ভারত ৫৩৬-৭ ডিঃ এবং ২৪৬-৫ ডিঃ (ধাওয়ান ৬৪, বিরাট ৫০, ডি সিলভা ১-৩১)

শ্রীলঙ্কা ৩৭৩ (চণ্ডীমল ১৬৪, অশ্বিন ৩-৯০) এবং ৩১-৩ (করুণারত্নে ১৩, জেদজা ২-৫)

নয়াদিল্লি: দূষণের দিল্লিতে নিজেদের ব্যাটিংকে দূষণমুক্ত করতে পারল না শ্রীলঙ্কা। পড়ন্ত বিকেলে জাদেজার দুরন্ত ঘূর্ণির পাকে বনবন করে ঘুরে গেল শ্রীলঙ্কা। আবহাওয়া সহায় হলে, ভারতের পক্ষে ২-০ যে হচ্ছেই তা এখনই বলে দেওয়া যায়।

মঙ্গলবার আগের দিনের স্কোরের থেকে আর ১৭ রান যোগ করে শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ১৭টা রানই করেন অধিনায়ক চণ্ডীমল। তাঁর টেস্ট কেরিয়ারের সেরা স্কোর। প্রথম ইনিংসে ১৬৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নামে ভারত।

রানের মধ্যে না থাকা অজিঙ্ক রাহানেকে রানে ফেরানোর জন্য একটা ফাটকা খেলে টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁকে নামানো হয় বিজয় আউট হওয়ার পরেই, তিন নম্বরে। কিন্তু এখানেও ফর্মে ফেরার কোনো ইঙ্গিতই দিতে পারেননি তিনি। কোনো রকমে দশটা রান করে ফিরে যান তিনি। এর মধ্যে অবশ্য দু’বার এলবিডব্লিউ হওয়া থেকে বাঁচেন তিনি। রাহানে যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন রান রেট ছিল বেশ কম। কিন্তু তিনি আউট হওয়ার পরে গতি বাড়ে ভারতের ইনিংসে। সৌজন্য চেতেশ্বর পুজারা।

এক কালে যাঁকে স্ট্রাইক রেটের জন্য সমালোচিত হতে হয়েছে, সেই পুজারা এই ইনিংসে রান করেছেন ধাওয়ানের থেকেও দ্রুত। তবে এক রানের জন্য অর্ধশতরান ফসকান তিনি। তবে পুজারা ৫০ মিস করলেও, ধাওয়ান, বিরাট এবং রোহিত প্রত্যেকেই অর্ধশতরান করেছেন।

বিরাট আর ধাওয়ান তো ফর্মের মধ্যে আছেনই। রোহিতের ফর্মও ভারতকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে যথেষ্ট স্বস্তিতে রাখবে। টেস্ট প্রত্যাবর্তনের পর থেকে তিনটে ইনিংসে একটি শতরান এবং দু’টি অর্ধশতরান করলেন রোহিত। দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঁচ বোলার খেলাতে হলে রাহানের বদলে রোহিতকে দেখতে পারে ভারত।

ভারতের দেওয়া ৪১০ রানের লক্ষ্যমাত্রা শ্রীলঙ্কা তাড়া করে জিতে যাবে, এটা কেউ ভাবতেও পারে না। দেখার ছিল ম্যাচ বাঁচানোর ক্ষমতা শ্রীলঙ্কার আছে কি না। শ্রীলঙ্কার সেই আশায় প্রথমেই জল ঢেলে দেন শামি, দুর্ধর্ষ বাউন্সারে সমরবিক্রমকে ফিরিয়ে। দিনের শেষ ওভারেই আসরে নামেন জাদেজা। প্রথম বলে করুণারত্নে এবং চতুর্থ বলে লাকমলকে ফিরিয়ে ভারতের পালে বাড়তি হাওয়া জুগিয়ে দেন তিনি।

পঞ্চম দিন শ্রীলঙ্কাকে শেষ করার জন্য ভারত কত ওভার খরচ করে সেটাই দেখার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here