সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে আশা জিইয়ে রাখল পাকিস্তান

দলের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। সেই রশ কাটিয়ে জয়ে ফিরল ১৯৯২-র চ্যাম্পিয়নরা। যার জেরে চলতি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা এখনও টিকে রইল তাদের।

0
saf

পাকিস্তান – ৩০৮/৭ (সোহেল ৮৯, আজাম ৬৯, এনগিডি ৩/৬৪)

সাউথ আফ্রিকা – ২৫৯/৯ (দুপ্লেসি ৬৩, ডিকক ৪৭, রিয়াজ ৩/৪৬)

ওয়েবডেস্ক: গত ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে হেরে রীতিমতো সমালোচনার মুখোমুখি হয় পাকিস্তান দল। দেশের মানুষ থেকে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা সবাই একহাত নেন বর্তমান দলকে। দলের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। সেই রেশ কাটিয়ে জয়ে ফিরল ১৯৯২-র চ্যাম্পিয়নরা। যার জেরে চলতি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা এখনও টিকে রইল তাদের।

আরও পড়ুন: ম্যানইউ ছেড়ে ইতালির পথে তারকা ফুটবলার?

গত ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয় হলেও, এদিন অবশ্য প্রথমে ব্যাট করে তিনশোর গন্ডি পেরিয়ে যায় তারা। সৌজন্যে বাবর আজামের অর্ধশতক এবং হ্যারিস সোহেলের গুরুত্বপূর্ণ ৮৯ রানের ইনিংস।

এযাবৎ বিশ্বকাপে চারবার মুখোমুখি হয়েছিল এই দু’দল। সাউথ আফ্রিকার পক্ষে পালা ভারী থাকলেও, গত বিশ্বকাপে তাদের বিরুদ্ধে প্রথম জয়ের খাতা খোলে পাকিস্তান। রবিবার সেই ব্যবধান বাড়লেও এখনও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে সাউথ আফ্রিকা।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে তেমন দাগ কাটতে পারেননি সাউথ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা। অধিনায়ক দুপ্লেসির অর্ধশতক এবং ডিককের লড়াই। এছাড়া মিডল অর্ডারে দায়িত্ন নিয়ে খেলতে ব্যর্থ মিলার, ভান দার দুসেনরা। তবে ব্যাটসম্যানরা দাগ কাটতে না পারলেও, বল হাতে নজর কাড়েন স্পিনার ইমরান তাহির।

দু’উইকেট নেওয়ার সুবাদে সাউথ আফ্রিকার খেলোয়াড় হিসাবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি। টপকে গেলেন কিংবদন্তি অ্যালান ডোনাল্ডকে।

ম্যাচে ৪৯ রানে জয়ী পাকিস্তান। ছয় ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট তাদের। সাত ম্যাচে তিন পয়েন্ট দক্ষিণ আফ্রিকার।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.