অর্ধশতরানের পর হোল্ডার, পেছনে চেজ। ছবি: ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৯৫-৭ (চেজ অপরাজিত ৯৮ হোল্ডার ৫২, কুলদীপ ৩-৭৪)

হায়দরাবাদ: রাজকোট টেস্টে ইনিংস এবং ২৭২ রানে হারের পরে একটা প্রশ্নই ঘুরঘুর করছিল ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। দ্বিতীয় টেস্টে এর থেকেও লজ্জাজনক হারের মুখোমুখি তারা হবে কি না। তা প্রথম দিনের খেলা দেখে যে জিনিসটা বোঝা গেল তা হল এই দলটা দুর্বল হলেও লড়তে জানে। দ্বিতীয় টেস্টে দুর্দান্ত ভাবে ঘুরে দাঁড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে থাকলেন রস্টন চেজ। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিয়ে গেলেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরবোর্ডটা দেখলে দেখা যাবে সব ব্যাটসম্যানই দশ রানের গণ্ডি পেরিয়েছেন। আর তিন জন ছাড়া কুড়ি রানের গণ্ডি টপকেছেন বাকি সবাই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ দিন বুঝিয়ে দিল অশ্বিন, জাদেজা এবং কুলদীপের স্পিনের সামনে গুটিয়ে যাওয়া নয়, বরং তাদের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়াই সেরা উপায়।

আরও পড়ুন নিরাপত্তা লঙ্ঘন করে মাঠে ঢুকে পড়লেন ক্রিকেটভক্ত, বিরাটের সঙ্গে সেলফি

শুক্রবার খেলা শুরু হওয়ার সময়ে অবশ্য একটা চমক ছিল। মহম্মদ শামির বদলে টেস্ট অভিষেক করানো হয় শার্দূল ঠাকুরকে। তবে টেস্ট অভিষেক মোটেই ভালো হয়নি তাঁর। কিছুক্ষণের মধ্যেই পায়ে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। এক বোলার হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও, তখনও ভারতের হাতে ছিল স্পিনের সেরা তিন অস্ত্র।

একশো রান পেরিয়ে যাওয়ার একটু পরেই যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাঁচ নম্বর উইকেটটি পড়ল, তখন মনে করা হচ্ছিল, এ বার ধীরে ধীরে গুটিয়ে যাবে তারা। কিন্তু সেটা হয়নি। প্রথমে ষষ্ঠ উইকেটে ডাওরিচের সঙ্গে দুর্দান্ত একটা জুটি তৈরি করেন চেজ। তার পরেই হল্ডারের সঙ্গে জুটি তৈরি করে সম্পূর্ণ ভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেন তিনি। হোল্ডার বোলার হলেও, ইদানীং ব্যাটিংটা ভালোই করেন। অর্ধশতরান করে তিনি যখন আউট হন, তখন তিনশোর অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে ইন্ডিজরা।

হয়তো ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই রানটা খুব বেশি কিছু না। কিন্তু যে লড়াইটা এ দিন তারা দিল, তার প্রশংসা করতেই হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন