prashant chopra

বাংলা ৪১৯

হিমাচল ২০৬ (বর্মা ৬৪, দিন্দা ৫-৬১) এবং ২০৭-২ (চোপড়া ৮১, খান্দুরি ৬৭ অপরাজিত, মুকেশ ১-২৮)

কলকাতা: সাত পয়েন্টের আশা প্রায় শেষ, আশা কমছে ছ’পয়েন্টেরও। শেষে কি তিন পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে বাংলাকে? তৃতীয় দিনে হিমাচলের ব্যাটিং বিক্রম দেখলে তিন পয়েন্টের বেশি আশা করা উচিত নয় বাংলার।

অথচ দিনটা কিন্তু সম্পূর্ণ অন্য রকম ভাবে শুরু হয়েছিল। শামি এবং দিন্দার দাপটে মাত্র ৪৩ রানের মাথায় পাঁচ উইকেট হারায় হিমাচল। তবে বেশি প্রভাব ছিল দিন্দারই। সকালের আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত বোলিং করে আরও একবার পাঁচ উইকেট পান দিন্দা। অন্য দিকে আগের দিনের থেকে নিজের নামের পাশে একটি উইকেট সংখ্যা বাড়ান শামি। অপর একটি উইকেট পান মুকেশ কুমার।

৪১৯ রানের জবাবে মাত্র ২০৬-তেই শেষ হিমাচল। পাহাড়ি দলকে ফলো-অন করাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি বঙ্গ অধিনায়ক। সাত পয়েন্টের স্বপ্নে তখন বিভোর বাংলা শিবির। কিন্তু পরের দু’টি সেশনে কী অপেক্ষা করছে তা বোধহয় ভাবতেও পারেনি বাংলা।

দ্বিতীয় ইনিংসে পালটা লড়াই দেওয়া শুরু করল হিমাচল। যার নেপথ্যে থাকলেন সদ্য ত্রিশতরান করা প্রশান্ত চোপড়া। প্রিয়াংশু খান্দুরিকে সঙ্গে নিয়ে বড়ো ওপেনিং জুটি তৈরি করেন প্রশান্ত। অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন প্রশান্ত। বাংলা যখন হিমাচলের প্রথম উইকেটটি পায়, তখন স্কোরবর্ডে ১২৫ তুলে ফেলেছে হিমাচল। যার মধ্যে প্রশান্তেরই সংগ্রহ ৮১। তবে প্রশান্ত বেশি ভয়ংকর হওয়ার আগেই তাঁকে ফিরিয়ে দেন মুকেশ কুমার। এর চার রানের মধ্যেই অধিনায়ক সুমিত বর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলার দরজা কিছুটা খুলে দেন শামি। কিন্তু চার নম্বরে নামা ব্যাটসম্যান নিখিল গাংগটার সঙ্গে ফের বড়ো রানের জুটি তৈরি করেন খান্দুরি।

দিনের শেষে সেই জুটি এখনও অপরাজিত। বাংলাকে যদি সাত পয়েন্ট পেতে হয়, তা হলে ছ’রানের মধ্যে হিমাচলের আটটা উইকেট ফেলতে হবে। কিন্তু সেটা তো সম্ভব নয়, এমনকি হিমাচল যা খেলছে, ছ’পয়েন্টও দুষ্কর মনে হচ্ছে। তবে শেষ দিন শামি-দিন্দারা নতুন করে জ্বলে উঠলে বাংলার ঘরে ছ’পয়েন্ট আসতে পারে। আপাতত শামি-দিন্দাদের জ্বলে ওঠার আশাই করছে বাংলা শিবির।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here