এ বার লখনউয়ের বিরুদ্ধে গো হারা, প্লে-অফের আশা প্রায় শেষ কেকেআরের

0

পুণে: আবার হারল কেকেআর। এ বার গো হারা। লখনয়ের বিরুদ্ধে ৭৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে গিয়ে প্লে-অফের আশা প্রায় শেষ করে ফেলল কেকেআর। আর এই ম্যাচে কুখ্যাত রেকর্ড করে শিরোনামে থাকলেন শিবম মাবি। একটা ওভারে পাঁচটা ছক্কা খেলেন তিনি।

শনিবারের লখউয়ের ইনিংসের ১৯তম ওভারের প্রথম তিন বলে ছয় মারলেন মার্কাস স্টোইনিস। চতুর্থ বলে তিনি বাউন্ডারি লাইনে ধরা পড়লেন শ্রেয়স আয়ারের হাতে। শেষ দু’বল আবার গ্যালারিতে পাঠালেন জেসন হোল্ডার। ৩০ রান দিয়ে ম্যাচের রাশটাই আলগা করে দিলেন মাবি। লখনউ সেই সুযোগে রান বাড়িয়ে নিয়ে কলকাতার সামনে লক্ষ্য রাখল ১৭৭ রানের। জবাবে কলকাতার ইনিংস গুটিয়ে গেল ১০১ রানে।

প্রথম থেকেই এ দিন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন কুইন্টন ডি’কক। কেএল রাহুল গোল্লায় আউট হয়ে গেলেও ডে’ককের দৌরাত্বে রান বাড়তে থাকে লখনউতের। প্রোটিয়া উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ২৯ বলে ৫০ করলেন ৩টি ছয় এবং ৪টি চারের সাহায্যে। অন্যদিকে তিন নম্বরে নানা দীপক হুডা করলেন ২৭ বলে ৪১ রান। মারলেন ২টি ছয়, ৪টি চার। লখনউয়ের মাঝের ব্যাটাররা অবশ্য তেমন রান পেলেন না। ক্রুণাল পাণ্ড্য (২৭ বলে ২৫), আয়ুষ বাদোনিরা (১৮ বলে অপরাজিত ১৫) ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে পারলেন না

অন্যদিকে, ভালো বল করলেন আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারিনরা। রাসেল ৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে নিলেন ২ উইকেট। তাঁর শিকার ক্রুণাল এবং দীপক। নারাইন ২০ রান খরচ করে আউট করলেন কককে। টিম সাউদি ভাল বল করলেন। কিউয়ি জোরে বোলার ২৮ রান দিয়ে হোল্ডারের উইকেট নিলেন।

১৭৭ রানের বিশাল স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেল কেকেআর। স্কোর বোর্ডে রান ওঠার আগেই ফিরলেন ব্যাটার বাবা ইন্দ্রজিৎ। তৃতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে কলকাতার প্রথম একাদশে এসে তিনিও ভরসা যোগাতে পারলেন না এখনও। দ্রুত আউট হলেন অধিনায়ক শ্রেয়সও (৬)। ফের ব্যর্থ অ্যারন ফিঞ্চ (১৪ বলে ১৪)। অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক সম্ভবত তাঁর রানের ব্যাটটি অকল্যান্ডেই রেখে এসেছেন।

রান পেলেন না আগের দিনের জয়ের অন্যতম নায়ক নীতীশ রানাও (২)। আগের দিনের নায়ক রিঙ্কু সিংহও (১০ বলে ৬) লখনউয়ের বিরুদ্ধে ব্যর্থ হলেন। ছয় নম্বরে নেমে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে আন্দ্রে রাসেল। মাত্র ১৯ বলে ৪৫ রান করলেন ৫টি ছয় এবং ৩টি চারের সাহায্যে। কিন্তু তাঁর প্রয়াস দলকে জয় এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারকে আউট করলেন আবেশ খান। একই ওভারে অনুকূল রায়কে সাজঘরে ফিরিয়ে আইপিএলে কলকাতার সপ্তম পরাজয় নিশ্চিত করেন। শেষ দিকে নারাইন খানিকটা চেষ্টা করেন দলের ইনিংসকে গতি দিতে। কিন্তু তা ফলের উপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন