তিন স্পিনার ঠেঙিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দিল ‘হোমওয়ার্ক’ করে আসা নিউজিল্যান্ড

0

ভারত ৩৪৫ (শ্রেয়স ১০৫, শুভমন ৫০, সাউদি ৫-৬৯)

নিউজিল্যান্ড ১২৯-০ (ইয়ং ৭৫ অপরাজিত, ল্যাথাম ৫০ অপরাজিত)

কানপুর: আজকাল বিদেশি টিমরা ভারতে এলে যথেষ্ট হোমওয়ার্ক করেই আসে। ব্যাপারটা বোঝা গেল নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনারকে দেখে। ভারতের তিন স্পিনারকে অবলীলায় ঠেঙিয়ে কানপুর টেস্টে নিজেদের বেশ ভালো জায়গায় নিয়ে গেল তারা।

দিনটা অবশ্য শুরু হয়েছিল ভারতের জন্য ভালো খবর দিয়েই। অভিষেকেই শতরান করার অনন্য নজির গড়ে ফেলেন শ্রেয়স আইয়ার। তবে তার আগে আউট হয়ে গিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। ঋদ্ধিমান সাহাকে ক্রিজের অপর প্রান্তে রেখে এই শতরানের গণ্ডি পেরিয়ে যান তিনি। ১৬তম ভারতীয় হিসেবে অভিষেকেই শতরান করে ফেললেন আইয়ার।

তবে আইয়ারের শতরানের পরেই ভেঙে পড়ে ভারতীয় ব্যাটিং। পিচে সহায়তা না মিললেও, দুরন্ত বল করেন টিম সাউদি। তাঁর একার চেষ্টাতেই ভেঙে পড়ে ভারত। ব্যর্থ ঋদ্ধিও। ৩৭ বছর বয়সে ঋদ্ধির ব্যাটিং ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বলে বোঝাই যাচ্ছে।

শ্রেয়স আউট হওয়ার পর বলার মতো অবদান রেখে গিয়েছেন শুধুমাত্র রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর ৩৮ রানের ঝকঝকে ইনিংসের সৌজন্যেই সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি চলে যায় ভারত। তবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেও, বল হাতে আপাতত কোনো কেরামতি দেখাতে পারেননি অশ্বিন। ব্যর্থ বাকি দুই স্পিনারও।

নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার টম ল্যাথাম এবং উইল ইয়ং দুরন্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। প্রথমে ইশান্ত শর্মা এবং উমেশ যাদবকে সামলে নেন দু’জনে। এর পরেই আক্রমণে আসা তিন স্পিনারকে সামলাতে শুরু করেন দু’জন।

ল্যাথান যথেষ্ট অভিজ্ঞ। অন্যদিকে ইয়ংয়ের মাত্র চারটে টেস্টের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই বছরই ইংল্যান্ডের টেস্ট অভিষেক করেন তিনি। কিন্তু দু’জনের মধ্যে ইয়ংই বেশি সাবলীল ছিলেন। প্রথমে অর্ধশতরান করে ফেলেন ইয়ং। দিনের এক্কেবারে শেষলগ্নে এসে পঞ্চাশ করেন ল্যাথাম।

দিনের শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনারকেই ক্রিজ থেকে টলাতে পারেনি ভারত। ফলে শনিবার তৃতীয় দিনের খেলায় কিউয়িরাই যে এগিয়ে থেকে ম্যাচ শুরু করবে, তা বলাই বাহুল্য।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন