লালে এই হলে গোলাপিতে কী হবে! পেসাতঙ্কে ভুগছে বাংলাদেশ

0

বাংলাদেশ ১৫০ ও ২১৩ (মুশফিকুর ৬৪, মেহেদি ৩৮, শামি ৪-৩১)

ভারত ৪৯৩-৬ ডিঃ

ইনদওর: ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোলাপি বল না কি অনেক বেশি সুইং করে। ফলে দিনরাতের টেস্টে পেসারদের অনেক বেশি দাপট দেখানোর কথা। তাই ইনদওরেই যদি বাংলাদেশকে এই ভাবে ভারতীয় পেসাররা গুঁড়িয়ে দেন, তা হলে বৃহস্পতিবার থেকে ইডেনে কী হবে, সেটা ভাবলে আরও আতঙ্কিত হতেই পারেন বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা।

দ্বিতীয় দিন শেষ বিকেলে উমেশ যাদবের ব্যাটিং তাণ্ডব দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, ভারত আর ব্যাট করবে না। সেটাই হল। তৃতীয় দিনের শুরুতেই ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে পাঠাল তারা। আর আরও একবার ভারতীয় পেসারদের দখলে চলে গেল ইনদওরের স্টেডিয়াম।

বাংলাদেশের টপ অর্ডারে প্রাথমিক ধাক্কাটা দিয়েছিলেন উমেশ যাদব এবং ইশান্ত শর্মা। কিন্তু তার পর আবার জ্বলে উঠলেন শামি। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও পিচে আগুন ছোটাতে শুরু করেন তিনি।

প্রথম স্পেলেই দুটো উইকেট নিয়ে কাঁপিয়ে দেন পদ্মাপারের দলকে। কিন্তু কার্যত সব বলেই মনে হচ্ছিল উইকেট পাচ্ছেন তিনি। একটা সময়ে মুশফিকুরের একটা লোপ্পা ক্যাচ স্লিপের হাত ফস্কায়।

যদিও মধ্যাহ্নভোজনের পর আবার তাণ্ডব শুরু শামির। ফিরিয়ে দেন মেহমুদুল্লাহকে। তারপর অবশ্য কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে যুটি বেঁধে প্রথমে লিটন দাস এবং পরে মেহদি হাসান, কিছুটা সম্মানজনক স্কোরের কাছাকাছি পৌঁছে দেন বাংলাদেশকে।

কিন্তু যা ভবিতব্য ছিল, সেটাই হল। অর্থাৎ, ভারতের সামনে অসহায় ভাবেই শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের ব্যাটিং। শাকিবের অভাব খুব ভালোভাবেই বাংলাদেশ টের পেল।

আরও পড়ুন তারকা দুই ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিল কেকেআর

বর্তমান পেস আক্রমণ ভারতের সেরা কি না, সেই নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই চর্চা হচ্ছে। কিন্তু এটা মানতেই হবে যে সাউথ আফ্রিকা সিরিজ থেকে ঘরের মাঠেই যে ভাবে শামি-উমেশ-ইশান্তরা দাপট দেখিয়ে চলেছেন, ভারতের পেস ভবিষ্যৎ যে যথেষ্ট উজ্জ্বল তা বলাই বাহুল্য।

তিন দিনেই টেস্ট শেষ হওয়ার ফলে বাড়তি দুটো দিন হাতে পেয়ে গেল ভারত। অর্থাৎ গোলাপি বলে মহড়ার আরও বেশি সুযোগ হাতে এসে গেল।

এবার সবার নজর কলকাতার দিকে, যেদিন ইতিহাসে ঢুকে পড়তে চলেছে ভারতীয় দল এবং ইডেন গার্ডেনস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.