক জোট’ হলেন। উইকসের প্রথম সাক্ষাৎ ওয়ালকটের সঙ্গে, ১৯৪১-এ। একটি ট্রায়াল ম্যাচে সতীর্থ ছিলেন তাঁরা। থেকেও ছিলেন এক ঘরে। তার পরে তাঁদের দলে ভেড়েন ফ্র্যাঙ্ক ওরেল। সারা সপ্তাহ ক্রিকেট খেলে শনিবারের রাতটা তাঁরা নেচে কাটাতেন।

ওরেল-উইকস-ওয়ালকট.

ওয়ালকট বলতেন, এই ত্রয়ীর মধ্যে উইকস্‌ হল সেরা অল-রাউন্ড ব্যাটসম্যান, ওরেল হল সেরা অল- রাউন্ডার। আর নিজের সম্পর্কে বিনয়ী হয়ে বলতেন, তিনি সেরা উইকেটকিপার। উইকস আর ওয়ালকট, দু’ জনেরই টেস্টে অভিষেক ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে, ১৯৪৮-এর ২১ জানুয়ারি কেনসিংটন ওভাল মাঠে। তার পরের টেস্টেই অভিষেক ওরেলের, ১১ ফেব্রুয়ারি, পোর্ট অব স্পেনের কুইনস্‌ পার্ক ওভালে।

১৯৫০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ইংল্যান্ড সফরের সময় এক ইংরেজ সাংবাদিক ওরেল-উইকস-ওয়ালকটকে প্রথম ‘থ্রি ডব্লিউস’ বলে সম্বোধন করেন। সেই থেকে এই ত্রয়ী ‘থ্রি ডব্লিউস’ নামে ক্রিকেট বিশ্বে পরিচিতি পান।

তিন জনের টেস্ট অভিষেক প্রায় এক সঙ্গে হলেও অবসরের সময়ের মধ্যে কিন্তু বেশ ফারাক। প্রথম অবসর নেন উইকস্‌, শেষ টেস্ট খেলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৫৮ সালের ৩১ মার্চ। এর পর অবসর নেন ওয়ালকট, শেষ টেস্ট খেলেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯৬০ সালের ৩১ মার্চ। সর্ব শেষে অবসর নেন ওরেল, তাঁরও শেষ টেস্ট ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে, শুরু হয় ১৯৬৩ সালের ২৬ আগস্ট।

আরও পড়ুন: চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

কিন্তু অবসর নেওয়ার পরেও এই ত্রয়ীর বন্ধুত্ব অটুট ছিল। ওরেলের শেষকৃত্যে তাঁর অন্যতম শবাধারবাহক ছিলেন উইকস্‌। বার্বাডোজে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেভ হিল ক্যামপাসে ঢোকার মুখে একটা ক্রিকেট মাঠ আছে, কেনসিংটনওভালের কাছেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ‘থ্রি ডব্লিউস’-এর সম্মানার্থে এই মাঠের নাম রাখা হয়েছে ‘থ্রি ডব্লিউস ওভাল’। ইউনিভার্সিটির উলটো দিকেই রয়েছে একটা পার্ক। সেখানে ইংরেজি ডব্লিউ অক্ষরের আকারে একটা স্মারক রয়েছে। সেখানে রয়েছে এই ত্রয়ীর আবক্ষ মূর্তি। তিন জনকেই ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাই তিন জনেরই নামের আগে রয়েছে ‘স্যার’। কাছেই রয়েছে একটি মাঠ, যেখানে সমাহিত করা হয়েছে ওরেল আর ওয়ালকটকে। উইকসের শেষ শয্যাও নিশ্চয় এখানেই পাতা হবে।

অনন্য রেকর্ড

২২ বছর ৩২৯ দিন বয়সে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক এভার্টন উইকসের। প্রথম টেস্ট ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে, ঘরের মাঠে অর্থাৎ কেনসিংটন ওভালে, ১৯৪৮-এর ২১ জানুয়ারি শুরু। একটা কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই ম্যাচ। দু’ দলের মোট ১২ জন ক্রিকেটারের অভিষেক হয়েছিল এই ম্যচে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭ এবং ইংল্যান্ডের ৫ জনের। এঁদের মধ্যে উইকসের সঙ্গে ছিলেন ওয়ালকটও।

প্রথম টেস্টের দু’ ইনিংসে করলেন ৩৫ ও ২৫। আহামরি কিছু নয়। পরের দু’টো ম্যাচেও দাগ কাটার মতো কিছু করলেন না। যা দেখে পরে উইজডেন লিখেছিল, “আগামী দিনে তিনি যে স্মরণীয় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন, তার বিন্দুমাত্র ইঙ্গিত তখন পাওয়া যায়নি।” ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ তথা শেষ টেস্টে বাদ। কিন্তু ‘রাখে হরি মারে কে’। জর্জ হেডলি আহত হয়ে টিম থেকে বাদ পড়ে যাওয়ায় শেষ মুহূর্তে ডাক পেয়ে গেলেন উইকস। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ২২৭ রানের জবাব দিতে নামল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাট করতে নেমেই যায় যায়। শূন্য রানে জীবন পেলেন উইকস্‌। তার পর গোটা মাঠ দেখল অন্য উইকস্‌কে। ১৪১ রান করলেন, টেস্ট কেরিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি। সেই টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতে গেল ১০ উইকেটে।

তখন উইকস, ১৯৪৮।

সেই বছরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ভারত-পাকিস্তান-সিলোন (অধুনা শ্রীলঙ্কা তৎকালীন সিলোন তখন টেস্ট-খেলিয়ে দেশ নয়) সফর। দলে ডাক পেলেন উইকস্‌। ভারতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ট্যুর। দিল্লিতে প্রথম টেস্টে ১২৮, বোম্বেতে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪, কলকাতায় তৃতীয় টেস্টের দু’ ইনিংসে ১৬২ ও ১০১। টানা পাঁচটা ইনিংসে সেঞ্চুরি। এক অনন্য রেকর্ড, যা আজও অক্ষত। ভারতে এর পরের দু’টো টেস্টেও ভালো রান করেছিলেন – চতুর্থ টেস্টে মাদ্রাজে ৯০ (বিতর্কিত রান আউট) এবং বোম্বেতে পঞ্চম টেস্টে ৫৬ ও ৪৮। একই সঙ্গে গড়ে ফেললেন আরও একটি রেকর্ড – টেস্টে পর পর সাত ইনিংসে অর্ধ শত রান। উইকসের এই রেকর্ডও ভাঙতে পারেননি কেউ, তবে ছুঁতে পেরেছেন দু’ জন – অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ও শিবনারায়ণ চন্দ্রপল।

টেস্ট কেরিয়ারে উইকসের প্রথম ১ হাজার রান এসেছিল ১২টা টেস্ট থেকে, গড় ৮২.৪৬। ১০ বছরের টেস্ট কেরিয়ারে এভার্টন উইকস খেলেছিলেন ৪৮টি টেস্ট, রান করেন ৪৪৫৫, গড় ৫৮.৬১। শতরানের সংখ্যা ১৫, অর্ধ শতরানের সংখ্যা ১৯। এক অনন্য কৃতিত্ব বই-কি!                           

Continue Reading

ক্রিকেট

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

খবরঅনলাইন ডেস্ক: তাঁর দুই সতীর্থ স্যার ক্লাইড ওয়ালকট এবং স্যার ফ্র্যাঙ্ক ওরেল আগেই চলে গিয়েছিলেন। এ বার সেই ঠিকানায় পাড়ি জমালেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিখ্যাত ‘থ্রি ডব্লিউ’ এর শেষ জন স্যার এভারটন উইকস।

বুধবার বার্বাডোজে (Barbados) নিজের বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন কিংবদন্তি এই ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫।

১৯৪৮ সালে তিন সপ্তাহের ব্যবধানে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের ‘থ্রি ডব্লিউ’ স্যার ক্লাইড ওয়ালকট (Sir Clyde Walcott), স্যার ফ্র্যাংক ওরেল (Sir Frank Worrell) এবং স্যার এভারটন উইকসের (Sir Everton Weekes)। তাদের তিন জনেরই জন্ম বার্বাডোজে।

ওরেল মারা যান ১৯৬৭ সালে, ওয়ালকট ২০০৬-এ। এ বার সেখানে চলে গেলেন উইকসও।

ক্রিকেট বিশ্ব দেখেছে এ তিন ডব্লিউয়ের তাণ্ডব। তবে ওয়ালকট বা ওরেলের থেকেও তর্কাতীত ভাবে সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন উইকস। ১৯৪৮ অর্থাৎ অভিষেকের বছরেই মার্চ থেকে ডিসেম্বরের ভেতরে টানা পাঁচ টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।

ষষ্ঠ টেস্টে আম্পায়ারের ভুলে আউট হন ৯০ রান করে। মাত্র ১২ ইনিংসে পূরণ করেছিলেন কেরিয়ারের ১০০০ রান। এর চেয়ে দ্রুত আর কেউ এই মাইলফলকে পৌঁছোতে পারেননি।

কেরিয়ার শেষে ৪৮ টেস্টে ১৫ শতরান ও ১৯ অর্ধশতরানের মধ্যে দিয়ে ৫৮.৬১ গড়ে ৪৪৫৫ রান করেন উইকস। উইকসের ব্যাটিংয়ের মধ্যে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের ছায়া দেখতে পেতেন অনেকেই।

১৯৫১ সালে উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মান পান এভারটন উইকস। পরে ১৯৯৫ সালে ক্রিকেটে অবদানের জন্য নাইটহুড উপাধি লাভ করেন তিনি এবং নামের সামনে যোগ হয় ‘স্যার’ শব্দটি।

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন8 hours ago

‘সড়ক ২’ পোস্টার: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে মহেশ ভাট, আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধে মামলা

রাজ্য9 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

দেশ9 hours ago

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

wfh
ঘরদোর9 hours ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

দেশ10 hours ago

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

শিল্প-বাণিজ্য10 hours ago

কোভিড-১৯ মহামারি ভারতীয়দের সঞ্চয়ের অভ্যেস বদলে দিয়েছে: সমীক্ষা

fat
শরীরস্বাস্থ্য10 hours ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

বিদেশ10 hours ago

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

নজরে