এ বার বধ জিম্বাবোয়েকে, বিশ্বকাপে দৌড়চ্ছে পৃথ্বী'রাজ' ঘোড়া

0

জিম্বাবোয়ে: ১৫৪ (শুম্বা ৩৬, রোশে ৩১, অনুকূল ৪-২০) ভারত: ১৫৫-০ (শুবমান অপরাজিত ৯০, দেসাই অপরজিত ৫৬) মাউন্ট মাউঙ্গানুই: অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে, পাপুয়াকে সাবড়ে এ বার জিম্বাবোয়েকে বধ। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে রীতিমতো ছুটছে পৃথ্বীদের ঘোড়া। যে রকম নির্মম ভাবে শুক্রবার ভারত জিম্বাবোয়েকে ওড়াল, তাতে একটা ব্যাপার মনে হচ্ছে যে ছ’বছর পর আবার বিশ্বকাপের ট্রফি ঘরে তুলতে চলেছে ভারতের তরুণ প্রজন্ম। শুক্রবারের ফল দেখে মনে হবে দু’টো ইনিংসে দু’রকম ব্যবহার করল পিচ। প্রথম ইনিংসে যখন পিচ দেখে মনে হচ্ছিল বোলার সহায়ক, তখন পরের ইনিংস দেখে মনে হল এ রকম ভালো ব্যাটিং পিচ বোধহয় খুব কম দেখা যায়। ভারতের জয়ে এ দিন মুখ্য ভূমিকা পালন করলেন স্পিনার অনুকূল রায় এবং ওপেনার শুবমান গিল। প্রথমে অনুকূলের কথায় আসা যাক। দিন দিন যেন নিজেকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছেন বিহারের এই বাঙালি ছেলে। আগের ম্যাচে স্যাঁতস্যাঁতে পেস বান্ধব পিচে একাই পাঁচ উইকেট তুলে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন। এই ম্যাচেও তাঁর দখলে চার উইকেট। অনুকূল ছাড়াও ভারতের হয়ে এ দিন নজর কাড়েন শিবম মাভি, আর্শদ্বীপ সিংহ, রিয়ান পরাগ এবং অভিষেক শর্মা। মাত্র ১৫৪ রানে শেষ হয়ে যায় জিম্বাবোয়ে। ভারতের পক্ষে এই টার্গেট আদৌ কোনো সমস্যা তৈরি করত না। কিন্তু বিপক্ষের বোলারদের প্রতি কোনো রকম দয়ামায়া না দেখিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। এখানে কৃতিত্ব প্রাপ্য শুবমান গিলের। এই ভারতীয় দলে সব থেকে প্রতিভাবান ব্যাটসম্যানের নাম যদি পৃথ্বী শ হয়, তা হলে দ্বিতীয় স্থানেই থাকবেন পঞ্জাবের শুবমান। তাঁর প্রতিভার স্বীকৃতি দিয়ে এখনই তাঁকে নিজেদের দলে নিয়মিত ব্যাটসম্যান করে নিয়েছে পঞ্জাবের রঞ্জি দল। এই রঞ্জি মরশুমে যথেষ্ট নামও করেছেন তিনি। দেড়শোর ওপর স্ট্রাইক রেট রেখে তিনি একাই করে গেলেন ৯০ রান। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৪টা চার এবং ১টা ছয়। এই দুর্ধর্ষ ইনিংসটার পর তিনি ছাড়া আর কেই বা ম্যাচের সেরা হতে পারতেন! গ্রুপ লিগ শেষ, এ বার দ্রাবিড়ের ছেলেদের লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনাল জেতা।]]>

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here