জয়ে ফিরল পঞ্জাব, নেপথ্যে দুই অশ্বিন এবং কেএল রাহুল

0
অরধশতরানের পর রাহুল

মুম্বই: ১৭৬-৭ (ডে কক ৬০, রোহিত ৩২, মুরুগান অশ্বিন ২-২৫)

পঞ্জাব: ১৭৭-২ (রাহুল ৭১ অপরাজিত, অগ্রবাল ৪৩ অপরাজিত, পাণ্ড্য ২-৪৩)

মোহালি: দুই অশ্বিনের ঘূর্ণি এবং কেএল রাহুলের দুর্দান্ত ব্যাটিং-এর সৌজন্যে আবার জয়ে ফিরল কিংস ইলেভন পঞ্জাব। অন্য দিকে তিন ম্যাচের মধ্যে দু’টিতে হেরে চাপে পড়ে গেল মুম্বই।

রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পাশাপাশি এ দিন দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন মুরুগান অশ্বিনও। এই দু’জনের জন্য এ দিন দুর্দান্ত শুরু করেও ১৮০-এর কোঠা পেরোতে পারেনি মুম্বই। টসে হেরে ব্যাট করতে যাওয়া মুম্বই, শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল। ডে কক এবং রোহিত শর্মার জুটি দলকে বড়ো রানের দিকে এগিয়েই নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু প্রথম উইকেটে ৫০ রান পেরিয়ে যাওয়ার পরেই ছন্দপতন। রোহিত আউট।

রোহিত ফিরে যাওয়ার পর মুম্বইয়ের রানের গতি কিছুটা কমতে শুরু করে। এর কারণ দুই অশ্বিনের চাপা বোলিং। রবিচন্দ্রন অশ্বিন উইকেট না পেলেও সাড়ে ছ’য়ের বেশি রেটে রান খরচ করেননি। অন্য দিকে দু’টি উইকেট নিয়ে নেন মুরুগান। এই দুই অশ্বিনের জন্য আট ওভারে ৫১ তোলে পঞ্জাব।

দিনটা ভালো ছিল না মহম্মদ শামির কাছেও। শুরু থেকেই ডে ককের আগ্রাসী মেজাজের সামনে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটা মোক্ষম উইকেট তিনি নিয়েছেন। সেটা হার্দিক পাণ্ড্যর উইকেট। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে একা হার্দিকই ফারাক গড়ে দিয়েছিলেন ১৪ বলে ৩২ করে। এ দিন সে রকমই একটা ইনিংস দেখা যেত তাঁর কাছে যদি না শেষ ওভারে ছয় মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ধরা পড়তেন তিনি। তবুও আউট হওয়ার আগে ১৯ বলে ৩১-এর একটা ইনিংস খেলে গেছেন তিনি। তবে এ দিন ব্যর্থ হন যুবরাজ সিংহ।

লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছোনোর জন্য ভালো শুরু করতে হত পঞ্জাবকে। সেটাই হল। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে শুরুর দিকে চরিত্রবিরোধী ইনিংস খেলে যাচ্ছিলেন কেএল রাহুল। তাঁকে কেন্দ্র করে এক সময়ে ঝড় তোলেন গেল এবং ময়াঙ্ক অগ্রবাল, কিন্তু রাহুল শান্তই ছিলেন। আসলে অনেক দিন ব্যাটে সে ভাবে রান না থাকার ফলেই সম্ভবত কিছুটা ধরে খেলছিলেন রাহুল।

কিন্তু শেষের দিকে সেই যে টপ গিয়ারে নিজের গাড়ি তোলেন রাহুল, এক্কেবারে দলকে জিতিয়ে ফেরান। এই জয়ের ফলে সব থেকে স্বস্তিতে যিনি থাকবেন তিনি রবিচন্দ্রন অশ্বিন। রাজস্থান ম্যাচে মাঁকড়ীয় কাণ্ডের পর বিভিন্ন জায়গায় সমালোচিত হচ্ছিলেন তিনি। কেকেআরের বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া এবং বল হাতে দশ রানের বেশি খরচা করার জন্য ট্রোলিং-এরও শিকার হন তিনি। সেখান থেকে এ বার কিছুটা স্বস্তি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.