আশাভঙ্গ বেঙ্গালুরুর, বাটলারের একশোয় ভর করে চোদ্দো বছর পর ফাইনালে রাজস্থান

0

বেঙ্গালুরু ১৫৭-৮ (রজত ৫৮, দু’প্লেসি ২৫, প্রসিদ্ধ ৩-২২)

রাজস্থান ১৬১-৩ (বাটলার ১০৬ অপরাজিত, সঞ্জু ২৩, হ্যাজেলউড ২-২৩)

অমদাবাদ: ফাইনালের কাছাকাছি পৌঁছেও স্বপ্ন অধরা থাকল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। অন্য দিকে, চোদ্দো বছর পর ফাইনালে উঠে তাক লাগিয়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। আইপিএলে প্রথম সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এই প্রথম তারা ফাইনালে পৌঁছোল। ব্যাট হাতে ফের এক বার জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। চলতি আইপিএলে চতুর্থ শতরান করে ফেললেন তিনি।

শুক্রবার প্রথমে ব্যাট করে বড়ো রান করার প্রয়োজন ছিল বেঙ্গালুরুর। কিন্তু শুরুতেই মাত্র সাত রান করে ফিরে যান বিরাট। এলিমিনেটরে ইডেনের মাঠে শতরান করা রজত পতিদার এ দিনও দুর্দান্ত শুরু করেন। তবে কোনো কারণে দু’ দিন আগের সেই ফর্মটা পাচ্ছিলেন না তিনি।

তবে উইকেট আঁকড়ে থেকে ফের একবার অর্ধশতরানে পৌঁছে যান পতিদার। করেন ৫৮ রান। কিন্তু বাকিদের থেকে খুব বেশি সাহায্য তিনি পাননি। বলা ভালো সেই সাহায্য পেতে দেননি রাজস্থানের বোলাররা। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ইডেনের মাঠে শেষ ওভারে তিনটি ছয় দিয়ে ম্যাচ হেরেছিলেন। সেই আক্ষেপ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ভুলিয়ে দিলেন তিনি। তিনটি উইকেট নিলেন প্রসিদ্ধ। তার মধ্যে ছিল বিরাটের উইকেটও।

ইনিংসের পনেরো ওভার পর্যন্ত তাও দুরন্ত গতিতে রান করে যাচ্ছিল বেঙ্গালুরু। কিন্তু তার পরেই খেই হারিয়ে ফেলে তারা। ব্যাট চলেনি দীনেশ কার্তিকের। তিনি জ্বলে উঠলে হয়তো ১৮০-এর কাছাকাছি পৌঁছোতে পারত আরসিবি। তেমনটা হলে রাজস্থান আদৌ জিততে পারত কি না সন্দেহ।

তবে বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্যমাত্রাটি যে খুবই কম তা বুঝিয়ে দিলেন জস বাটলার। চলতি আইপিএলে তিনটে শতরান করে কমলা টুপির মালিক এখন বাটলার। স্বপ্নের ফর্মে থাকা বাটলারের ব্যাট এ দিনও জ্বলে উঠল। আরও একটা দুরন্ত শতরান করে ফেলেন তিনি। সেই শতরানই দলকে ফাইনালে পৌঁছে দেয়।

উল্লেখ্য, চোদ্দো বছর আগে আইপিএলের আবির্ভাবেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রাজস্থান। দলকে স্বপ্নের শিখরে পৌঁছে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শেন ওয়ার্ন। কাকতালীয় ব্যাপার হল, সেই শেন ওয়ার্নের আকস্মিক মৃত্যুর বছরেই দ্বিতীয় বারের জন্য ফাইনালে ওঠার স্বাদ পেল গোলাপি শহরের দলটি।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন