কলকাতা: ১৬৪/৬ (কার্তিক ৫৮, শুভমন ৫৭, অর্শদীপ ১-২৫)

পঞ্জাব: ১৬২/৫ (রাহুল ৭৪, মায়াঙ্ক ৫৬, প্রসিধ কৃষ্ণা ৩-২৯)

Loading videos...

খবর অনলাইন ডেস্ক: শনিবার আবুধাবিতে মুখোমুখি হল কলকাতা নাইট রাইডার্স ও কিংস ইলেভন পঞ্জাব। টসে জিতে প্রথমে ব্য়াট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে নাইটরা তুলে নেয় ১৬৪ রান। শেষমেশ কার্যত হারা ম্যাচ জিতে গেল নাইট রাইডার্স।

টানা ব্যর্থতার পর এ দিন ব্য়াটে রান পেলেন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। মাত্র ২৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি। অর্ধশতক পার হন শুভমন গিল। বাকিদের রানের বহর বলার মতো নয়।

আসলে শুরুটা বাগে আনতে পারেননি নাইটরা। ১০ বলে একটা বাউন্ডারি হাঁকিয়েই প্যাভিলিয়ান ছাড়েন ওপেনার রাহুল ত্রিপাঠী। নীতীশ রানাও মাত্র চারটে বল খেলে ২ রান করেই খুব তাড়াতাড়ি ফিরে যান। এর পরে ইওন মরগ্যান (২৪) এবং শুভমন জুটি কিছুটা হলেও হাল ফেরাতে সক্ষম হন।

অর্থাৎ, কলকাতা যে ভাবে শুরু করেছিল, ইনিংস শেষ দেখা যায়, তার থেকে অনেকটাই ভালো অবস্থানে পৌঁচান নাইটরা। সৌজন্য দীনেশ কার্তিক (৫৮) এবং শুভমন গিল (৫৭)। কিন্তু তথাকথিত অসাধারাণ ইনিংস এ দিন কারও কাছ থেকেই মেলেনি।

পর্যবেক্ষকরা ম্যাচের শুরুতেই বলেছিলেন, পিচের পরিস্থিতি অনুযায়ী, খুব বড়োজোর ১৫০ থেকে ১৬০ রান উঠতে পারে প্রথম ইনিংসে। এ দিনের পিচের প্রকৃত কিছুটা আলাদা। অন্য দিনের মতো সবুজের আভা অনুপস্থিত। প্রথম ইনিংস শেষে দেখা গেল, রান কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১৬৬। তবে শেষ ওভারে নাইটরা মাত্র ৯ রানেই সন্তুষ্ঠু হন।

ব্যাট করতে নামে জাঁকিয়ে বসেছিলেন পঞ্জাবের দুই ওপেনার কেএল রাহুল (৭৪) এবং মায়াঙ্ক আগরওয়াল (৫৬)। ওপেনার জুটির ১১৫ রানের মাথায় লেগ-সাইডের ছোটো বাউন্ডারির দিকে চার মারতে গিয়ে ডিপ মিড-উইকেটে শুভমন গিলের হাতে ধরা দেন তিনি। সেটাই কলকাতার প্রথম ইউকেট। তার পর সাময়িক জমিয়ে দেন রাহুল-নিকোলাস জুটি। কিন্তু ১৬ রান করে নিকোলাসের ফিরে যাওয়ার পর টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

১৪ রানের মধ্যেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায় কিং-রা। অবশেষে নাটকীয় ভাবে ১৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কলকাতাকেই ম্য়াচ সঁপে দেয় পঞ্জাব।

১৯.৫ ওভারে উইকেট নেন সুনীল নারিন। তখন পঞ্জাবের জেতার জন্য দরকার সাত রান। সহজে হয়?

আরও পড়ুন: পঞ্জাবকে ধ্বংস করল ওয়ার্নার-বেয়ারস্টো জুটি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.