ক্রিকেট বিশ্বকাপে বড়ো ভূমিকা নিতে তৈরি ৩টি গুরুত্বপূর্ণ টেকনোলজি

বিশ্বকাপ এক গ্লোবাল টুর্নামেন্টে, ফলে সারা বিশ্বের কাছে এই টুর্নামেন্টের মান একশো শতাংশ তুলে ধরতে মরিয়া আইসিসি। টুর্নামেন্টের সবেতেই রয়েছে আধুনিকরন। ম্যাচে চলাকালীনও ক্রিকেটাররা যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত পান সেক্ষেত্রেও রয়েছে আধুনিক টেকনোলজি।

0
cricket technology
ক্রিকেটে প্রযুক্তির ব্যবহার। ছবি সৌজন্যে নিউজ১৮ডটকম।

ওয়েবডেস্ক: ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ এক গ্লোবাল টুর্নামেন্টে, ফলে সারা বিশ্বের কাছে এই টুর্নামেন্টের মান একশো শতাংশ তুলে ধরতে মরিয়া আইসিসি। টুর্নামেন্টের সবেতেই রয়েছে আধুনিকতা। ম্যাচ চলাকালীনও ক্রিকেটাররা যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত পান, সে ক্ষেত্রেও রয়েছে আধুনিক টেকনোলজি।

বিশ্বকাপে বড়ো ভূমিকা নিতে তৈরি উল্লেখযোগ্য তিনটি টেকনোলজি-

১। হক-আই

আধুনিক ক্রিকেটে অন্যতম চর্চিত টেকনোলজি। হক-আই টেকনোলজিস এটি নির্মাণ করে। বর্তমানে ক্রিকেটের প্রায় সব ফরম্যাটেই এই টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। বিশেষত ‘এলবিডব্লিউ-র’ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ব্যবহার করে দেখা হয় বল উইকেটের মধ্যে রয়েছে না কি উইকেটের বাইরে পড়েছে। অর্থাৎ বল উইকেটে লাগছে কি না। শুধু খেলার মধ্যে নয়, খেলা শুরু হওয়ার আগে এবং শেষ হওয়ার পরের শো-গুলিতে এটি ব্যবহার করে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি বিবেচনাও করা হয়।

২। আল্ট্রাএজ

ক্রিকেটে এটিকে ‘স্নিক ও মিটারও’ বলা হয়। ম্যাচ চলাকালীন ব্যাটসম্যানের ব্যাটে বল লেগেছে কি না তা খতিয়ে দেখা এই টেকনোলজির কাজ। এর মধ্যে অডিও সিস্টেম রয়েছে। ম্যাচ চলাকালীন দর্শকাসন থেকে আসা শব্দের কারণে অনেক সময় আম্পায়াররা বুঝতে পারেন না ব্যাটে-বলে সংযোগ হয়েছে কি না। ফলে তা টিভি আম্পায়ারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই ক্ষেত্রে অডিও সিস্টেমটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শুধু তা-ই নয় এটিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার জন্য উইকেটের পিছনে মাইক্রোফোন লাগানো থাকে শব্দ রেকর্ডের জন্য।

আরও পড়ুন যে দিন ছক্কা হাঁকিয়েও আউট হয়ে রেকর্ড গড়লেন রয় ফ্রেডারিকস

৩। হট-স্পট

আধুনিক ক্রিকেটে অন্যতম জনপ্রিয় টেকনোলজি এই হট-স্পট। অনেক ক্ষেত্রে যদি আলট্রাএজ ব্যবহারের পরেও সমাধান না বেরোয়, সে ক্ষেত্রে হট স্পট বড়ো ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশেষত টিভি আম্পায়ার এটি ব্যবহার করেন। হিট সেনসিটিভ ইনফ্রারেড ক্যামেরার সাহায্যে ব্যবহার করা হয়। ২০০৬ সালে অ্যাসেজে প্রথম এটি ব্যবহার হয়। তৈরি করে অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি বিবিজি স্পোর্টস।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন