ইংল্যান্ড: ২০৪ ও ৩১৩ (জ্যাক ক্রলি ৭৬, ডিপি সিবলে ৫০, গ্যাব্রিয়েল ৫-৭৫)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩১৮ ও ২০০-৬ (ব্ল্যাকউড ৯৫, আর্চার ৩-৪৫)

Loading videos...

সাউদাম্পটন (Southampton) : মাত্র পাঁচ রানের জন্য ঐতিহাসিক টেস্টে শতরান পেলেন না জারমেন ব্ল্যাকউড (J Blackwood)। কিন্তু যখন আউট হলেন তখন দেশের জয় প্রায় নিশ্চিত। শেষ পর্যন্ত জয় পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ (West Indies)। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডকে (England) তারা হারিয়ে দিল ৪ উইকেটে।

করোনার দাপটে ক্রীড়াজগতে নেমে এসেছিল। সব খেলার মতো ক্রিকেটের মঞ্চেও পর্দা পড়ে যায়। কিন্তু সেই করোনার কাছে শেষ পর্যন্ত মাথা নোয়াতে যে ইচ্ছুক নয় ক্রীড়াজগত, তার প্রমাণ হল ১১৬ দিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ফিরে আসা। আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণে জয় ছিনিয়ে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

গত চার দিন যা খেলা হয়েছিল তাতে পাল্লা ভারী ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই। প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ান পেসের দাপটে ইংল্যান্ড গুটিয়ে গিয়েছিল মাত্র ২০৪ রানে। এই ইনিংসে সর্বোচ্চ স্কোর ছিল অধিনায়ক বেন স্টোক্সের। তাও তিনি অর্ধশত রানের গণ্ডি ছুঁতে পারেননি। বল হাতে ভেলকি দেখিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক জেসন হোল্ডার (৬-৪২) এবং শ্যানন গ্যাব্রিয়েল (৪-৬২)।

ব্রাথওয়েট আর ডাওরিচের ব্যাটিঙের সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসেই ১১৪ রানের লিড নিয়ে নিয়েছিল।

দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য কিছুটা মুখরক্ষার খেলা খেলে ইংল্যান্ড। ক্রলি (৭৬), সিবলে (৫০) এবং স্টোক্সের (৪৩) ব্যাটিং-এ ভর করে ইংল্যান্ড পৌঁছে যায় ৩১৩ রানে। এই ইনিংসেও বল হাতে দাপট দেখান গ্যাব্রিয়েল। ৭৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে এই টেস্টে তিনি শিকার করেন ৯ জনকে।

জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ২০০ রানের। লক্ষ্যমাত্রা যে খুব একটা বড়ো তা নয়, কিন্তু ২৭ রানে ৩ উইকেট চলে যাওয়ার পরে আশার আলো ঝিলিক মারে ইংল্যান্ড শিবিরে। কিছুটা চাপে পড়ে ক্যারিবিয়ানরা। কিন্তু ওপেনার ক্যাম্পবেল আহত হয়ে সাময়িক ভাবে অবসর নেওয়ায় দলের তৃতীয় উইকেট পড়ার পর ছ’ নম্বর ব্যাটসম্যান জারমেন ব্ল্যাকউড মাঠে নামতেই ম্যাচের রাশ ক্রমশ ইংল্যান্ডের হাত থেকে চলে যেতে শুরু করে। চেজকে সঙ্গী করে দলের স্কোর পৌঁছে দেন ১০০-য়। এর পর ব্ল্যাকউডের সঙ্গী হন ডাওরিচ, যিনি গত দু’ বছরে সব চেয়ে সফল টেস্ট উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান।

পঞ্চম উইকেটের জুটিতে রান ওঠে ৬৮ রান। ডাওরিচ আউট হন দলের ১৬৮ রানে। তার পর ৯৫ করে ব্ল্যাকউড যখন আউট হন তখন জয়ের জন্য দরকার মাত্র ১১ রান। ব্যাট করতে ফিরে আসেন ক্যাম্পবেল। অধিনায়ক হোল্ডারের সঙ্গে জুটি প্রয়োজনীয় রানটুকু তুলে দেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.