বাংলাদেশ: ১০৬ + ১৫২/৬ (মুশফিকুর ৫৯, ইশান্ত ৪-৩৯)

ভারত: ৩৪৭/৯ ডিক্লেয়ার (বিরাট ১৩৬, পুজারা ৫৫, রাহানে ৫১, হোসেন ৩-৮৫)

Loading videos...

ওয়েবডেস্ক: স্বপ্ন পূরণের দিনরাতের টেস্ট চলছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। কিন্তু ভারত-বাংলাদেশের এই প্রথম গোলাপি বলের টেস্ট ঘিরে দর্শক-ক্রিকেট সমর্থকদের মনে ছিল আরও একটা প্রার্থনা। টেস্ট যেন তিন দিনে শেষ না হয়! কিন্তু দু’দেশের সমর্থকদের সেই ন্যূনতম সাধারণ প্রার্থনা হয়তো পূরণ হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনাই রইল না।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ১০৬ রানে গুটিয়ে যায়। ভারতীয় পেসারদের সামনে ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানেরা। এমনকি আহত হয়ে দুই ব্যাটসম্যানকে হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে হয়। তবে ভারত ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিনেই তিন উইকেট হারিয়ে তুলে নেয় ১৭৪ রান।

দ্বিতীয় দিনে মোটামুটি বড়ো ইনিংস গড়ে টিম ইন্ডিয়া। ৩৪৭ রানে ডিক্লেয়ার করে দেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তার আগে অবশ্য নিজের ২৭ টেস্ট এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০তম সেঞ্চুরি ঝুলিতে ভরে নেন তিনি

virat kohli

২৪১ রানে পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। কিন্তু প্রথম দিনের পারফরমেন্সের পুনরাবৃত্তি ঘটে।

প্রথম ইনিংসে ভারতীয় পেসার ইশান্ত শর্মা শিকার করেছিলেন পাঁচটি উইকেট। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই দ্বিতীয় ইনিংসেও তাঁর দখলে যায় বাংলাদেশের প্রথম সারির চারটি উইকেট। ওপেনার সাদমান ইসলাম এবং অধিনায়ক মমিনুল হককে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠিয়ে দেন ইশান্ত। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাঁহাতি ওপেনার ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েসও জুড়ে যান ইশান্তের শিকার তালিকায়।

এ দিন ব্যাট করতে নেমে ভালোই খেলছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরায় তিনি অবসর নিতে বাধ্য হন। বাংলাদেশের ভরাডুবির সময়ে দুর্দান্ত ব্যাট করা মাহমুদউল্লাহকে হারিয়ে কিছুটা হতাশার সৃষ্টি হয়। তবে মুশফিকূর রহিম দুর্দান্ত অর্ধশতক গড়েন। মেহেদি হাসানের সঙ্গে তাঁর জুটি সবে জমতে শুরু করতেই ফের আঘাত হানেন ইশান্ত।

দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছয় উইকেটে ১৫২ রান। অর্থাৎ, তাদের সামনে এখনও ৮৯ রানের হার্ডলস। হাতে নামমাত্র উইকেট থাকায় সমর্থকরা শঙ্কায় রয়েছেন, তৃতীয় দিনে ফ্লাড লাইট জ্বলবে তো ইডেনে?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.