ভারত: ২৫০ এবং ১৫১-৩ (রাহুল ৪৪, পুজারা ৪০ অপরাজিত, স্টার্ক ১-১৮)

অস্ট্রেলিয়া: ২৩৫ (হেড ৭২, হ্যান্ডস্‌কম্ব ৩৪, বুমরাহ ৩-৪৭)

অ্যাডেলেড: রাহুল আর বিজয়কে ফিরিয়ে দিয়ে ক্রমে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করছে অস্ট্রেলিয়া। পুজারা এবং বিরাট তখন বেশ নড়বড়ে। ন্যাথান লিয়ঁর ঘূর্ণি চাপে রাখছে দুই ব্যাটসম্যানকে। আর একটা কী দু’টো উইকেট মানেই ম্যাচে প্রবল ভাবে ফিরে আসবে অস্ট্রেলিয়া। ঠিক অবস্থাতেই ক্রিজে দাঁড়িয়ে গেলেন এই দুই ব্যাটসম্যান। দিনের শেষে বিরাটের উইকেটটা পড়লেও অবশ্য চূড়ান্ত স্বস্তিতে ভারত। টেস্ট জেতার ব্যাপারে এক পা এগিয়ে রাখল তারা।

বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে খেলা শুরু হওয়ার পরে ভারতের স্কোরের অনেক কাছাকাছি চলে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এর নেপথ্যে যতটা ট্র্যাভিস হেড ছিলেন, ঠিক ততটাই ছিলেন ন্যাথান লিয়ঁ। তাঁর ঝোড়ো ইনিংসের দৌলতে ভারতের স্কোরের থেকে মাত্র পনেরো রান দূরে শেষ করে অজিরা।

এই পরিস্থিতিতে অজি পেসারদের দাপট ভারতকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি বের করে দিতে পারত। কিন্তু সেটা হয়নি, কারণ বিজয় এবং রাহুল ক্রিজে দাঁড়িয়ে যাওয়ায়। ভারতের বাইরে এই প্রথম ৫০ রানের ওপেনিং জুটি তৈরি করলেন এই দুই ব্যাটসম্যান। যথেষ্ট আগ্রাসী ভঙ্গিতেই ব্যাট করে যাচ্ছিলেন রাহুল, অন্য দিকে সাবধানে চাল নিয়েছিলেন বিজয়। কিন্তু ৫০-এর পরেই তাল কেটে গেল দু’জনের। প্রথমে বিজয়কে প্যাভিলিয়নের পথ দেখার হ্যাজেলউড, তার পর রাহুলকে ফেরান স্টার্ক। হঠাৎ করে এই দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ভারত তখন চাপে।

সেই চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকল বিরাট আটকে যাওয়ায়। অ্যাডেলেডের মাঠ বিরাটের কাছে অত্যন্ত পয়মন্ত। চার ইনিংসে তিনটে শতরান রয়েছে তাঁর। কিন্তু এই টেস্টে প্রথম ইনিংসে যেমন তিনি রান পাননি, ঠিক তেমনই দ্বিতীয় ইনিংসেও আটকে যাওয়ায় চিন্তা বাড়ছিল। তবে ধীরে ধীরে নিজের ছন্দ ফিরে পান তিনি। অন্য দিকে দু’বার ডিআরএসের হাত ধরে রেহাই পাওয়ার পরে ক্রিজে জমে যান পুজারাও।

তবে ছন্দ ফিরে পেলেও ৩৪ রানের বেশি এগোতে পারেননি বিরাট। তবুও এটা বলতেই হয়, যে ধীরে ধীরে এই টেস্ট জিতে নেওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ভারত।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here