অস্ট্রেলিয়াকে ধরাশায়ী করে ঐতিহাসিক সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার, অবসরে মর্কেল

0
622
south-africa-vs-australia

জোহানেসবার্গ: বল বিকৃতির কলঙ্ক থেকে অস্ট্রেলিয়া বেরোতেই পারল না। বরং স্মিথ, ওয়ার্নারের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আরও অতল গহ্বরে ঢুকে গেল তারা।

বল বিকৃতি কলঙ্ক ধরা পড়ার আগে পর্যন্ত সিরিজটা একদম সেয়ানে সেয়ানে চলছিল। কিন্তু তৃতীয় টেস্টের পঞ্চম দিন থেকেই পুরোপুরি ঘুরে গেল ভাগ্য। জাঁকিয়ে বসল দক্ষিণ আফ্রিকা। তার পর অজি শিবির আর মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারল না।

কলঙ্ক সরিয়ে রেখে নতুন অধিনায়ক এবং একগাদা নতুন ক্রিকেটারকে নিয়ে চতুর্থ টেস্টে নেমেছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু চাপমুক্ত যে তারা হতে পারেনি সেটা প্রথম দিন থেকেই ধরা পড়েছে। এডেন মার্করামের ১৫২ এবং টেম্বা বাভুমার অপরাজিত ৯৫-এর হাত ধরে প্রথম ইনিংসে ৪৮৮ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২২১-এর বেশি তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।

প্রথম ইনিংসের বিচারে প্রায় হেরেই গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্ধর্ষ একটা বোলিং পারফর্ম্যান্স ম্যাচের ভাগ্য ফেরাতে পারত। কিন্তু সেটাও হয়নি। স্টার্কহীন দুর্বল অজি বোলিংকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলে গেল অধিনায়ক ফাফ দু’প্লেসি এবং ওপেনার ডিন এলগার। ৬১২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে চতুর্থ ইনিংসে নামে অস্ট্রেলিয়া।

পঞ্চম দিন খেলা যখন শুরু হয় অস্ট্রেলিয়ার স্কোর তখন তিন উইকেটে ৮৮। পঞ্চম দিন ভার্নন ফিলান্ডারের দাপটে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি অজিরা। তিনি একাই তুলে নেন ছ’উইকেট। মাত্র ১১৯-এ শেষ হয়ে যায় টিম পেইনের দল।

৪৯২ রানের বিশাল ব্যবধানে টেস্ট জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই সঙ্গে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে পাহাড়ের শিখর থেকে গর্তে পড়ল অস্ট্রেলিয়া। কয়েক মাস আগেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাসেজ জিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় পা রেখেছিল স্টিভ স্মিথের দল। ডারবানে প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা। তার পর যা হল, ইতিহাসে এ রকম ঘটনা আর কখনও ঘটেছে কি না সন্দেহ।

১৯৭০-এর পরে এই প্রথম ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ জিতল প্রোতিয়ারা। স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী থেকে নিজের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার শেষ করলেন মর্নি মর্কেল।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here