পন্থের শতরানের পরেই ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটিং, টেস্ট জয়ের পথে দক্ষিণ আফ্রিকা

0

ভারত ২২৩ এবং ১৯৮ (পন্থ ১০০ অপরাজিত, বিরাট ২৯, ইয়ানসেন ৪-৩৬)

দক্ষিণ আফ্রিকা ২১০ এবং ১০১/২ (পিটারসেন ৪৮ অপরাজিত, এলগার ৩০, শামি ২-২২)

কেপ টাউন: দুরন্ত শতরান করলেন ঋষভ পন্থ। কিন্তু ভারতের অন্য ব্যাটারদের থেকে কোনো সাহয়তাই পেলেন না। এর ফলে কার্যত ব্যাটিং ভরাডুবি হল ভারতের। যার ফলে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বেশ সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। শুক্রবার ভারতীয় বোলাররা দুর্দান্ত কিছু না করতে পারলে সিরিজ জিততে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকাই।

বরারই তিনি চর্চায় থাকেন। কখনও দুরন্ত কিছু ইনিংস খেলে দিয়ে চর্চায় থাকেন, তো কখনও খারাপ শট নির্বাচনের জন্য। এ হেন ঋষভ পন্থ এই সিরিজে চর্চায় ছিলেন ভুলভাল শট খেলে তাড়াতাড়ি আউট হয়ে যাওয়ার জন্য। সেই তিনিই এ দিন দুরন্ত শতরান করে দেন।

আগ্রাসী অথচ নিয়ন্ত্রিত ভাবে ব্যাট করেই পন্থ ১৩৯ বলে করলেন অপরাজিত ১০০। নিজের ইনিংস সাজালেন ৬টি চার ও ৪টি ছয়ে। কেরিয়ারের চতুর্থ টেস্ট শতরানের স্বাদ পেলেন পন্থ। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার পর এ বার প্রথম ভারতীয় উইকেট কিপার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতেও শতরান করলেন পন্থ।

এ দিন খেলার শুরুতেই পুজারাকে হারায় ভারত। কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে যান অজিঙ্ক রাহানেও। অল্প কিছু রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় ভারত। সেখান থেকেই জুটি তৈরি হয় বিরাট এবং পন্থের মধ্যে। কিন্তু কোহলি মাত্র ২৯ রান করেই ড্রেসিং রুমের পথ দেখেন।

এই পরিস্থিতিতে কার্যত একা কুম্ভ আগলে লড়াই চালিয়ে যান পন্থ। কোহলি চলে যাওয়ার পর পন্থ একজনকেও পাননি যিনি তাঁর হাত শক্ত করবেন। অশ্বিন থেকে শুরু করে, শার্দূল ঠাকুর, উমেশ যাদব, মহম্মদ শামি জসপ্রীত বুমরারা এলেন আর গেলেন। কেউই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি এদিন। পন্থ অপরাজিত থেকে যান। যদিও পন্থ কোনো সঙ্গী না পাওয়ায় দুশো রানের আগেই আটকে যায় ভারত।

সিরিজ জিততে গেলে করতে হবে ২১২ রান, এই টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। অষ্টম ওভারে মার্করামের উইকেট হারায় তারা। মহম্মদ শামির বলে আউট হন মার্করাম। যদিও এর পরে খেলা ধরে নেন ডিন এলগার এবং কিগান পিটারসেন।

নবাগত পিটারসেন জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকেই দারুণ ব্যাট করে চলেছেন। কেভিন পিটারসেনের পর বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন ‘কেপি’র তকমাও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। চলতি টেস্টের প্রথম ইনিংসেও দুরন্ত খেলেন তিনি। সেই পিটারসেন এবং অধিনায়ক এলগার মিলে ভারতীয় বোলারদের নাকানিচোবানি খাওয়াতে শুরু করেন।

আগ্রাসী ঢঙেই ব্যাট করে যাচ্ছিলেন পিটারসেন। অন্যদিকে তাঁকে যোগ্য সংগত দিয়ে যাচ্ছিলেন এলগার। এ ভাবেই দলের স্কোরকে একশো পার করিয়ে দেন দু’জনে। যদিও দিনের এক্কেবারে শেষ ওভারে এলগারের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি তুলে নিয়ে ভারতকে সামান্য অক্সিজেন দেন জসপ্রীত বুমরাহ।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন