Connect with us

আইপিএল

আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই মাইলস্টোন ছোঁয়ার লক্ষ্যে নামবেন কোহলি ও রায়না

vksr

ওয়েবডেস্ক: শনিবার আইপিএলের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ধোনি ও কোহলি। অর্থাৎ বেঙ্গালুরু বনাম চেন্নাই। তবে ধোনি বনাম কোহলির চেয়েও অন্য এক কারণে রীতিমতো উত্তেজক হতে চলেছে এই মেগা ম্যাচ।

কারণ বিরাট কোহলি বনাম সুরেশ রায়না। ব্যাপারটা হয়তো বুঝতে পারছেন না। আসলে এই দুই ব্যাটসম্যান এখনও পর্যন্ত আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দুই রানাধিকারী।

আইপিএলে ১৭২ ইনিংসে ৪৯৮৫ রান রয়েছে রায়নার। গড় ৩৪.৩৭। ৩৫টি অর্ধশতক ও একটি শতক।

কোহলি ১৫৫ ইনিংসে ৪৯৪৮ রান। গড় ৩৮.৩৫। চারটি শতরান ও ৩৪টি অর্ধশতক।

ফলে দু’জনের কাছেই সুযোগ রয়েছে আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে ৫০০০ রান পূর্ণ করার।

রায়নার দরকার ১৫ রান। কোহলির দরকার ৫২ রান। সেই দিক দিয়ে কিছুটা এগিয়ে রায়না। তবে ফর্মের বিচারে অনেকটাই এগিয়ে কোহলি। ফলে ম্যাচে টস যে বড়ো ভূমিকা পালন করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার শেষমেশ কী হয়।

আইপিএল

আইপিএল থেকে বিশ্বকাপ, ক্লান্তি কতটা চাপে ফেলবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের?

ict

ওয়েবডেস্ক: চলতি মাসেই শেষ হয়েছে দ্বাদশ আইপিএল। আর এই মাসের ৩০ তারিখ থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপের আসর। ইংল্যান্ডে হতে চলেছে বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টে অন্যতম ফেভারিট দল ভারত। তবে এই বিশ্বকাপে কি ক্লান্তি বড়ো ফাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে ভারতীয় দলের কাছে?

অতীতেও এমন ক্লান্তির সাক্ষী থেকেছিল ভারত। তবে সেই সময়য টি২০ ফরম্যাট ছিল না। ১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাঁচটি টেস্ট এবং ত্রিদেশীয় এক দিনের সিরিজ খেলেছিল ভারত। তৎকালীন একজন ভারতীয় দলের ক্রিকেটার জানিয়েছিলেন, “আমাদের মধ্যে কয়েক জন কিছু দিনের জন্য ব্যাট ধরতে চাই না”।

আরও পড়ুন: এই তরুণ ফুটবলারকে দলে আনতে বদ্ধপরিকর ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেড

অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে এমনটা হতে পারে। কারণ লাগাতার দেড় মাস ধরে টি২০ খেলা দেশ জুড়ে। টি২০-র সঙ্গে ৫০ ওভারের ম্যাচের বিস্তর ফারাক। টি২০ লিগ বেশ রাত পর্যন্ত চলেছে। ফলে ক্রিকেটাররা রাতে খুব একটা ঘুমাতে পারেননি। ফলে দেখা গিয়েছে বিমানবন্দের কিছুক্ষণের জন্য ঘুমিয়ে পড়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো খেলোয়াড়ও।

এমন ধকলের জেরে টুর্নামেন্টে সেরাটা না দেওয়া অতীতে দেখা গিয়েছে। ২০০৯ আইপিএল হওয়ার পর টি২০ বিশ্বকাপ ছিল। ক্লান্তির জেরে সেই টুর্নামেন্টের সুপার এইট স্টেজ থেকেই ছিটকে যায় ভারত। তবে আইপিএল খেলে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভালো ফল করেছে ভারত এমন উদাহরণও আছে। যেমন ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন এবং ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালেও উঠেছিল ভারত।

যদিও বিসিসিআই জানিয়েছিল, তারা আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজিদের সঙ্গে কথা বলেছে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড নিয়ে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তেমন কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। রেহাই পাননি পেস বোলাররাও।

বিশ্বকাপ নিয়ে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক দিলীপ বেঙ্গসরকার জানান, “বিশ্বকাপ সম্পূর্ণ আলাদা ফরম্যাট। বোলারদের ১০ ওভার বল করতে হবে। টি২০ থেকে একদিনের ক্রিকেটে মাইন্ডসেট তৈরি করতে হবে”।

ভারতীয় দলের একজন সদস্য জানিয়েছেন, ক্লান্তি একটা বড়ো ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাঁর মতে, “ আইপিএল এবং বিশ্বকাপের মধ্যে বড়ো ব্যবধান। ক্রিকেটার হিসাবে খেলার মধ্যে থাকলেই আপনি সাহায্য পান। আমাদের সব খেলোয়াড়ই অভিজ্ঞ এবং খেলার জন্য প্রস্তুত। যেহেতু সদ্য আইপিএল শেষ হয়েছে তাই ওদের ইয়ো-ইয়ো টেস্ট হয়নি।  প্লে-অফের আগে কিছু ক্রিকেটার বেশি সুযোগ পেয়েছেন। খেলোয়াড়দের স্ত্রী এবং বান্ধবীদের সঙ্গে থাকার অনুমতি আছে ২১ দিনের। ফলে সেই দিক দিয়ে ক্লান্তির কোনো ব্যাপার নেই”।

প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার এবং নির্বাচক কিরন মোরে জানান, “আমার মনে হয় না ভারতীয় ক্রিকেটাররা ক্লান্তির মুখোমুখি হবে। সে দিন চলে গিয়েছে। এখন এরা সবাই ফিট। আইপিএল, জাতীয় দল সব জায়গাতেই ফিজিও রয়েছে। আগে ক্যাম্প করা হতো ফিটনেসের জন্য। এখনকার দিনে সব খেলোয়াড়ই ফিট। আইপিএল দলগুলি পেশাগত দিক দিয়ে খেলোয়াড়দের তৈরি করে। দু’সপ্তাহ বিশ্রাম যথেষ্ট”।

ভারতের বর্ষীয়ান উইকেটকিপার পার্থিব পটেল জানান, “এটা খুব ভালো যে ভারত তাড়াতাড়ি ইংল্যান্ড যাচ্ছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে। ১৫ দিন যথেষ্ট আইপিএলের রেশ কাটিয়ে ফের ক্রিকেট মাঠে ফেরার জন্য”।

এই প্রসঙ্গে ভারতীয় নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধান এম এস কে প্রসাদ জানান, “আমরা খুশি দলের প্রায় সবাই ফিট। আইপিএলের চাপ কাটিয়ে, নিজের সেরাটা দিয়ে জাতীয় দলের জার্সি চাপাবে। আইপিএলের ভালো ফর্ম খুব গুরুত্বপূর্ণ”।

পড়তে থাকুন

আইপিএল

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে বিরক্তি, ব্যাট ছুঁড়ে ক্রিজের বাইরে গিয়ে ব্যাট ধরলেন পোলার্ড, ভিডিও

pollard

ওয়েবডেস্ক: রবিবারই শেষ হয়েছে চলতি বছরের আইপিএল। চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে ফের একবার আইপিএল খেতাব জিতেছে মুম্বই ইন্ডিয়ন্স। মোট চারবার। তবে এই আইপিএলে আম্পারিং বিতর্ক অনেকবারই লক্ষ করা গেছে। ফাইনালেও ফের লক্ষ করা গেল।

আরও পড়ুন: ডিককের উইকেট নিয়ে শার্দুলের সেলিব্রেশন, বিরক্তি প্রকাশ রোহিতের, ভিডিও

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে মুম্বই। মুম্বইয়ের শেষ ওভারে ব্যাটে ছিলেন কায়রন পোলার্ড এবং বল করছিলেন ডোয়েন ব্রাভো। ব্রাভোর প্রথম বলটি অফ সাইডের বাইরে ছিল অর্থাৎ ট্রামলাইনের বাইরে। কিন্তু সরে ব্যাট করতে আসার ফলে তা ওয়াইড দেননি আম্পায়ার। কিন্তু দ্বিতীয় বলটিও ট্রামলাইনের বাইরে ছিল অর্থাৎ অফসাইডের বাইরে। এক্ষেত্রে অবশ্য উইকেটের মধ্যেই দাঁড়িয়েছিলেন পোলার্ড। তা সত্ত্বেও ওয়াইড দেননি আম্পায়ার। আর যার জেরে বিরক্তি প্রকাশ করে বাতাসে নিজের ব্যাটটি ছোঁড়েন পোলার্ড।

এবং ব্রাভোর পরের বলটি যখন করতে আসে তখন দেখা যায়, অফসাইডের বাইরে গিয়ে ব্যাট ধরে আছেন পোলার্ড। এমন সময় নষ্টের জেরে আম্পায়াররা পোলার্ডকে ডেকে তার সঙ্গে কথা বলেন। ম্যাচে মুম্বইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন পোলার্ড। এদিনই ৩২-য়ে পা দিলেন এই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

পড়তে থাকুন

আইপিএল

ডিককের উইকেট নিয়ে শার্দুলের সেলিব্রেশন, বিরক্তি প্রকাশ রোহিতের, ভিডিও

shardul

ওয়েবডেস্ক: রবিবার চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে ফের একবার আইপিএল খেতাব জিতেছে মুম্বই ইন্ডিয়ন্স। এই নিয়ে মোট চারবার আইপিএল খেতাব জিতল রোহিত শর্মার দল। টসে জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় মুম্বই।

আরও পড়ুন: আসন্ন বিশ্বকাপে দুটি দলের স্পনসর হচ্ছে ভারতের দুই নামি বাণিজ্যিক সংস্থা

টি২০-তে যখনই দুই হেভিওয়েট দলগুলি মুখোমুখি তখন খেলার থেকে, খেলার বাইরেরও ঘটনা লক্ষ করা যায়। এই ম্যাচেও হল। মুম্বই ইনিংসয়ের পঞ্চম ওভারে চেন্নাই বোলার শার্দুল ঠাকুরের বোলিংয়ের ব্যাট করেছিলেন মুম্বইয়ের ডিকক। শার্দূলের বলে ছয় মারেন ডিকক। কিন্তু তার ঠিক পরের বলে ফের শট মারার চেষ্টা করেন ডিকক কিন্তু টাইমিং ঠিক ছিল না সেই পুল শটের। যা ক্যাচ উঠে গেলে ধরে নেন ধোনি।

এরপরই আসল ঘটনা। উইকেটে পেয়ে কিছুটা মজার ভঙ্গিতে ডিককের দিকে তাকিয়ে সেলিব্রেশন করছিলেন শার্দূল। আঙুল দেখিয়ে ডিকককে প্যাভিলিয়নে ফিরে যেতে বলে। যা দেখে বিরক্তি প্রকাশ করেন নন স্ট্রাইকারে থাকা রোহিত শর্মা। আম্পায়ারকে এই বিষয় জানালে, আম্পায়ার শার্দূলকে শান্ত থাকতে বলেন।

পড়তে থাকুন

নজরে