সকালের উচ্ছ্বাস, বদলে গেল চিন্তায়। ছবিঃ বিসিসিআই

অস্ট্রেলিয়া: ৩২৬ এবং ২৪৩ (খোয়াজা ৭২, ৩৭, শামি ৬-৫৬)

ভারত: ২৮৩ এবং ১১২-৫ (রাহানে ৩০, হনুমা ২৪ অপরাজিত, হ্যাজেলউড ২-২৪)

পার্‌থ: স্টেডিয়াম বদলে গেলেও, পার্‌থ মানে যে এখনও পেসারদের স্বর্গরাজ্য, সেটাই জানান দিলেন মহম্মদ শামি। একটা দুর্ধর্ষ স্পেলে আগুন ঝরালেন তিনি। ফিরিয়ে দিলেন একের পর এক অজি ব্যাটসম্যানকে। ভারতকে ম্যাচে তিনিই ফেরালেন। কিন্তু দিনের শেষে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় এই টেস্টটা হেরে যাওয়ার মুখেই ভারত।

যে পার্‌থের সঙ্গে জড়িয়ে থাকত ডেনিস লিলি, জেফ থমসনদের নাম, সেই পার্‌থেই নাম লিখিয়ে দিলেন শামি। তাঁর গতির সামনে পরাস্ত হলেন সেট হয়ে যাওয়া ব্যাটসম্যানরা। নিজের মাটিতেই ভারতের পেসারের দাপটে ভেঙে পড়ার সাক্ষী থাকল অস্ট্রেলিয়া।

এই ম্যাচেই এখন একটা সময় ছিল, তখন বেশ গেড়ে বসেছিল অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ দিন মধ্যাহ্নভোজন পর্যন্ত ছবিটা ছিল অন্য রকম। ভারতের থেকে বেশ আরামসে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। উসমান খোয়াজা এবং টিম পেইন সেট হয়ে গিয়েছেন। ঠিক এই মুহূর্তেই শুরু হল শামি-শো।

আরও পড়ুন নতুন নজির গড়লেন ঋষভ পন্থ

১৯২ থেকে ২০৭, এই ১৫ রানের মধ্যে ৫টা উইকেট হারাল অস্ট্রেলিয়া, যার মধ্যে চারটেই শামির। আগের দিনের দু’টো শিকার করেছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে ছ’জনকে ফেরালেন তিনি। তবে দশম উইকেটে হ্যাজেলউড এবং স্টার্কের মধ্যে ৩৬ রানের জুটি ভারতের যে ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠল সেটা রান তাড়া করতে নামার সময়েই বোঝা গেল।

২৮৭ রানের লক্ষ্যমাত্রাটা একটু বেশিই ছিল ভারতের কাছে। সেটা আরও বেশি হয়ে দেখা দিল, শুরুতেই রাহুল এবং পুজারাকে হারানোয়। তৃতীয় উইকেটে বিরাট এবং বিজয়ের মধ্যে কিছুটা জুটি তৈরি হলেও ওই দুই ব্যাটসম্যানও প্যাভিলিয়নের পথ দেখেন। ৫৫ রানের মধ্যেই চার উইকেট খুইয়ে ভারত কার্যত ধুঁকছিল। এর পরে হনুমা বিহারী এবং রাহানের মধ্যে ৪৩ রানের জুটি তৈরি হয়। কিন্তু ভারতের দুর্ভাগ্য সেট হয়ে যাওয়ার পরেই ফিরে যান রাহানে। ১০০ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট যায় ভারতের। পঞ্চম দিন, ভারতের আশা এবং ভরসা, সবই থাকবে হনুমা বিহারী এবং ঋষভ পন্থের ওপরে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here