পঞ্জাব ১৩৭ (রাজাপক্ষে ৩১, রাবাদা ২৫, উমেশ ৪-২৩)

কলকাতা ১৪১-৪ (রাসেল ৭০ অপরাজিত, শ্রেয়স ২৬, রাহুল ২-১৩)

মুম্বই: বল হাতে ভয়ংকর হয়ে উঠলেন উমেশ যাদব। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন আন্দ্রে রাসেল। ফলে, পঞ্জাবকে সহজেই হারিয়ে ফের জয়ের সরণীতে ফিরল কলকাতা নাইটরাইডার্স।

শুক্রবার, টস জিতে প্রথম বল করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কিছুটা এগিয়ে ছিল কলকাতা। প্রথম ওভারেই ময়ঙ্ক অগ্রবালকে ফিরিয়ে দিয়ে কলকাতাকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন উমেশ যাদব। ইনিংস শেষে উমেশের ঝুলিতে চার উইকেট। দিয়েছেন মাত্র ২৩ রান।

বলে ভয়ংকর হয়ে ওঠার ফলেই বর্তমানে বেগুনী টুপিরও মালিক হয়ে গেলেন উমেশ। তবে শুধু উমেশই নয়, এ দিন কলকাতার বাকি বোলাররাও দাপট দেখিয়েছেন যথেষ্ট। শুক্রবারের ম্যাচে টিম সাউদি নিয়েছেন দু’টি উইকেট। সেই সঙ্গে তিনটি ক্যাচ নেন তিনি। বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে কঠিন একটি ক্যাচ নেন কিউই পেসার।

যদিও পঞ্জাবের হয়ে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন ভানুকা রাজাপক্ষে। প্রথম দিকে তো তিনি একার হাতেই কেকেআরের থেকে ম্যাচ বার করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আউট না হলে এ দিন কেকেআরের কপালে মারাত্মক দুঃখ থাকত। অন্যদিকে, শেষ দিকে নেমে চালিয়ে খেলেন কাগিসো রাবাদাও। এর পরেও অবশ্য ১৩৭ রানেই আটকে যায় কলকাতা।

সেই রান তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন অজিঙ্ক রাহানে। ১১ বলে ১২ রান করেন তিনি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন শ্রেয়স আয়ার। ১৫ বলে ২৬ রান করেন তিনি। ঝোড়ো ইনিংস খেলে পাওয়ার প্লে-তে দলকে পিছিয়ে পড়তে দেননি কলকাতার অধিনায়ক। রাহানের উইকেট হারানোর প্রভাবটাও পড়তে দেননি তিনি।

তবে এর পরেই ম্যাচে ফিরে আসে পঞ্জাব। পর পর উইকেট তুলতে থাকে তারা। কম ব্যবধানের মধ্যেই বেঙ্কটেশ আইয়ার, শ্রেয়স আইয়ার এবং নিতিশ রানা ফিরে যান। ফলে একটা সময় চার উইকেটে ৫২ রানে থমকে গিয়েছিল কলকাতা।

এর পরেই অবশ্য রাসেল ঝড় আছড়ে পড়ে মুম্বইয়ে। শুরুর দিকে সামান্য জড়তা ছিল তাঁর। সে কারিনে ৮ বলে চার রানে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই অবশ্য একদম পুরোনো রাসেল। একের পর এক চার ছক্কা হাঁকিয়ে একার হাতেই কেকেআরের হয়ে ম্যাচ বার করে নেন তিনি। উলটো দিকে স্যাম বিলিংসকে সঙ্গে নিয়ে ৭০ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে যান দ্রে রাস।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন