ওয়েবডেস্ক: বল বিকৃতি কাণ্ডে তাঁর সরাসরি যোগ প্রমাণিত হয়নি। সুতরাং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার রায়ের শাস্তি এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটপ্রেমী থেকে বিশেষজ্ঞদের মতে গোটা ঘটনায় ‘আসল’ দোষী তিনিই। তিনি অজি কোচ ড্যারেন লেম্যান।

‘যেন তেন প্রকারেণ জিততেই হবে’, লেম্যানের এই মানসিকতাতেই আজ এই দিন দেখছে অস্ট্রেলিয়া, এমনই মত ভেসে বেড়াচ্ছে।

২০১৩-তে অস্ট্রেলিয়া দলের দায়িত্বভার নেন লেম্যান। তখন মনে করা হয়েছিল, দলের রক্ষাকর্তা হয়ে হাজির হবেন তিনি। কিন্তু সমালোচকদের মতে, তখন থেকেই বিষাক্ত আবহ দলে ঢুকিয়ে দেন লেম্যান যার ফলে ‘ব্যাগী গ্রিন’ টুপির ঐতিহ্য আসতে আসতে মাটিতে মিশে যেতে থাকে।

দায়িত্বভার নেওয়ার পর লেম্যানকে যখন প্রশ্ন করা হয়েছিল, অস্ট্রেলিয়া দলে কোন তিনটে দিককে তিনি বেশি প্রাধান্য দেবেন, উত্তর এসেছিল, “জয়, জয় এবং একমাত্র জয়। শুরু থেকে জেতার জন্য ঝাঁপাব।” যদিও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাঁকে যখন দায়িত্ব দেয় তাদের প্রাধান্যের তালিকায় জয় ছিলই না।

সেই সময়ে জেমস সাদারল্যান্ড বলেছিলেন, “শৃঙ্খলা, দায়বদ্ধতা এবং ধারাবাহিকতা আমাদের উন্নতির দিকে নিয়ে যাবে। আমাদের কোচকে এই তিনটে বিষয় সুনিশ্চিত করতেই হবে।” সুতরাং দলের মধ্যে শৃঙ্খলা আমদানি করার দায়িত্ব লেম্যানকে দেওয়া হলেও সেই ব্যাপারে তিনি যে একদমই ব্যর্থ সেটা কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহই দেখিয়ে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল বলেই ২০১৩-এ অ্যাসেজের আগে হঠাৎ কোচ বদল করে অস্ট্রেলিয়া। মিকি আর্থার থেকে দায়িত্ব আসে লেম্যানের কাঁধে। লেম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পরে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৩০টা টেস্ট, হেরেছে ১৯টা। আটটা টেস্ট অমীমাংসিত হয়েছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে ক্রিকেটীয় মূল্যবোধ বিসর্জন দিয়ে বিপক্ষকে আক্রমণ করার বার্তাও লেম্যান দিয়েছেন।

ক্রিকেটার জীবনেও বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। ২০০৩-এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একটি একদিনের ম্যাচে আউট হয়ে যাওয়ার পড়ে লঙ্কার ড্রেসিং রুমের উদ্দেশে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেন লেম্যান।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন