cheteswar pujara
শতরানের পরে পুজারা। ছবি: টুইটার (আইসিসি)

ইংল্যান্ড: ২৪৬ এবং ৬-০ 

ভারত: ২৭৩ (পুজারা অপরাজিত ১৩২, বিরাট ৪৬, মঈন ৫-৬৩)

সাউদাম্পটন: দলের প্রথম সারির স্পিনার তিনি নন, তবুও চার বছর আগে এখানেই তাঁর ভেলকির কথা মনে করে ইংল্যান্ডের একাদশে জায়গা হয়েছিল তাঁর। সেই মঈন আলির ঘূর্ণিতেই ফের ভেঙে পড়ল ভারতীয় ব্যাটিং। আবার এই ভেঙে পড়া ব্যাটিংকেই আড়াল করে আগাগোড়া রাজ করে গেলেন চেতেশ্বর পুজারা। ব্যাট থেকে বেরোল ঝকঝকে শতরান, যা তাঁর কেরিয়ার বাঁচানো শতরান এখনই বলে দেওয়া যায়। সব মিলিয়ে দিনের শেষে ইংল্যান্ডের থেকে ভারত কিছুটা এগিয়ে থাকলেও, সিরিজের সব থেকে জমাটি টেস্ট সম্ভবত এটিই হতে চলেছে।

প্রথম দিনে ইংল্যান্ডকে আড়াইশোর মধ্যে আটকে রেখে চালকের আসনে বসে পড়েছিল ভারত। আশা করা হচ্ছিল দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্ধর্ষ একটা ব্যাটিং পারফরম্যান্স করলেই এই টেস্ট নিজেদের বাগে এনে ফেলবে ভারত। কিন্তু হল উলটো। ৫০ রানের মধ্যে দু’টো উইকেট হারিয়ে ফেলল ভারত।

সেই ধাক্কা অবশ্য বিরাট এবং পুজারা মিলে সামলে দেন। যখন মনে হচ্ছিল আরও একটা শতরানের দিকে এগোচ্ছেন বিরাট, ঠিক তখনই আঘাত হানেন কুর‍্যান। অর্ধশতরান থেকে চার রান দূরেই থেমে যান বিরাট। এর পরেই আসরে নামেন মঈন আলি।

india vs england
পাঁচ উইকেট নিলেন মঈন। ছবি: টুইটার (আইসিসি)

ইংল্যান্ড দলের মূল স্পিনার আদিল রশিদ হলেও চার বছর আগে এই মাঠেই তাঁর কামালের কথা মনে করে মঈনকে নামায় ইংল্যান্ড দল। সেই নির্বাচনে কোনো ভুল ছিল না, সেটা তিনি প্রমাণ করে দেন। পর পর চারটে উইকেট তুলে নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংকে ভেঙে দেন তিনি। ভারতের স্কোর একটা সময় ছিল আট উইকেটে ১৯৫। ইংল্যান্ডের স্কোর থেকে তখনও ৫১ রান দূরে। ঠিক তখনই একার হাতে যাবতীয় দায়িত্ব নিয়ে নেন পুজারা।

পুজারার রক্ষণাত্মক খেলার সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। কিন্তু এ দিন কার্যত টি২০ ঢঙে ব্যাটিং করে গেলেন পুজারা। যে শটগুলি তিনি মারলেন, পুজারার ব্যাট থেকে এ রকম শট খুব একটা বেরোয় বলে মনে করা যায় না। পুজারার এই দাপট এবং নবম ও দশম উইকেটে ইশান্ত এবং বুমরাহর যোগ্য সহায়তায় ২৭ রানের একটা লিড নিয়ে নেয় ভারত।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করেছে ইংল্যান্ড। এই টেস্ট কোন দিকে যাবে, তৃতীয় দিন অনেকটাই বুঝিয়ে দেবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন