উইকেট পতনে বিরাটবাহিনীর উল্লাশ। ছবি: টুইটার (আইসিসি)

ইংল্যান্ড: ২৪৬ (কুর‍্যান ৭৮, মঈন ৪০, বুমরাহ ৩-৪৬)

ভারত: ১৯-০ (রাহুল ১১ অপরাজিত)

সাউদাম্পটন: দু’ টেস্ট হেরে পরের তিনটে টেস্ট জিতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন শুধু একটা দলই করেছে। অস্ট্রেলিয়া। ভারত কি সে রকম কিছু করতে পারবে? ট্রেন্টব্রিজ টেস্টে জেতার পরে এই প্রশ্নটাই উঠতে শুরু করে দিয়েছিল। চতুর্থ টেস্টে প্রথম দিনের খেলা শেষের পরে একটা কথা বলা যেতে পারে, যে সেই স্বপ্নের প্রত্যাবর্তনের দিকে আরও কিছুটা এগোল ভারত। বোলারদের তাণ্ডবের পরে দিনের শেষে ভরসা দিচ্ছেন ভারতের দুই ওপেনার।

ব্যাটিং সহায়ক পিচে ভারতের বোলাররা যে এ ভাবে তাণ্ডব চালাবেন সেটা সম্ভবত কোনো ভাবেই আন্দাজ করতে পারেননি ব্রিটিশ অধিনায়ক জো রুট। তাই তো টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নিতে বেশি সময় নেননি তিনি। কিন্তু ইংল্যান্ড ব্যাটিং শুরু হতেই রুদ্রমূর্তি ধারণ করলেন ভারতের বোলাররা।

শুরুটা করেছিলেন আগের টেস্টে হিরো জসপ্রীত বুমরাহ। ওপেনার কিটন জেনিংসকে ফিরিয়ে। সেই যে ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড, আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা। ৯০ রানের মধ্যেই ছ’উইকেট চলে যায় ব্রিটিশ বাহিনীর।

আরও পড়ুন অধিনায়ক জীবনে এই প্রথম এমন কাণ্ড করলেন বিরাট

পিচে যেন আগুন ঝরাচ্ছেন ভারতের পেসাররা। সেই আগুন গ্রাস করে ফেলেছে ইংল্যান্ডের প্রথম সারির সব ব্যাটসম্যানকেই। তবুও এত ভালো শুরু করার পরেও বোলারদের গা-ছাড়া মনোভাবের কিছুটা খেসারত দিতে হল ভারতকে।

একটা সময়ে যখন মনে হচ্ছিল দেড়শোর কমেই ইংল্যান্ডকে শেষ করে দেবে ভারত, ঠিক তখনই জুটি তৈরি করে ফেলেন স্যাম কুর‍্যান এবং মঈন আলি। ক্রিজে জমে যাওয়া এই জুটিকে ভাঙেন অশ্বিন। এর পরে রশিদ ফিরলেও জুটিতে কুর‍্যানের সঙ্গে জমে যান ব্রড। বিপদের দিনে ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে ওঠে কুর‍্যানের ব্যাট। এজবাস্টনে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ঠিক এই ভাবেই কুর‍্যানের ব্যাট ভারতকে পুরোপুরি ম্যাচ থেকে বের করে দিয়েছিল। এই টেস্টে সে রকমই কিছু হবে কি না, সেটা অবশ্য সময়ই বলবে।

২৪৬ রানটা খুব বেশি নয়। দুই ওপেনার রাহুল এবং ধাওয়ান, খুব সাবধানে ইনিংস শুরু করেছেন। এই টেস্টের ভাগ্য কী হবে, দ্বিতীয় দিনেই অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন