মাঠে নয়, রোহিতের ব্যাটে ঘূর্ণিঝড়, উড়ে গেল বাংলাদেশ

0

বাংলাদেশ ১৫৩-৬ ( নঈম ৩৬, সৌম্য ৩০, চাহল ২-২৮)

ভারত ১৫৪-২ (রোহিত ৮৫, ধাওয়ান ৩১, আমিনুল ২-২৯)

রাজকোট: প্রথম ম্যাচে আকস্মিক হার যে রোহিত শর্মারা হজম করতে পারেননি, সেটা বোঝা গেল দ্বিতীয় ম্যাচে এসে। বাংলাদেশের বোলারদের চরম শাসন করে ম্যাচ জিতে নিল ভারত। সিরিজে ফিরল সমতা।

ঘূর্ণিঝড় ‘মহা’-এর হুংকার ছিল। চিন্তা ছিল, কোনো ভাবে ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়, তা হলে সিরিজ জেতার সম্ভাবনা হারাবে ভারত। কিন্তু ম্যাচ যখন শুরু হল, তখন রাজকোটের আকাশ একদম পরিষ্কার। বুধবারের প্রবল বৃষ্টিরও কোনো চিহ্ন নেই।

আরও পড়ুন: ধোনির উত্তরসূরি ভাবা হত এক সময়, গড়াপেটার অভিযোগে গ্রেফতার সেই ক্রিকেটার

এই পরিস্থিতিতে টসে জিতে বোলিং ছাড়া অন্য কিছু ভাবার অবকাশ ছিল না রোহিতের কাছে। কারণ প্রথম ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ডুবেছে ভারত। আর দ্বিতীয়ত, টি২০তে রান তাড়াতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য মনে করেন অধিনায়করা।

যা-ই হোক, বাংলাদেশ ব্যাটিং শুরু করল। এবং শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক লিটন দাস এবং মহম্মদ নঈম। দু’জনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের সামনে মনে হচ্ছিল ভারতীয় বোলাররা খেই হারিয়ে ফেলেছেন। সপ্তম ওভারেই বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে উঠে গেল ৬০, বিনা উইকেটে।

এই পরিস্থিতিতেই প্রত্যাবর্তন করে ভারত। ব্রেক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। সৌম্য সরকার এবং মহমুদুল্লাহরা রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করলেও খুব একটা সফল হননি। তবে ভারতকে চিন্তায় রাখবে খলিল আহমেদের পারফরম্যান্স। কারণ প্রথম টি২০-এর পর দ্বিতীয় ম্যাচেও খারাপ বোলিং করলেন তিনি।

১৫৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই সুপার আগ্রাসী ঢঙে চলে যান রোহিত শর্মা। রোহিত সব সময়েই কিছুটা ধীরে শুরু করে পরের দিকে ইনিংসের গতি বাড়ান। কিন্তু এ দিন শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের মাথায় চেপে বসেন তিনি।

উলটো দিকে ছিলেন শিখর ধাওয়ান, যাঁকে টি২০ দল থেকে বাদ দেওয়ার একটা দাবি উঠছে কারণ এই ফরম্যাটে বিশেষ রান পাচ্ছেন না তিনি। এ দিন তাই তাঁর কাছে একটা পরীক্ষা ছিল। রোহিতকে সঙ্গ দিয়ে নিজের ইনিংসের দিকেও নজর দিলেন শিখর। তবে বেশি তাড়াহুড়ো না করলে একটা অর্ধশতরান তাঁর পাকা ছিল।

তবে এ দিন যাবতীয় নজর ছিল রোহিতের দিকে। যে ফর্মের ঝলক দেখিয়েছেন, সেটা আগে খুব একটা দেখা যায়নি। হয়তো রবিবার এই দলের বিরুদ্ধে হেরে যাওয়াটা মনে থেকে মেনে নিতে পারেননি, তাই এ দিন পুরো ব্যাপারটা সুদেআসলে পুষিয়ে দিলেন।

যদিও রোহিতের ইনিংস যে ভাবে শেষ হল, সেটা তিনি বিশ্বাস হয়তো করতে পারবেন না। শতরানটা মাঠে রেখে দিয়ে এলেন তিনি।

শেষে চার ওভার হাতে রেখেই ভারতকে জয়ের গণ্ডি পার করিয়ে দেন কেএল রাহুল এবং শ্রেয়স আয়্যার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here