final

ওয়েবডেস্ক: যে কোনো বড়ো টুর্নামেন্ট এখন ব্র্যান্ডিং ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যত সময় যাচ্ছে টুর্নামেন্টগুলিও নিখাদ বিনোদনের আসর হয়ে উঠেছে। আর এই টুর্নামেন্টগুলিতে অ্যানথেম সং বা টুর্নামেন্টের গানও রীতিমতো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যা দর্শকদের আরও কাছে টানতে সাহায্য করে।

দেখে নিন ক্রিকেট বিশ্বকাপের অ্যানথেম গানগুলি-

সবচেয়ে ভালো

২০১১ বিশ্বকাপের গান ‘দে ঘুমাকে’ টুর্নামেন্টের অন্যতম জনপ্রিয় গান। ভারত, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় টুর্নামেন্টটি হয়েছিল। ফলে হিন্দি বাংলা এবং সিংঘলি ভাষায় গানটি রিলিজ হয়। গানটি গেয়েছিলেন শঙ্কর, এহসান এবং লয়।

জনপ্রিয়তার নিরিখে তার পরেই রয়েছে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের গানটি। যার নাম ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ কামিং ডাউন’।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে গত বিশ্বকাপ তথা ২০১৫ টুর্নামেন্টের গানটি। যেটি আদতে একটি ইডিএম ট্র্যাক। নাম ‘ববস বিট’।

সবচেয়ে খারাপ

১৯৯৬ বিশ্বকাপ অন্যতম বিতর্কিত টুর্নামেন্ট ছিল। সেই টুর্নামেন্টের গান ‘ছোকরা’ তেমন নজর কাড়তে পারেনি। ২৩ বছরের বেশি বয়সিদের কাছে তেমন দাগ কাটতে পারেনি।

২০০৩ বিশ্বকাপ ভারতীয়দের কাছে দুঃখের। ফাইনাল উঠলেও, অজিদের কাছে হেরে যায় সৌরভের ভারত। টুর্নামেন্টের গান ‘ওয়েলকাম টু আওয়ার হোম’ মিউজিক ভালো ছিল। তবে টিউনের মধ্যে দলগুলির নামের কারণে তা বেশি দাগ কাটতে পারেনি।

২০০৭ বিশ্বকাপের গান, ‘গেম অব লাভ অ্যান্ড ইউনিটি’ গানটি বিশেষজ্ঞদের মতে জাঁকজমক বেশি হওয়ার ফলে দাগ কাটতে ব্যর্থ হয়।

সবচেয়ে কুৎসিত

১৯৯৯ বিশ্বকাপের গান ‘অল ওভার দ্য ওয়ার্ল্ড’ টুর্নামেন্টে তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি। সেই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড ছিটকে যাওয়ার পর গানটি রিলিজ করা হয়। যা গানটির বাজার দরের ক্ষেত্রে বড়ো ভূমিকা নেয়।

কুড়ি বছর পর ফের ইংল্যান্ডে বসছে বিশ্বকাপের আসর। ইতিমধ্যেই ২০১৯ বিশ্বকাপের গান  ‘স্ট্যান্ড বাই’ রিলিজ করেছে। দর্শকদের কাছে তা মোটামুটি ভালোই সাড়া জাগিয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here