Connect with us

ক্রিকেট

ইনিংসে হারতে হল না, এটাই যা সান্ত্বনার

Published

on

ভারত: ১৬৫ ও ১৯১ (অগ্রবাল ৫৮, রাহানে ৩৯, সাউথি ৫-৬১)

নিউজিল্যান্ড: ৩৪৮ ও ৯-০ (ল্যাথাম ৯ অপরাজিত)

ওয়েলিংটন: ‘বল যেখানে নড়ে, ভারতীয় ব্যাটিং সেখানে ভেঙে পড়ে’। আজকের নয়, এই প্রবাদটা বহু দিনের। বল যেখানে সুইং করবে, ভারতীয় ব্যাটিংয়ের দুঃস্বপ্ন সেখানে আসতে বাধ্য। এই ওয়েলিংটন টেস্টেও সেটাই হল।

ওয়েলিংটন টেস্টের আগে পর্যন্ত বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে যে ক’টা টেস্ট ভারত খেলেছিল, সব জিতেছিল। সাতে সাত। এই টেস্ট শুরুর আগে তাই ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল যে নিউজিল্যান্ডকে প্রথম টেস্টে হারালেই রেকর্ড বইয়ে ঢুকে যাবে বিরাটবাহিনী। টানা আটটা টেস্ট জয়ের রেকর্ড।

রেকর্ডের হাতছানি থাকলেও, অনেকের যেটা মাথাতেই আসেনি, তা হল ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভের হাওয়া আর সুইং-আদর্শ পরিস্থিতি। কিন্তু সেই পরিস্থিতি যে ভারতের পক্ষে মোকাবিলা করা কষ্টকর হতে পারে তার আন্দাজ কি গত বছর নভেম্বরে পাওয়া যায়নি?

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলাপি বলের টেস্টে একবার ফিরে যান তো সবাই। টেস্টে বাংলাদেশ এত হতশ্রী পারফরম্যান্স করেছিল, যে ভারতের ব্যাটিং ব্যর্থতা অনেকটাই ঢাকা পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু ওই টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের বিরুদ্ধে সাড়ে তিনশো রানও পেরোতে পারেনি ভারত। বিরাটের শতরান আর রাহানে-পুজারার অর্ধশতরান ছাড়া কেউ দাঁড়াতেই পারেননি।

ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ফাঁকফোকর তো তখনই বোঝা গিয়েছিল। সেই গলদ যে রাতারাতি শুধরে যাবে, সেই আশা করাটাও ছিল মুর্খামি।

অন্যান্য দিনে ভারতীয় ব্যাটিং ধসে পড়লে হাল ধরেন বিরাট। কিন্তু এই সিরিজে তিনি নজিরবিহীন অফ-ফর্মে। চারটে টি-২০, তিনটে একদিনের ম্যাচ আর এই টেস্টের দুটো ইনিংস মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক বার ৫০-এর মুখ দেখেছেন তিনি।

এই টেস্টে কিছুটা দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন মাত্র দু’জন। ওপেনার ময়াঙ্ক অগ্রবাল আর অজিঙ্ক রাহানে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করে অগ্রবাল বুঝিয়ে দিয়েছেন, সেরা ওপেনার হওয়ার যাবতীয় গুণ তাঁর মধ্যে রয়েছে। আর রাহানে বোঝাচ্ছেন, বিদেশের মাঠে তিনিই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের অন্যতম সেরা বাজি।

ভারতের কপালে যে হারের খাঁড়া ঝুলছে সে তো তৃতীয় দিনই বোঝা গিয়েছিল। দেখার ছিল যে ইনিংসে হারের সম্মুখীন হয় কি না তারা। সেটা যে হয়নি, সেটাই ভারতের কাছে একমাত্র সান্ত্বনার। নয়তো বিশ্বের সেরা টেস্ট দলের এ ভাবে ইনিংসে হার, তা-ও কি না অপেক্ষাকৃত দুর্বল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে, এটা মেনে নাওয়া কষ্টকর হত।

ভারতীয় ব্যাটিং তো ডুবেছেই, বোলিংয়ের অবস্থাও ভালো নয়। যে উইকেটে নিউজিল্যান্ডের পেসাররা ভারতকে দু’ বার দুশোর নীচে অলআউট করতে পারেন, সে পিচে ভারতীয় বোলাররা কার্যত ব্যর্থ। ইশান্ত শর্মা ছাড়া বাকি দুই পেসার বিশেষ কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। অথচ এটাই না কি ভারতের সর্বকালের সেরা পেস আক্রমণ। তবে স্বস্তির খবর এই যে, কঠিন পরিস্থিতিতেও ভালো বল করেছেন অশ্বিন।

যা-ই হোক, সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডের পর এ বার নিউজিল্যান্ডেও টেস্ট সিরিজ জেতা হচ্ছে না ভারতের। দ্বিতীয় টেস্টটা জিতে সিরিজ অমীমাংসিত রাখা যেতে পারে। সেটাই চাইবেন বিরাট কোহলি।

তবে একটা কথা বলে দেওয়া যাক, ক্রাইসচার্চের হ্যাগলে ওভালেও কিন্তু অসম্ভব হাওয়া চলে।

ক্রিকেট

বুমরাহ-বোল্টের দাপটে বিধ্বস্ত কেকেআর, লজ্জার হার দিয়ে আইপিএল যাত্রা শুরু

Published

on

মুম্বই ১৯৫-৫ (রোহিত ৮০, সূর্যকুমার ৪৭, মাভি ২-৩২)

কলকাতা ১৪৬-৯ (কামিন্স ৩৩, কার্তিক ৩০, প্যাটিনসন ২-২৫)

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ট্রেন্ট বোল্ট, জোশপ্রীত বুমরাহর তাণ্ডবের কাছে কার্যত আত্মসমর্পণ করল কলকাতা নাইটরাইডার্স। নামকরা বোলার হোক, বা বিশ্বখ্যাত ব্যাটসম্যান, এ দিন কেউ জ্বলে উঠতে পারেনি কেকেআরের হয়ে। ফল, বিশাল ব্যবধানে হার।

কলকাতা নাইটরাইডার্সের বিরুদ্ধে বরাবরই জ্বলে ওঠেন রোহিত শর্মা। এ দিনও তার অন্যথা হয়নি। কিন্তু বুধবারের ম্যাচে প্রথম ইনিংস অনুযায়ী সংবাদ শিরোনামে থাকবেন সাড়ে ১৭ কোটির ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার নামকরা এই পেসার আইপিএলের ইতিহাসের অন্যতম দামী ক্রিকেটার। সেই কামিন্স যে এ রকম ভয়াবহ ভাবে ঝুলিয়ে দেবেন, সেটা সম্ভবত কেউ আন্দাজই করতে পারেনি।

তিন ওভারে ৪৯ রান দিলেন তিনি। হার্দিক পাণ্ড্য তো বটেই, তাঁর বলকে মাঠে বাইরে অবলীলায় পাঠিয়েছেন অনামি সৌরভ তিওয়ারি এবং সূর্যকুমার যাদবও।

এ দিন শুরুতে কুন্টন ডে ককের উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি মুম্বই। সৌজন্যে সূর্যকুমার এবং দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দশ ওভারে দু’ জনের মধ্যে ৯০ রানের পার্টনারশিপ তৈরি হয়। কামিন্স ছাড়াও, এই জুটির সামনে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেননি সুনীল নারিন, সন্দীপ ওয়ারিয়াররা। তবে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিলেন শিবম মাভি।

সূর্যকুমার আউট হলেও নিজের ব্যাটে বিক্রম চালিয়ে যেন রোহিত। আইপিএল কেরিয়ারের আরও একটি শতরানের দিকেও এগোচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ দিকে রানের গতি বাড়ানোর জন্য ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের কাছাকাছি ধরা পড়েন তিনি।

রোহিত আউট হওয়ার পর মুম্বইয়ের ব্যাটিংয়ে একটা ব্রেক লেগে যায়। কায়রন পোলার্ড বা হার্দিক পাণ্ড্যরা থাকলেও দুশোর ওপরে উঠতে ব্যর্থ হয় মুম্বই।

তবে এই ইনিংসে আরও একটা বড়ো প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিল কেকেআরের ওভাররেট নিয়ে। দু’ ঘণ্টা পাঁচ মিনিট সময়ে নিয়ে কুড়ি ওভার বল করেছে দীনেশ কার্তিকের দল। এর জন্য অধিনায়কের কোনো শাস্তি হয় কি না, সেটাই দেখার।

আন্দ্রে রাসেল তো রয়েছেনই, সেই সঙ্গে এ বার দলে যোগ দিয়েছেন ইংল্যান্ডের সীমিত ওভারের অধিনায়ক ওইন মর্গ্যান। ফলে নাইটদের কাছে কোনো লক্ষ্যই এখন আর অসাধ্যের মধ্যে নয় বলেই ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু টপ অর্ডার ভেঙে পড়লে তার প্রভাব গোটা দলের ওপরে এসে পৌঁছোয়।

আবু ধাবির মাঠ বিশাল বড়ো। এই মাঠে ‘মিস হিট’-এ বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি হওয়া প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। সেই কারণেই সুনীল নারিনকে ওপেনিংয়ে পাঠানোর কোনো যুক্তি আছে বলে মনে তো হয় না। এ দিন নারিন সফল হননি, ঠিক যেমনটা সফল হননি তাঁর ওপেনিং পার্টনার শুভমান গিল। রাসেলকে পেছনে রেখে এ দিন তিন নম্বরে নামেন কার্তিক।

কার্তিক আর নীতীশ রানা যখন ফিরে যান তখন কেকেআরের স্কোরবোর্ডে চার উইকেটে ৭৭। মর্গ্যানের সঙ্গে ক্রিজে একত্রিত হন রাসেল। কিন্তু রানের গতি বাড়ানো বা লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছোনোর জন্য যে বাড়তি তাগিদ দেখানো উচিত ছিল তা একদমই দেখা যায়নি এই দুই ব্যাটসম্যানের থেকে। রাসেলকেও চেনা যাচ্ছিল না একদম। আগের বারে ঝড় তোলা রাসেলের এ দিন ব্যাটে-বলে করতেই সমস্যা হচ্ছিল।

জশপ্রীত বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কার স্টাম্প ছিটকে দেয় রাসেলের। ১৬তম ওভারে প্রথম বলে এই ঘটনা ঘটার পর চতুর্থ বলে মর্গ্যানকেও ফিরিয়ে দেন তিনি। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে এই বুমরাহই চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। কেকেআরের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ান তিনি।

মর্গ্যান আর রাসেল আউট হওয়ার পর বাকিটা ছিল শুধু নিয়মরক্ষার। তবে সেই নিয়মরক্ষার পরিস্থিতির মধ্যেও আচমকা জ্বলে ওঠে প্যাট কামিন্সের ব্যাট। ১২ বলে ৩৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসের মধ্যে দিয়ে কেকেআরের শিবিরের লজ্জা কিছুটা কমান তিনি।

এই জয়ের ফলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিজেদের প্রথম জয় পেল মুম্বই। ২০১৪ সালের আইপিএলের প্রথম অংশটা এই দেশেই হয়েছিল। সে বার আমিরশাহিতে কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি মুম্বই। এ বারও চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ হেরে যায় তারা।

Continue Reading

ক্রিকেট

রানের বন্যা শেষে চেন্নাই-জয় রাজস্থান রয়্যালসের

Published

on

IPL rajasthan Royals

রাজস্থান ২১৬-৭ (সঞ্জু ৭৪, স্মিথ ৬৯, স্যাম কারান ৩-৩৯)

চেন্নাই ২০০-৬ (ধোনি ৭২, ওয়াটসন ৩৩, তেওয়াটিয়া ৩-৩৭)

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ১৩তম আইপিএলে প্রথম বার রানের বন্যা। আর সেই ম্যাচে চেন্নাই সুপারকিংসকে হারিয়ে কার্যত কিছুটা অঘটনই ঘটিয়ে ফেলল রাজস্থান রয়্যাল্‌স। এই জয়ের নেপথ্যে থাকলেন রাজস্থানের সঞ্জু স্যামসন। তবে চেন্নাই ইনিংসে ফাফ দু’প্লেসি যে ভাবে মরিয়া লড়াই করেছিলেন, সেটাও প্রশংসার যোগ্য।

২২ বছর আগে যে মাঠ সচিন তেন্ডুলকরের ‘মরুঝড়’-এর ইনিংস দেখেছিল, শারজার সেই ঐতিহাসিক মাঠেই এ দিন আছড়ে পড়ল সঞ্জু স্যামসনের ঝড়। ছেলেটার ভাগ্য সত্যি খারাপ বলতে হয়। প্রত্যেক বার আইপিএলে নজর কাড়েন তিনি। কিন্তু ভারতীয় দলে তাঁকে নিয়ে কারও বিশেষ উৎসাহ থাকে না। আবার ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেও সেটা সদ্ব্যবহার করতেও পারেন না তিনি।

এ দিন অবশ্য শুরু থেকেই শারজা স্টেডিয়াম জুড়ে একটাই নাম। স্যামসন। ফাঁকা গ্যালারির বিভিন্ন প্রান্তে এ দিন বল পাঠিয়েছেন তিনি। ৭৪ রানের ইনিংস তিনি খেলেছেন মাত্র ৩২টা বলে। সব থেকে চমকপ্রদ ব্যাপার হল এই ইনিংসে ৯টা ছয় মেরেছেন তিনি। চার মেরেছেন মাত্র একটা।

ইনিংসটা দেখে এক এক সময়ে মনে হচ্ছিল, নির্বাচকদের উদ্দেশে তিনি কি কোনো বার্তা দিতে চাইছেন?

স্যামসন এসেছিলেন তিন নম্বরে ব্যাট করতে। ওপেনিং জুটিতেও বিশেষ বড়ো একটা চমক ছিল। নবাগত যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে এ দিন ওপেন করতে আসেন অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে তিনি এর আগে কখনও ওপেন করেছেন কি না, জানা নেই।

ওপেনিংয়ের এই অভিষেক বেশ সুখকরই হল স্মিথের জন্য। স্যামসনের দাপটের সামনে তিনি কিছুটা ম্রিয়মান থাকলেও ৬৯ রানের ঝকঝকে একটা ইনিংস খেলে যান।

রাজস্থানের ইনিংসের শেষ ওভারে আরও একজনের ব্যাট জ্বলে ওঠে। তিনি জোফরা আর্চার। শেষ ওভারের প্রথম চারটে বলকেই আর্চার মাঠের বাইরে না পাঠালে দুশোর আগেই থেমে যেত রাজস্থানের ইনিংস।

রাজস্থান যে রানটা তুলেছিল, এখনও পর্যন্ত আইপিএলে ওই রান তাড়া করে কেউ জিততে পারেনি। তাই এ দিন শুরু থেকেই চেন্নাইয়ের ওপরে বাড়তি চাপ ছিল। তবুও সেই চাপ সহ্য করে মোটামুটি ভালোই শুরু করেছিলেন দলের দুই ওপেনার মুরলি বিজয় এবং শেন ওয়াটসন।

কিন্তু দু’ জনের জুটি ৫৬ রান তুলে ভেঙে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে চেন্নাইয়ের পুরো টপ অর্ডারটাই ভেঙে যায়। মাত্র ১৩ বলের মধ্যে আরও চারটে উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকতে শুরু করে হলুদ জার্সিধারীরা। তবে অবাক করা ব্যাপার হল, চার উইকেট পড়ার পরেই মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে ব্যাট হাতে দেখা যায়নি।

আরও অবাক করল পঞ্চম উইকেটে কেদার যাদব আর ফাফ দু’প্লেসির মন্থরতা। রানের গতি বাড়ানোর যে উদ্যম দেখানো উচিত ছিল, সেটা তাদের মধ্যে কখনই দেখা যায়নি। ১৪তম ওভারে যাদব আউট হতে আরও গর্তে ঘুকে যায় চেন্নাই।

পাঁচ উইকেট পড়ার পর ধোনি ক্রিজে আসেন। ধোনি যে ইদানীং ইনিংসে গতি পেতে অনেকটাই সময়ে নিয়ে নেন, সেটা এ দিনও দেখা গেল। তাঁর মধ্যে ছক্কা হাঁকানোর কোনো বাড়তি উদ্যম এ দিন দেখা যায়নি। অপর প্রান্তে থাকা দু’প্লেসিকে স্ট্রাইক দিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি, আর যাবতীয় চেষ্টা দু’প্লেসিই করে যাচ্ছিলেন।

তবে ইনিংসের শেষ ওভারে মিনি ধোনি ধামাকা দেখা যায় এ দিন। স্টেডিয়ামের বাইরে বলকে বেশ কয়েক বার পাঠিয়ে ধোনি বুঝিয়ে দিলেন এই আইপিএলে তিনি জ্বলে উঠবেনই।

যদিও চেন্নাইয়ের আস্কিং রেট ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছিল। সেই রেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে দিতেই পরাজয় স্বীকার করে দেয় ধোনিবাহিনী।

Continue Reading

ক্রিকেট

‘বিরাট’ স্বস্তি! চার বছর পর আইপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতল বেঙ্গালুরু

অভিষেকে অর্ধশতরান করে বেঙ্গালুরুর নায়ক দেবদত্ত পাড়িক্কাল।

Published

on

বেঙ্গালুরু ১৬৩-৫ (পাড়িক্কাল ৫৩, ডেভিলিয়ার্স ৫১, বিজয় শঙ্কর ১-১৪)  

হায়দরাবাদ ১৫৩ (বেয়ারস্টো ৬১, পাণ্ডে ৩৪, চাহল ৩-১৮)

খবরঅনলাইন ডেস্ক: অবশেষে কি সাপমুক্তি হতে চলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। ইঙ্গিত কিন্তু তেমনই। শেষ যে বার বেঙ্গালুরু ফাইনালে উঠেছিল, সে বারই টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ জিতেছিল তারা। অর্থাৎ ২০১৬-এর পর আবার ২০২০-তে এসে আইপিএলের প্রথম ম্যাচ জিতল বিরাট কোহলির দল।

বেঙ্গালুরুর ব্যাটিংয়ের একটি নায়ক ছিলেন একজন। রঞ্জি ট্রফি, বিজয় হাজার ট্রফি, মুস্তাক আলি টি২০ ট্রফি, ভারতের তিনটে গুরুত্বপূর্ণ ঘরোয়া টুর্নামেন্টের অভিষেকেই অর্ধশতরান করেছিলেন তিনি। এ বার আইপিএলের অভিষেকেও সেই চমক দিলেন কর্নাটকের দেবদত্ত পাড়িক্কাল (Devdutt Padikkal)। পাড়িক্কালের ইনিংসে পর চিরাচরিত ঝড় দেখা গেল এবি ডেভিলিয়ার্সের ব্যাটে।

এ বার মরশুমের শুরু থেকেই পাড়িক্কালকে নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিল। নিলামে তাঁকে তুলে নিয়ে বেঙ্গালুরু দুরদনাত কাজ করেছে বলেও জানাচ্ছিলেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। সেই পাড়িক্কাল কিন্তু দেখিয়ে দিলেন তাঁর ওপরে বাজি ধরে কোনো ভুল বেঙ্গালুরু করেনি।

সোমবার টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বেঙ্গালুরুর নতুন ওপেনিং কম্বিনেশন এ দিন ব্যাট করতে আসে। অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গী হন পাড়িক্কাল। ম্যাচের প্রথম দশ ওভার শুধু পাড়িক্কালই শাসক করে গেলেন।

অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে ফিঞ্চ পাড়িক্কালের সামনে ম্রিয়মাণ হয়ে পড়েছিলেন। ১৩৩ স্ট্রাইক রেট রেখে ৪২ বলে ৫৬ রান করেন তিনি। তবে ইনিংসে ৮টা চার মারলেও একটাও ছয় মারেননি তিনি।

পাড়িক্কাল আর ফিঞ্চ আউট হয়ে যাওয়ার পর কার্যত একই সঙ্গে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি আর এবি ডেভিলিয়ার্স। একাদশ ওভার থেকেই রানের গতি স্লথ হয়ে যায় বেঙ্গালুরুর। এর পরেই ঝড় তোলেন ডেভিলিয়ার্স।

মোক্ষম সময়ে তাঁর ব্যাট থেকে দুর্ধর্ষ ৫০ রানের ইনিংসটা না বেরোলে বেঙ্গালুরু হয়তো ১৬০ রানের গণ্ডি পেরোতো না। তবে পাড়িক্কাল যে ঢঙে ব্যাট করছিলেন, তাতে অন্তত ১৮০ পর্যন্ত যাওয়া উচিত ছিল বেঙ্গালুরুর।

চিরাচরিত ভাবে বোলিংটাই বেঙ্গালুরুর কাছে সব থেকে বেশি চিন্তার জায়গা। দলে গতিসম্পন্ন বোলার থাকলেও রানের গতি আটকানোর ক্ষমতা তাদের কমই। ডেল স্টেইন এখন আর তাঁর সেরা চমক দিতে পারেন না। আর উমেশ যাদব তো লোপ্পা বল দিতে বেশ পারদর্শীই হয়ে গিয়েছেন।

এই দুই বোলারকে পেয়ে প্রথম কয়েক ওভারেই ঝড়ের মতো শুরু করে হায়দরাবাদ। তবে বেঙ্গালুরুর ভাগ্য ভালো ছিল যে দুর্ভাগ্যের রান আউটের শিকার হয়ে কিছুটা তাড়াতাড়িই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান ডেভিড ওয়ার্নার। যদিও ক্রিজের অপর প্রান্তে আগ্রাসী ঢঙ্গেই ব্যাট শুরু করেছিলেন জনি বেয়ারস্টো।

ষষ্ঠ ওভারের পর থেকে হায়দরাবাদের রানের গতিতে কিছুটা লাগাম পড়ে। এর নেপথ্যে মূলত তিন জন ছিলেন, পেসার নবদীপ সাইনি এবং দুই স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দর আর যজুবেন্দ্র চাহল। নবদীপ সাইনি ঘণ্টায় ১৪৬-১৪৭ কিলোমিটার বেগে যে ফল ফেলেছিলেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।

যখন হায়দরাবাদের পক্ষে পরিস্থিতি কিছুটা কষ্টকর হয়ে উঠছিল, তখনই দায়িত্ব নিয়ে সেই চাপ কমিয়ে দেন উমেশ। ১৪তম ওভারে ১৪রান দেন তিনি। লোপ্পা লোপ্পা বলে বেয়ারস্টোকে আরও সুবিধা করে দেন। পরিস্থিতি অনেকটাই সহজ হয়ে যায় হায়দরাবাদের জন্য। কিন্তু তখনও ছবিটা অনেকটাই বাকি ছিল।

১৬তম ওভারে বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে দেন চাহল। আর ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করে হায়দরাবাদ। পরের ১০ বলে আরও তিনটে উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। শেষ তিন ওভারে তাদের প্রয়োজনীয় রান গিয়ে দাঁড়ায় ২৯, হাত মাত্র চারটে উইকেট। ১৮তম ওভারে এ বার নায়ক হিসেবে উদয় হন নবদীপ সাইনি। পর পর ফিরিয়ে দেন ভুবনেশ্বর কুমার আর রশিদ খানকে।

খুব স্বস্তিদায়ক জায়গা থেকে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে হায়দরাবাদ ব্যাটিং। জয়ের টার্গেট থেকে ১০ রান আগেই থেমে যায় হায়দরাবাদ।

Continue Reading
Advertisement
bangladesh foreign minister
বাংলাদেশ9 mins ago

সৌদিতে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দিতে বাংলাদেশকে চাপ

ক্রিকেট18 mins ago

বুমরাহ-বোল্টের দাপটে বিধ্বস্ত কেকেআর, লজ্জার হার দিয়ে আইপিএল যাত্রা শুরু

দেশ2 hours ago

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক মজবুত গাঁথুনির উপরে দাঁড়িয়ে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

রাজ্য4 hours ago

দৈনিক সংক্রমণ, মৃতের সংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত, সার্বিক ভাবে আশাপ্রদ রাজ্যের করোনা-পরিস্থিতি

কলকাতা4 hours ago

কলকাতার সিংহভাগ অভিভাবক চাইছেন না এখনই স্কুল খুলুক: অনলাইন সমীক্ষা

Currency
রাজ্য5 hours ago

রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে ফের সময়সীমা বেঁধে দিল স্যাট

LPG
দেশ6 hours ago

বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার খুঁজছেন? মাত্র এক সপ্তাহ বাকি! প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় কী ভাবে পাবেন, জেনে নিন

দঃ ২৪ পরগনা6 hours ago

সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ রোপণে এ বার পরিবেশ-বান্ধব ‘জিও-জুট’ পদ্ধতি

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা4 days ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা1 week ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা2 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা2 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা2 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা4 weeks ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

কেনাকাটা1 month ago

শোওয়ার ঘরকে আরও আরামদায়ক করবে এই ৮টি সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : সারা দিনের কাজের পরে ঘুমের জায়গাটা পরিপাটি হলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। সুন্দর মনোরম পরিবেশে...

kitchen kitchen
কেনাকাটা1 month ago

রান্নাঘরের এই ৮টি জিনিস কাজ অনেক সহজ করে দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজকাল রান্নাঘরের প্রত্যেকটি কাজ সহজ করার জন্য অনেক উন্নত ব্যবস্থা এসে গিয়েছে। তা হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কষ্ট...

care care
কেনাকাটা1 month ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

নজরে