india wins under 19 world cup

অস্ট্রেলিয়া ২১৬ (মেরলো ৭৬, উপ্পল ৩৪, ঈশান ২-৩০)

ভারত ২২০-২ (মনজত অপরাজিত ১০১, হার্বিক অপরাজিত ৪৭, সাথারল্যান্ড ১-৩০)

মাউন্ট মাউনাঙ্গুই: দু’বছর আগে কাছাকাছি পৌঁছেও শেষ করা হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ফাইনাল হেরে গিয়েছিল সে বারের ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দল। হতাশা গ্রাস করেছিল দ্রাবিড়কে। ট্রফি অধরা থাকার সেই আক্ষেপ এ বার সুদে আসলে তুলে নিল পৃথ্বী শ-রা। অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে চতুর্থ বার বিশ্বকাপ ঘরে তুলল ভারত।

২০০০-এ মহম্মদ কঈফের ভারত জিতেছিল, ২০০৮-এ জিতেছিল বিরাট কোহলির ভারত, ২০১২-এ জিতেছিল উন্মুক্তচাঁদের ভারত, কিন্তু এ বার যতই ভারতের নেতৃত্বে পৃথ্বী শ থাকুন, জিতেছেন কিন্তু রাহুল দ্রাবিড়। তিনিই যে ভারতের ছোটো দলের হত্তাকর্তাবিধাতা। সেই সঙ্গে এত দিন ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর অবশেষে বিশ্বকাপের ট্রফির স্বাদ পেলেন দ্রাবিড়।

শনিবার অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকেন ভারতীয় বোলাররা, যদিও টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অজিরা। দলীয় স্কোর ৩২ এবং ৫২ রানে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন বাংলার ঈশান। ৬০ রানের আগেই তৃতীয় উইকেট পড়ে যায় তাদের। এর পর দু’টি বড়ো রানের জুটি তৈরি করে অস্ট্রেলিয়া। এই জুটির নেপথ্যে ছিলেন জোনাথান মেরলো।

মেরলোর ৭৬ রানের ইনিংসে ভর করে নিজেদের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যায় স্টিভ স্মিথদের ছোটোরা। যখন মনে হচ্ছিল আড়াইশো খুব স্বচ্ছন্দেই পেরিয়ে যাবে অস্ট্রেলিয়া, তখনই ফের আঘাত হানেন ভারতীয় বোলাররা। অনুকূল, শিবা সিংহ, মাভি এবং নাগরকোটি এই ছ’উইকেটি নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র এক বার ভারত চাপে পড়েছিল, যখন বৃষ্টিতে সাময়িক ভাবে খেলা বন্ধ করতে হয়েছিল। তা ছাড়া ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা চরম দাপট দেখিয়ে যান অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপরে। তবে এ দিন আর শুবমন নন, আসরে নামেন মনজত কালরা। প্রথম উইকেটে পৃথ্বীর সঙ্গে দুরন্ত জুটি দিয়ে শুরু করেন তিনি। তাঁর দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ত্রাহিত্রাহি অবস্থা হয়। মনজতকে ঘিরেই উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যান পৃথ্বী, শুবমন এবং হার্বিক দেশাই।

এই বিশ্বকাপে ভারতের কোনো এক বা দু’জন প্লেয়ার নয়, অবদান রেখে গেলেন দলের এগারোজনই। যখন প্রয়োজন পড়েছে গতি ছুটিয়েছেন ঈশান, নাগরকোটি, মাভিরা। তেমনই ব্যাটে আগুন ছুটিয়েছেন শুবমন, পৃথ্বী, মনজতরা। কিন্তু যাঁর অবদান সব থেকে বেশি তিনি একজনই, রাহুল শরদ দ্রাবিড়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন