স্মিথের সেঞ্চুরি কাজে এল না, রোহিত-কোহলির ব্যাটে সিরিজ ভারতের

0
সিরিজ চ্যাম্পিয়ন ভারত। ছবি সৌজন্যে বিসিসিআই টুইটার।

অস্ট্রেলিয়া: ২৮৬-৯ (স্টিভ স্মিথ ১৩১, লাবুশেন ৫৪, শামি ৪-৬৩, জাডেজা ২-৪২)

ভারত: ২৮৯-৩ (রোহিত শর্মা ১১৯, কোহলি ৮৯, আগর ১-৩৮)

ওয়েবডেস্ক: সিরিজ শুরুর ইঙ্গিতটা খুবই খারাপ করেছিল। প্রথম ম্যাচের ফলাফল দেখে মনে হয়েছিল নতুন উদ্দীপনায় উদ্দীপ্ত অস্ট্রেলিয়া দুরমুশ করে দেবে ভারতকে। কিন্তু না, শেষরক্ষা করতে পারল না তারা। পর পর দু’ ম্যাচে হেরে গিয়ে একদিনের সিরিজ ভারতের হাতে তুলে দিল অ্যারন ফিঞ্চের বাহিনী। ভারতও প্রমাণ করল সব ভালো যার শেষ ভালো তার।

বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ১৫ বল বাকি থাকতেই মাত্র তিন উইকেট খুইয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নিল তারা।

টসে জিতে ব্যাট নেয় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু শুরুটা তাদের ভালো হয়নি। ৪৬ রানের মধ্যে দু’টো উইকেট হারায় তারা। এই সিরিজে প্রথম ম্যাচের দুই তারকা ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার ও অধিনায়ক ফিঞ্চ বিদায় নেয়। দুটি উইকেট তুলে নেওয়ার দেড়খানি কৃতিত্ব মহম্মদ শামির। শামির বলে ওয়ার্নার ক্যাচ তুলে দেন উইকেটকিপার কে এল রাহুলের হাতে। আর ফিঞ্চ যে বলে রান আউট হন, সেটা ছিলও শামির বল। শুধু তা-ই নয়, জাডেজা আর আয়ারের হাত ঘুরে বল এসেছিল শামিরই হাতে। শামি সেই বল স্টাম্পে লাগাতে কোনো ভুলচুক করেনি।

এর পরই খেলা ধরে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এর পুরো কৃতিত্ব স্টিভ স্মিথ আর লাবুশেনের। এঁদের জুটি কিন্তু ভারতকে বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ৩২তম ওভারে লাবুশেন আর মিশেল স্টার্ক বিদায় নিতে কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে ভারত। তার পর আলেক্স কেরিকে সঙ্গী করে স্মিথ উইকেট পতন রোধ করার কিছুটা চেষ্টা করেন। কিন্তু পর পর আউট হয়ে যান কেরি ও টার্নার।

আরও পড়ুন: বছরের প্রথম ডার্বিতে সবুজ-মেরুন ঝড়

তবু স্মিথ যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন ততক্ষণ মনে হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া ৩০০-এর গণ্ডি পেরিয়ে যাবে। কিন্তু মোক্ষম সময়ে আঘাত হানেন শামি। আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভেলিয়নের পথে পা বাড়ান স্মিথ। কিন্তু ততক্ষণে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত কৃতিত্ব স্থাপন করে গিয়েছে। করেছেন সেঞ্চুরি। স্মিথ আউট হতেই পর পর উইকেট পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার। ২৮৬ রানে শেষ হয়ে যায় তাদের ইনিংস। শামি ৪টি উইকেট নেন।

ভারতকে এই রান তাড়া করতে কখনোই খুব বেগ পেতে হয়নি। শুরুটাও মন্দ হয়নি রাহুল-রোহিতের জুটির। রোহিতকে দেখে মনে হচ্ছিল প্রথম দু’টো ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে যেতে তিনি বদ্ধপরিকর। ভারতের প্রথম উইকেট পড়ে ৬৯ রানে। ১৯ রান করে আগরের বলে এলবিডব্লিউ আউট হন তিনি।

এর পর রোহিত-কোহলি জুটি স্বচ্ছন্দে খেলে যেতে থাকে। রোহিত একদিনের ম্যাচে তাঁর ২৯তম শতরানটি সম্পূর্ণ করেন। ও দিকে কোহলিও তাঁর আরও একটি শতরানের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। দলের ২০৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ে। রোহিতকে তুলে নেন জাম্পা। স্টার্ককে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন রোহিত।

শ্রেয়স আয়ার যোগ্য সঙ্গত করতে থাকেন কোহলিকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য কোহলির। আরেকটি শত রান ছেড়ে আসেন মাঠে। দলের রান তখন ২৭৬। নিজের ৮৯ রানের মাথায় হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হন কোহলি। জয় অবশ্য তখন ভারতের মুঠোয় বলা যায়। মনীশ পাণ্ডেকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় দলকে সহজেই পৌঁছে দেন আয়ার।              

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.