ওয়েবডেস্ক: নিজের বই ‘আ সেঞ্চুরি ইজ নট এনাফ’-এ আগে না জানা অনেক কিছুই খবর ফাঁস করছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। ঠিক যেমন বলে দিয়েছেন যে, এক সময়ে তাঁর কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছেন রাহুল দ্রাবিড়।

দুঃখ প্রকাশের ব্যাপারে বলতে গেলে আগে গ্রেগ চ্যাপেলের সময়টায় ফিরে যেতে হবে, যখন সৌরভ দলের বাইরে এবং ভারতের নেতা রাহুল দ্রাবিড়। ২০০৬-এর জানুয়ারিতে পাকিস্তান সিরিজের পর দলের বাইরে চলে যান সৌরভ। এর পর ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলে তাঁর জায়গা হয়নি। এই সময়ে সৌরভ নিজে এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে বার দুয়েক দ্রাবিড়কে ফোন করেছিলেন। দ্রাবিড় সৌরভকে তখন শুধু বলেছিলেন, অনুশীলন চালিয়ে যেতে, নিশ্চয়ই ভারতীয় দলে তাঁর জায়গা ফিরে আসবে।

এর পরে ২০০৬-এর শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দলে প্রত্যাবর্তন করেন সৌরভ। তখনও কিন্তু দলে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেননি চ্যাপেল এবং দ্রাবিড়। কিন্তু ছবি পালটে গেল ঠিক পরের বছরে। বিশ্বকাপের পরে চ্যাপেল জমানা শেষ হয়েছে ভারতের। তখন সাময়িক ভাবে ম্যানেজার হচ্ছেন চান্দু বোর্দে, লালচাঁদ রাজপুতরা। সৌরভের কথায়, “চ্যাপেল চলে যেতেই দ্রাবিড়ও সম্পূর্ণ আলাদা মানুষ হয়ে গেল। নিজেকে চাপমুক্ত করে ফেলল।”

এর কয়েক দিন পরেই এল সেই মুহূর্ত। বেঙ্গালুরুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিশতরান করেছেন সৌরভ। অন্য দিকে ফর্ম হাতড়ে বেড়াচ্ছেন দ্রাবিড়। সৌরভের কথায়, “বেঙ্গালুরু টেস্টের মাঝেই দ্রাবিড় আমাকে বলে গেল, ‘আমায় ক্ষমা করো সৌরভ। আমি কোনো ভাবেই তখন তোমায় খেলাতে পারিনি’।”

সৌরভ এবং দ্রাবিড়ের বন্ধুত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠত না আগে। একজন অধিনায়ক তো একজন তাঁর ডেপুটি। সেই সম্পর্কে চিড় ধরল চ্যাপেল জমানায়। কিন্তু বেঙ্গালুরু টেস্টের পরেই দু’জনের সম্পর্ক আবার আগের মতো সহজ হয়ে গিয়েছিল। সৎ স্বীকারোক্তি তিনি সব সময়ে পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন সৌরভ।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন