প্রায় পাঁচ দশক পর সিরিজ ড্র, তবে অ্যাসেজ থাকল অস্ট্রেলিয়ার ঘরে

joyful broad
উইকেট নেওয়ার পর উল্লিসিত ব্রড।

ইংল্যান্ড: ২৯৪ (বাটলার ৭০, রুট ৫৭, মার্শ ৫-৪৬) এবং ৩২৯ (ডেনলি ৯৪, স্টোকস ৬৭, লিয়ন ৪-৬৯)

অস্ট্রেলিয়া ২২৫ (স্মিথ ৮০, আর্থার ৬-৬২) এবং ২৬৩ (ওয়েড ১১৭, লিচ ৪-৪৯, ব্রড ৪-৬২)

ইংল্যান্ড ১৩৫ রানে জয়ী

লন্ডন: জ্যাক লিচ ও স্টুয়ার্ট ব্রডের বোলিং-যুগলবন্দিতে পঞ্চম টেস্ট শেষ হয়ে গেল চার দিনেই। ওভালে অনুষ্ঠিত এই টেস্ট জিতে গেল ইংল্যান্ড। যদিও সিরিজ ড্র হওয়ার সুবাদে অ্যাসেজ থাকল অস্ট্রেলিয়ারই ঘরে। এবং প্রায় পাঁচ দশক পরে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ ড্র হল। শেষ বার ড্র হয়েছিল ১৯৭২-এ।

মাইকেল ওয়েড তাঁর দু’ নম্বর টেস্ট সেঞ্চুরি করলেন বটে, কিন্তু দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাউকে সঙ্গী হিসাবে পেলেন না। স্টিভ স্মিথ (২৩), মিশেল মার্শ (২৪) আর টিম পেন (২১) কিছুটা চেষ্টা করছিলেন ওয়েডকে সঙ্গ দিতে, কিন্তু ব্রড আর রুট ওই দু’ জনকে তুলে নেওয়ার পর স্পষ্টই হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া তাদের লক্ষ্যমাত্রার ধারেকাছেও পৌঁছোবে না। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬৩ রানে আটকে গেল। ফলে পঞ্চম টেস্টে ইংল্যান্ড জয় পেল ১৩৫ রানে।

আরও পড়ুন: বাংলার পর্বতারোহণে ইতিহাস! নন্দাদেবী ইস্টের মাথায় বাঙালি অভিযাত্রী দল

ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ৩১৩ রান হাতে নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে। তবে তারা বেশি দূর এগোতে পারেনি। ৩২৯ রানে অল আউট হয়ে যায়। শেষ দু’টি উইকেট তুলে নেন কামিন্স আর লিয়ন।

৩৯৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। হাতে অঢেল সময়, প্রায় দু’ দিন। শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ৮৫ রানের মধ্যে চার উইকেট চলে যায়। হ্যারিস, ওয়ার্নার, লাবুশানে – কেউই তেমন রান পেলেন না। ভরসা তখন এই সিরিজে সব চেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথ। কিন্তু দলের ৮৫ রানের মাথায় ব্রডের বলে স্মিথ ফিরতেই বোঝা যায় অস্ট্রেলিয়ার হার এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় উইকেট পড়ার পর নামেন ওয়েড। স্মিথ আউট হওয়ার পর ওয়েড কিছুটা সঙ্গ পেলেন মার্শ আর পেনের কাছ থেকে কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হল না। শুধু পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেটের পতন কিছুটা আটকে থাকল। ব্রড, লিচের বিধ্বংসী বোলিং এবং রুটের যোগ্য সঙ্গতের জন্য অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেল ২৬৩ রানে। শেষ চার উইকেটে উঠল ৬৩ রান। ব্রড ও লিচ ৪টি করে উইকেট নেওয়ার পর বাকি দু’টি উইকেট তুলে নেন রুট মাত্র ২৬ রান দিয়ে।

প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ হন ইংল্যান্ডের জোফ্রা আর্চার এবং প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ হন অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ ও ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস।    

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.