Connect with us

ক্রিকেট

হিমশীতল উইলিয়ামসন, আশা জাগিয়েও ১৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙতে পারল না দু’প্লেসিরা

সাউথ আফ্রিকা: ২৪১-৬ (ভান ডার ডাসেন ৬৭ অপরাজিত, আমলা ৫৫, ফার্গুসন ৩-৫৯)

নিউজিল্যান্ড: ২৪২-৬ (উইলিয়ামসন ১০১ অপরাজিত, গ্র্যান্ডহোম ৬০, মরিস ৩-৪৯)

বার্মিংহাম: সুযোগ ছিল ১৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হল সাউথ আফ্রিকা। ২০০৩ বিশ্বকাপ থেকে সেই যে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারের ধারা অব্যাহত হয়েছে তাদের, এ দিনও তাতে কোনো পরিবর্তন হল না। আর এর পেছনে বড়ো কারণ হয়ে দাঁড়াল দু’প্লেসিদের তথৈবচ ফিল্ডিং। তবে এই বিশ্বকাপের সেরা ম্যাচের তকমা এটাই যে পাবে তা বলাই বাহুল্য।

বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের কয়েক দিন আগে সাউথ আফ্রিকার অধিনায়ক ও কোচের কাছে ফোন করে এবি ডেভিলিয়ার্স আবেদন করেছিলেন, তিনি অবসর ভেঙে দলে ফিরতে রাজি। কিন্তু সেই আবেদন শোনা হয়নি। অধিনায়ক দু’প্লেসি এবং কোচ ওটিস গিবসনের যুক্তি ছিল তেমন হলে দল থেকে বাদ পড়বেন র‍্যাসি ভান ডার ডাসেন। আর তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না কোচ-অধিনায়ক।

বুধবার ম্যাচ দেখে মনে হল, ভাগ্যিস ভান ডার ডাসেনের ওপরে ভরসা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট, নইলে ভদ্রস্থ স্কোরে কিছুতেই পৌঁছোতে পারত না সাউথ আফ্রিকা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এ বারই প্রথম, ফেভারিট হিসেবে বিশ্বকাপের আসরে আসেনি সাউথ আফ্রিকা। আর সেটা বার বার তাদের ব্যাটিং দেখে বোঝা যাচ্ছে। তার ওপরে টানা হারের ধকল। ভারত এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া তা-ও যুক্তিযুক্ত, কিন্তু বাংলাদেশের কাছে হারা কার্যত ক্ষমার অযোগ্য। সব মিলিয়ে এই বিশ্বকাপে টিকে থাকতে গেলে এ দিনের ম্যাচ জিততেই হত সাউথ আফ্রিকাকে।

আরও একটি ব্যাপারও দু’প্লেসিদের বিরুদ্ধে গিয়েছিল। তা হল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রেকর্ড। শেষ বার সাউথ আফ্রিকা নিউজিল্যান্ডকে বিশ্বকাপের ম্যাচে হারিয়েছিল ১৯৯৯ সালে, আর কাকতালীয় ভাবে সেটাও এই মাঠেই। তার পর ২০০৩, ২০০৭, ২০১১ এবং ২০১৫, চার বারই প্রোটিয়াদের ওপরে রাজ করে গিয়েছে কিউয়িরা। এর মধ্যে শুধুমাত্র ২০১৫-এর ফলাফলটা ছাড়া বাকি তিন বারই অঘটন বলা চলে।

আরও পড়ুন তৈরি হল টি২০ ক্রিকেটে সর্বনিম্ন স্কোরে ইনিংস শেষ হওয়ার নজির!

তা এ বারও ব্যাটিং একদমই ভালো শুরু করেনি সাউথ আফ্রিকা। কিউয়ি বোলারদের সামনে বেশ চাপে ছিল তাদের ব্যাটসম্যানরা। তবে তফাত বলতে হাশিম আমলা। এই বিশ্বকাপে এই প্রথম রানের মুখ দেখলেন তিনি। এবং সেই সঙ্গে করে ফেললেন একটি রেকর্ডও। দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ম্যাচে আট হাজার রানের গণ্ডি টপকালেন তিনি। কিন্তু আমলা ফিরতেই আবার ধাক্কা খেল সাউথ আফ্রিকা। এই পরিস্থিতিতে স্লগ ওভারে চেষ্টা করেও মারতে পারছেন না ডেভিড মিলার।

এই রকম জায়গায় দরকার ছিল ভান ডার ডাসেনের মতো একজনকে। তাঁর উপস্থিতিতেই যে স্কোর এক সময়ে দুশো পেরোত কি না সন্দেহ লাগছিল, সেটাকেই আড়াইশোর কাছাকাছি পৌঁছে দেন তিনি।

তবুও বর্তমান ক্রিকেটের নিরিখে রানটা এমন কিছু বেশি ছিল না। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে তাড়া করায় কোনো সমস্যা হওয়ার কথাও ছিল না। কিন্তু আজ গোটা সাউথ আফ্রিকা দলটাকে মাঠে একটু অন্য রকমের লেগেছে। সে কারণে শুরু থেকেই কিউয়ি ব্যাটসম্যানদের হাত খুলতে দেয়নি তারা।

আসলে সাউথ আফ্রিকার এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থা। সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য এই ম্যাচটা জিততে হতই। সে কারণে বাড়তি তাগিদ চোখে পড়ল। একটা সময়ে কিউয়িদের স্কোর হয়ে যায় চার উইকেটে ৮০। এই পরিস্থিতিতে সাউথ আফ্রিকার দিকেই পাল্লা ভারী ছিল। কিন্তু এক দিকে ব্যাটসম্যান যখন হিমশীতল মস্তিষ্কের কেন উইলিয়ামসন, তখন নিউজিল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ছিলই।

কঠিন সময়ে কিউয়িদের টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন উইলিয়ামসনই। দলের যখন পাঁচ উইকেট পড়ে এবং সাউথ আফ্রিকা আরও জাঁকিয়ে বসে ম্যাচে তখন আসরে নামেন কলিন ডে গ্র্যান্ডহোম। দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যান এই দুই ব্যাটসম্যানই। তবুও শেষ পর্যন্ত বোঝা যায়নি ম্যাচের গতিপথ কোন দিকে যাবে, কারণ যখনই গ্র্যান্ডহোম-উইলিয়ামসন জুটি দু’পা করে এগিয়েছে, পরক্ষণেই এক পা করে পিছিয়েছে। এই ‘পিছিয়ে’ যাওয়ার কারণ ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার ক্রিস মরিস।

কিন্তু এরই মধ্যে সাউথ আফ্রিকার ভুলভাল ফিল্ডিং বড়ো বেশি চোখে লেগেছে। একের পর এক ক্যাচ পড়েছে তাদের ফিল্ডারদের হাত থেকে। যার ফলে নিউজিল্যান্ডের বাড়তি সুবিধা হয়েছে বই কী!

আরও পড়ুন বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের প্রতিশোধ একাই নেবেন, দাবি ক্রীড়াবিদের

ম্যাচের শেষ পর্যন্ত নাটকীয়তা অব্যাহত ছিল। গ্র্যান্ডহোমের মোক্ষম সময়ে আউট হয়ে যাওয়ার ফলে হঠাৎ করে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজনীয়তা দাঁড়ায় ৭ বলে ১২। এই পরিস্থিতিতে উইলিয়ামসন খুব সূক্ষ্ম ভাবে একটা চার মারেন। শেষ ওভারেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হওয়ার ছিল।

শেষ ওভারেও ফের নায়ক হয়ে উদয় হলেন উইলিয়ামসন। ছয় মেরে শতরান তো করে ফেললেনই, পাশাপাশি দলের জয়ও নিশ্চিত করে ফেললেন তিনি। সাউথ আফ্রিকার এই হারের পর তাদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া কার্যত নিশ্চিত হয়ে গেল। অন্য দিকে লিগ টেবিলের মগডালে উঠে পড়ল কিউয়িরা।

ক্রিকেট

আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন রবীন উথাপ্পা!

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কেরিয়ার দীর্ঘায়িত না করতে পারলেও ভারত ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে খুব পরিচিত নাম রবীন উথাপ্পা (Robin Uthappa)। সেই তিনিই কি না আত্মহত্যার পথ প্রায় বেছে নিচ্ছিলেন।

এক সময় এই উথাপ্পাকেই গ্রাস করেছিল অবসাদ। মানসিক ভাবে তিনি এতটাই বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে, বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই হারিয়ে গিয়েছিল। নিজের জীবনের সব চেয়ে কঠিন সময়ের কথা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন প্রাক্তন কেকেআর তারকা।

উথাপ্পা বলেন, তরুণ বয়সে দল থেকে বাদ পড়লেই অবসাদে চলে যেতেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের পরামর্শে সুস্থ জীবনে ফিরতে পেরেছেন এই তারকা ক্রিকেটার।

এক সময় জাতীয় দলে নিয়মিত খেলা ব্যাটসম্যান বলছেন, “২০০৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত নিয়মিত আমাকে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হত। মাঝে মাঝে এমন সময়ও এসেছে, যখন আমি ক্রিকেট নিয়েও ভাবতে পারতাম না। বারান্দায় বসে বসে মনে হত, যাই দৌড়ে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি। আবার কিছু একটা ভেবে নিজেকে আটকে রাখতাম।”

উথাপ্পা মেনে নিয়েছেন, ব্যাট হাতে নিয়মিত ব্যর্থতাই তাঁকে অবসাদের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। তিনি বলছেন, “জানি না কেন, আমি কিছুতেই রান পাচ্ছিলাম না। আমি নেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাট করতাম। কিন্তু তাতেও লাভ হত না। আসলে আমার মধ্যে কিছু সমস্যা ছিল। যেটা আমি বুঝতে পারিনি।” উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয় উথাপ্পার। দেশের হয়ে ১৩টি টি-২০ এবং ৪৬টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন তিনি। কেকেআরের হয়েও যথেষ্ট সফল হয়েছেন উথাপ্পা।

পড়তে থাকুন

ক্রিকেট

এ বছরের আইপিএল কবে, মুখ খুললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এ বছরের ২৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল আইপিএল-এর (Indian Premier League, IPL) ত্রয়োদশ সংস্করণ। কিন্তু করোনাভাইরাস (coronavirus) জনিত পরিস্থিতিতে বিশ্ব জুড়ে লকডাউন (lockdown) জারি হয়ে যাওয়ায় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই, BCCI) তা স্থগিত করে দিতে বাধ্য হয়।

মাঝেমধ্যেই খবর পাওয়া যাচ্ছে, ভারতীয় ক্রিকেটের সব চেয়ে অর্থকরী এই লিগটি জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে কোনো সময়ে শুরু করতে আগ্রহী বিসিসিআই।

এ ব্যাপারে এ বার মুখ খুললেন স্বয়ং বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি (Sourav Ganguly)। তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সব রকম সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

“আগামী দিনে কী ঘটবে আমরা কেউই বলতে পারি না। এটা অনুমান করা খুব কঠিন। আমরা সব রকম সম্ভাবনার দিকে তাকিয়ে আছি। ক্রিকেট কবে শুরু করা যেতে পারে, সে ব্যাপারে আমরা এখনও নিশ্চিত নই” – সৌরভ বলেন।

ক্রিকেটের সব চেয়ে জৌলুসময় এই উৎসবটি আয়োজন করার ব্যাপারে কয়েক দিন আগে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড আগ্রহ দেখিয়েছিল। এবং কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যমে খবরও হয়েছিল যে বিসিসিআই এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অন্য দেশে আয়োজন করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

আরও পড়ুন: একদিনের ক্রিকেটে শ্রীসন্তের বাছাই করা সর্ব কালের সেরা একাদশের অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি

এ ব্যাপারে সৌরভ বলেন, দেশের ক্রিকেট সংস্থা এ বিষয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলার মতো অবস্থায় নেই। তবে ভারতই এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে চায়। তবে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, আইপিএল আয়োজন করার থেকে মানুষের প্রাণ বাঁচানো এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, “আদৌ যদি আইপিএল হয়, কোথায় তা হতে পারে আমরা জানি না। তবে ভারত তো ওই ইভেন্ট আয়োজন করতে চাইবেই। শর্ত হল পরিবেশ যেন নিরাপদ থাকে। ঠিক এখনই এ ব্যাপারে কিছু বলার মতো জায়গায় আমরা নেই। এখন বলার সময়ই নয়। সংগঠনগত ভাবে আমরা এখনও আইপিএল ক্রীড়াসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করিনি। সবটাই নির্ভর করছে পরিবেশগত নিরাপত্তার উপরে। মানুষের প্রাণ বাঁচানো এবং করোনাভাইরাসের শৃঙ্খলকে ভেঙে দেওয়াই আমাদের সকলের কাছে এখন সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

পড়তে থাকুন

ক্রিকেট

ক্রিকেটারদের চক্ষু পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করল সিএবি

খবর অনলাইনডেস্ক: করোনা-পরবর্তী সময়ে নতুন নিয়ম তৈরি করল বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা (CAB)। এ বার থেকে ক্রিকেটারদের চক্ষু পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হল।

সিএবি থেকে প্রকাশিত একটি প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “বাংলার ক্রিকেটারদের চক্ষু পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে এ বার থেকে।” সোমবারই ক্রিকেটারদের চোখ পরীক্ষা করার বিষয়ে প্রস্তাব দেন কোচ অরুণ লাল (Arun Lal)। সেই প্রস্তাব সর্বান্তকরণে সমর্থন করা হয়। ব্যক্তিগত ভাবে অরুণ মনে করেছেন, নতুন বলের মুখোমুখি হওয়ার সময় এতে ব্যাটসম্যানরাই উপকৃত হবেন।

সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার মেডিক্যাল কমিটির সদস্য নন্দিনী রায়ের কাছে পাঠানো হবে। প্রি-সিজন ক্যাম্প চলাকালীনই স্কোয়াডের প্রত্যেকের চোখ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া (Abhishek Dalmiya) জানিয়েছেন, “ক্রিকেট মাঠে চোখের দৃষ্টি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এক বিষয়। রিফ্লেক্সের সঙ্গে এটা ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। তাই আমরা অনেক ভাবনাচিন্তা করেই এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করছি।”

মাঠে নেমে ক্রিকেটারদের অনুশীলন শুরু করার বিষয়ে সিএবি এখনও পর্যন্ত কোনো দিনক্ষণ ঠিক করেনি। তবে কেন্দ্রীয় সরকার যে হেতু মাঠে নেমে অনুশীলনের অনুমতি দিয়েছে, তাই মনে করা হচ্ছে, জুনেই হয়তো অনুশীলনে নামতে পারবেন ক্রিকেটাররা। তবে লকডাউনের (Lockdown) সময়ে ঘরে বসেই অনলাইনে মনোবিদের ক্লাস চলছিল এত দিন।

সোমবারের বৈঠকেই ঠিক হয় যে আরও এক বছরের জন্য দলের কোচ থাকবেন অরুণ লাল। উইকেটকিপিং কোচ করা হয়েছে দীপ দাশগুপ্তকে।

পড়তে থাকুন

নজরে