india vs england
জুটিতে লুটলেন বাটলার-ব্রড। ছবি: টুইটার (আইসিসি)

ইংল্যান্ড: ৩৩২ (বাটলার ৮৯, কুক ৭১, জাদেজা ৪-৭৯)

ভারত: ১৭০-৬ (বিরাট ৪৯, পুজারা ৩৭, অ্যান্ডারসন ২-২০)

লন্ডন: একটা রোগের থেকে মুক্ত হওয়ার তো কোনো লক্ষণই পাওয়া গেল না, উলটে দেখা দিল আরও একটা রোগ। এই দুই রোগের ফলে এই টেস্টের পূর্বাভাসও দেওয়া যাচ্ছে। খুব সাঙ্ঘাতিক কিছু অঘটন না ঘটে গেলে ৪-১-এ সিরিজ হেরেই ভারতে ফিরতে হবে বিরাটবাহিনীকে।

প্রথম অনুচ্ছেদে উল্লিখিত দুই রোগের প্রথমটি হচ্ছে ভারতীয় দলের ব্যাটিং এবং দ্বিতীয়টি বোলিং। ব্যাটিং রোগ যে এই সফরে সারার নয়, সেটা তো বোঝাই গিয়েছে। ভালো শুরু করেও ইংল্যান্ডের বোলারদের উইকেট দিয়ে এল ভারত। শুরুটা ঠিক ভালো বলা চলে না, কিন্তু এই সিরিজের তুলনায় সেটা ভালোই। কারণ চা বিরতিতে মাত্র এক উইকেট খুইয়ে পঞ্চাশ পেরিয়ে গিয়েছিল ভারত। ধাওয়ান ইনিংসের শুরুতে খাতা না খুলে আঊট হলেও ক্রিজে জমে গিয়েছিলেন রাহুল এবং পুজারা।

চা বিরতির পরেই উইকেট গেল রাহুলের। এ দিন শুরু থেকেই বেশ স্বচ্ছন্দে ছিলেন রাহুল। কিন্তু তাঁর ব্যাট এবং প্যাডের মধ্যে ফাঁক দিয়ে সোজা উইকেটে গিয়ে লাগে স্যাম কুর‍্যানের একটি বল। এর পরেই বিরাটের সঙ্গে পুজারার একটি জুটি তৈরি হলেও একশো পেরোনোর পরেই পর পর ফিরে যান পুজারা এবং রাহানে। এই সিরিজে বিরাট ছাড়া শুধুমাত্র পুজারা এবং রাহানে রান পেয়েছেন। তাই এই দুই ব্যাটসম্যানের আউট হয়ে যাওয়া ফের গভীর সমস্যায় ফেলে দেয় ভারতকে।

যথেষ্ট চাপ নিয়ে অভিষেক ম্যাচে ব্যাট করতে নামেন হনুমা বিহারী। প্রথম বেশ চাপে ছিলেন তিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে ক্রিজে থিতু হতে থাকেন। যখন মনে হচ্ছিল বিহারী এবং বিরাট মিলে দলকে চাপমুক্ত করবেন ঠিক তখন আউট হয়ে যান বিরাট। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে যান ঋষভ পন্থ।

তবুও দিনের শেষে ভারতের স্কোরটা এতটা খারাপ লাগত না যদি না ভারতের বোলিং এ দিন এ ভাবে ব্যর্থ হত। প্রথম দিন একটা সময়ে ইংল্যান্ড ছিল সাত উইকেটে ১৮১। সেখান থেকে তাদের স্কোর গিয়ে থামল ৩৩২-এ। নবম উইকেটে ৯৮ রানের ঐতিহাসিক জুটি তৈরি করলেন বাটলার এবং ব্রড।

গত কয়েক দিন ধরেই চর্চা হচ্ছে সম্ভবত এটাই ভারতের সর্বকালের সেরা পেস আক্রমণ। ব্যাপারটা খুব ভুল কিছু নয়, কিন্তু যে ভাবে তিন পেসারকে ঠেঙিয়ে বাটলার এবং ব্রড রান করে গেলেন সেটা ভাবার বিষয়। ইংল্যান্ড ২২০-এর মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যে ভাবে বোলাররা তাদের সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি করতে দিলেন, সেটা ক্ষমাহীন অপরাধ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন