ব্যাটে-বলে শ্রীলঙ্কাকে পরাস্থ করে প্রথম টি-২০ জয় ভারতের

0

শ্রীলঙ্কা ১৪২-৯ (পেরেরা ৩৪, ফার্নান্ডো ২২, শার্দূল ৩-২৩)

ভারত ১৪৪-৩ (রাহুল ৪৫, আইয়ার ৩৪, ধনঞ্জয় ২-৩০)

Loading videos...

ইনদওর: ব্যাট এবং বল, উভয় বিভাগেই শ্রীলঙ্কাকে পরাস্থ করে প্রথম টি-২০তে সহজেই জিতে গেল ভারত। সিরিজে তারা এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।

বুমরাহর জন্য তৈরি মঞ্চে এ দিন নজর কাড়লেন শার্দূল ঠাকুর। মূলত তাঁর দাপটেই ব্রেক লেগে গেল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ে। দুরন্ত শুরু করেও দেড়শোর আগেই থেমে গেল তারা।

এ দিন টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বিরাট। ঝড়ের গতিতে ব্যাটিং শুরু করে তারা। ধনুষ্কা গুণতিলক আর অবিষ্কা ফার্নান্ডো শ্রীলঙ্কার হয়ে দুর্দান্ত শুরু করেন। কিন্তু পঞ্চম ওভারে প্রথম ধাক্কা খাওয়ার পরেই রানের গতিতে লাগাম লেগে যায় শ্রীলঙ্কার।

একদিকে শুধুমাত্র কুশল পেরেরা দাপটের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো সঙ্গী পাননি। যতক্ষণ পেরেরা ছিলেন, শ্রীলঙ্কারও রানের গতি মোটামুটি ভালোই ছিল, কিন্তু তিনি আউট হতেই আবার ধাক্কা খেল দ্বীপরাষ্ট্রের এই দলটি। এর পর খুড়িয়ে খুড়িয়ে কোনো রকম ভাবে ১৪২ পর্যন্ত পৌঁছয় তারা।

এ দিন সবার নজর ছিল জসপ্রীত বুমরাহর ওপরে। চোট কাটিয়ে তিনি কেমন প্রত্যাবর্তন করেন, সেই দিকেই নজর ছিল সবার। কিন্তু বেশি প্রভাব বুমরাহ বেশি ফেলতে পারেননি। চার ওভারে আট রান করে খরচা করে একটি উইকেট নেন তিনি।

তবে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেন শার্দূল ঠাকুর। চার ওভারে তিনজনকে প্যাভিলিয়নের মুখ দেখার তিনি।

শ্রীলঙ্কার মতো দুর্বল দলের বিরুদ্ধে এই রান তাড়া করে জেতা ভারতের কাছে খুব একটা চাপের কিছু ছিল না। কিন্তু ভারতীয় ব্যাটিং বিভাগে এ দিন নজর ছিল শিখর ধাওয়ানের ওপরেও। রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে রাহুল আর ধাওয়ান দু’জনের কাছেই বড়ো সুযোগ ছিল। এমনিতে গত কয়েকটি পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে রাহুল অনেকটাই নিরাপদে রয়েছেন। ফলে ধাওয়ানের কাছে অনেক কিছু প্রমাণ করার ছিল।

ধাওয়ান কিন্তু এ দিন শুরু থেকে বেশ চাপে ছিলেন সেটা তাঁর ব্যাটিং দেখেই বোঝা গিয়েছে। একদিকে রাহুল যখন শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলেছেন, তখন অনেকটাই ম্রিয়মাণ ছিলেন ধাওয়ান। ২৯ বলে কষ্টার্জিত ৩২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।

অন্যদিকে রাহুলও সেট হয়ে গিয়ে আরও একটি অর্ধশতরান মাঠে ফেলে আসেন তিনি। তবে শ্রেয়স আইয়ার এবং বিরাট কোহলির ভারতকে কোনো বিপদে ফেলতে দেননি।

মাঝে একটুর জন্য ভারতের রানরেট কমে গিয়েছিল। শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের দরকার ছিল ৩৯। সেখান থেকে ঝড় তোলেন শ্রেয়স এবং বিরাট। তবে শেষ দিকে শ্রেয়স আউট হলেও দুইয়ের বেশি বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় ভারত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.