captain morgan of england cricket team

ভারত: ১৪৮-৫ (বিরাট ৪৭, ধোনি ৩২ অপরাজিত, প্লাঙ্কেত ১/১৭)

ইংল্যান্ড: ১৪৯-৫ (হেলস ৫৮ নট আউট, বেয়ারস্টো ২৮, উমেশ যাদব ২/৩৬) 

কার্ডিফ: তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে হারের মধুর প্রতিশোধ নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল তারা। মূলত অ্যালেক্স হেলসের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেটে জিতে গেল ইংল্যান্ড।

শুক্রবার টসে জিতে প্রথমে বোলিং-এর সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক ওইন মর্গ্যান। আগের ম্যাচে যে ফর্ম দেখিয়েছিলেন ভারতের ব্যাটসম্যানরা, এ দিন প্রথম থেকে সেই দাপট দেখাই যায়নি। বরং নিখুঁত লাইন এবং লেংথে বল করে ভালো ফল পেয়েছেন ইংল্যান্ডের বোলাররা।

প্রথম ২২ রানের মাথাতেই রোহিত, ধাওয়ান এবং আগের দিনের শতরানকারী রাহুলকে হারায় ভারত। পঞ্চম উইকেটে বিরাটের সঙ্গে রায়নার একটা পার্টনারশিপ ম্যাচে ফেরায় ভারতকে। তবে রানরেট সে ভাবে বাড়াতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা, যদিও নিজের সাবলীল ছন্দে ব্যাট করে যাচ্ছিলেন বিরাট। তবে শেষ ওভারে ধোনি একটা ঝোড়ো ইনিংস না খেললে ভারতের স্কোর কোনো ভাবেই দেড়শোর কাছাকাছি পৌঁছোত না। নির্দিষ্ট ২০ ওভারে ভারতের রান দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৪৮।

১৪৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে ৪৪ রানের মধ্যে ৩টি উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। প্যাভিলিওনে ফিরে যান জ্যাসন রয়, বাটলার এবং রুট। ভারতের হয়ে প্রথম দু’টি উইকেট তুলে নেন উমেশ যাদব। দলের পতন কিছুটা রোধ করেন অ্যালেক্স হেলস এবং অধিনায়ক মর্গ্যান। তাঁরা রান টেনে নিয়ে যান ৯২ পর্যন্ত। পাণ্ড্যর বলে ধাওয়ানকে ক্যাচ দিয়ে নিজস্ব ১৭ রানের মাথায় ফিরে যান মর্গ্যান। হেলসের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন বেয়ারস্টো। জয় যখন অনেকটাই ইংল্যান্ডের দোরগোড়ায় হাজির বলে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখন আউট হন বেয়ারস্টো (২৮)। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে কুলদীপের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। তখনও ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১৭ বলে ২৩ রান।

উইলি নামার পর রান ওঠার গতি প্রথমে কিছুটা শ্লথ হয়ে গেলেও দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন হেলস। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৫৮ করে নট আউট থেকে দলকে জয় এনে দেন। দু’ বল বাকি থাকতেই জয়ে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here