ভারতের কার্যত ‘সি’ দলকে হারিয়ে মুখ বাঁচাল শ্রীলঙ্কা

0

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সিরিজের ফয়সালা হয়ে গিয়েছিল মঙ্গলবারই। সে অর্থে শুক্রবারের ম্যাচটা ছিল নিতান্তই মুখরক্ষার। কিন্তু আইসিসির সুপার লিগ শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো ম্যাচই এখন আর মুখরক্ষার নয়। তাই ভারতের কার্যত ‘সি’ দলকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কা মুখ বাঁচানোর পাশাপাশি সুপার লিগে কিছু পয়েন্টও আদায় করে নিল।

প্রথম দল যখন ইংল্যান্ডে খেলছে, তখন ‘বি’ দল শ্রীলঙ্কায় এসেছিল একদিনের সিরিজ খেলছে। কিন্তু শুক্রবারের ম্যাচে সেই দলে ছ’টি বদল করে ভারত। ৪১ বছর পর প্রথম বার একই ম্যাচে পাঁচ জনের অভিষেক করাল ভারত। সে কারণেই শুক্রবারের দলকে কার্যত ‘সি’ দল বলা যেতে পারে।.

Shyamsundar

ভারত থেকে রওনা হওয়ার আগেই কোচ রাহুল দ্রাবিড় জানিয়েছিলেন যে সুযোগ পেলে ক্রিকেটারদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলাবেন। কথামতো শুক্রবারের দলে পাঁচজন ক্রিকেটারের একসঙ্গে অভিষেক হয়। শেষ বার এই ঘটনা ঘটেছিল ১৯৮০ সালে। এ ছাড়া, সিরিজে প্রথম বার সুযোগ পান নবদীপ সাইনি। এই হল ছ’টি পরিবর্তন।

ম্যাচের শুরুতে অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানকে হারালেও পৃথ্বী শ এবং সঞ্জু স্যামসন মিলে দুর্দান্ত জুটি তৈরি করেছিলেন। তবে দু’জনেই অর্ধশতরান থেকে বঞ্চিত হন। মিডল অর্ডারে সূর্যকুমার ৪০ করেন

মাঝে বৃষ্টি নামায় এক ঘণ্টার উপর বন্ধ ছিল খেলা। এই সময়টাই ভারতীয় ক্রিকেটারদের ছন্দ নষ্ট করে দেয়। বৃষ্টির পর নেমে সেই ঝাঁজ দেখা যায়নি তাঁদের খেলায়। লোয়ার অর্ডার অবদান রাখতে ব্যর্থ। মাত্র ২২৫ রানেই শেষ হয়ে যায় ভারত।

শ্রীলঙ্কাও শুরুতে হারিয়েছিল মিনোদ ভানুকাকে। কিন্তু অবিষ্কা ফার্নান্ডো এবং ভানুকা রাজাপক্ষ ১০৯ রানের জুটি তৈরি করেন। ওখানেই শ্রীলঙ্কার জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায়। তবে শেষ মুহূর্তে ভারতীয় বোলাররা কিছুটা কামব্যাক করার চেষ্টা করেন।

তবে শ্রীলঙ্কার বাকি ব্যাটসম্যানরা তিন উইকেট হাতে রেখে মাথা ঠান্ডা রেখেই দলকে জিতিয়ে দেন। তবে দ্রাবিড়ের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলার পরিকল্পনা সফল। যে পাঁচজন খেলতে নেমেছিলেন, প্রত্যেকেই নিজেদের মতো অবদান রেখেছেন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন