lungi ngidi

দক্ষিণ আফ্রিকা: ৩৩৫ এবং ২৫৮

ভারত: ৩০৭ এবং ১৫১ (রোহিত ৪৭ শামি ২৮ এনগিডি ৬-৩৯)

সেঞ্চুরিয়ন: শেষমেশ ভারতের হারের ব্যবধান যে ১৩৫ রানেই সীমিত থাকল তার জন্য রোহিত শর্মা এবং মহম্মদ শামির কৃতিত্ব প্রাপ্য। দু’জনের মধ্যে ৫৪ রানের পার্টনারশিপটা যদি তৈরি না হত তা হলে ভারতের কাছে আর কত লজ্জা অপেক্ষা করে থাকত কে জানে!

এই সিরিজকে যদি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করতে হয়, তা হলে বলতে হবে, ‘ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় কেরিয়ারের প্রথম সিরিজ হার ক্যাপ্টেন কোহলির’। হ্যাঁ, শুধুমাত্র ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাতেই সিরিজ হারল ভারত। এখনও পর্যন্ত সিরিজে যে চারটে ইনিংস হয়েছে প্রত্যেকটাতেই দুর্ধর্ষ পারফর্মেন্স করেছেন ভারতীয় বোলাররা।

পঞ্চম দিনেও ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা বজায় ছিল। দিনের প্রথম তিনটে উইকেটই নিজের ভুলে খোয়াতে হয়েছে ভারতকে। প্রথমে রান আউট হন পুজারা, কিছুক্ষণ পরে পুল শটে নিজের উইকেট দেন পার্থিব, তার পর খোঁচা দিয়ে আউট হন হার্দিক। কে বলতে পারত, পার্থিব এবং পুজারা উইকেটে টিকে গেলে এই টেস্টের ফল অন্য রকম হত না!

ব্যাটসম্যানদের এই ভরাডুবির নেপথ্যে একজনের নাম না নিলেই নয়। তিনি লুঙ্গি এনগিডি। একাই নিলেন ছয় উইকেট। আগের ম্যাচে ছ’উইকেট নিয়ে ভারতকে হারিয়েছিলেন ফিলান্ডার, এ দিন এনগিডি। দক্ষিণ আফ্রিকাকে এখন কৃষ্ণাঙ্গ বোলাররাই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সেটাই প্রমাণিত হল। প্রমাণিত হল আরেকটা ব্যাপারে, দক্ষিণ আফ্রিকার সমাজব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন।

এনগিডিকে নিয়ে যে ভাবে আনন্দে মেতে উঠলেন দু’প্লেসি, ডে’ভিলিয়ার্স এবং ডি’ককরা, তাতেই সমাজব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিতটা বোঝা যায়।

যা-ই হোক, সিরিজের প্রথম দু’টি টেস্ট হেরে গিয়ে সিরিজ হেরে গেল বিশ্বের এক নম্বর দল। এখন কোহলির একটাই প্রার্থনা পরের টেস্টে যেন হার এড়াতে পারে ভারত। প্রথম সিরিজ হারই হোয়াইট-ওয়াশ এটা নিশ্চয় কখনোই চাইবেন না কোহলি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here