পুনে: অবশেষে সেই ‘ভিন্টেজ ধোনি’। এলেন, ওড়ালেন, শেষ বলে চার মেরে ম্যাচ শেষ করে ফিরলেন। ৩৪ বলে অপরাজিত থাকলেন ৬১-তে।

মালিকপক্ষের তিনি যে প্রিয়প্রাত্র নন, ফেব্রুয়ারিতেই বোঝা গিয়েছিল। তার ওপর প্রথম ম্যাচে স্মিথের ব্যাটে জয়ের পর মালিকের এক আত্মীয়র টুইটে চাপ বাড়ছিল ধোনির ওপর। সেই সঙ্গে রানও আসছিল না ব্যাটে। কিন্তু সব আলোচনা-সমালোচনা দূরে সরিয়ে অবশেষে উড়ল ধোনির হেলিকপ্টার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিয়ে গেলেন মনোজ তিওয়ারি। মাত্র আট বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকলেন মনোজ।

ধোনির অবশ্য এ দিনও শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। ১২ বল খেলে একটা সময়ে মাত্র ৯ রান করেছিলেন তিনি। কিন্তু এখান থেকে আস্তে আস্তে নিজের গিয়ার পালটানো শুরু করেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। ঝুলি থেকে বেরোতে শুরু করে সেই সব ‘ধোনি স্পেশ্যাল’ শটগুলো। কিন্তু তাতেও লক্ষ্য বেশ কঠিন ছিল। শেষ তিন ওভারে পুনের দরকার ছিল ৪৭। এই জায়গা থেকে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন মাহি। মনোজও তাঁর অবদান রেখে যান। শেষ দু’ ওভারে দরকার তিরিশ, এই অবস্থায় ভুবনেশ্বর কুমারকে দায়িত্ব দেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক ওয়ার্নার। ধোনিও ভুবিকেই টার্গেট করেন। ওই ওভার থেকে আসে ১৯ রান, যার মধ্যে ধোনির অবদান ১৭। শেষ ওভারের শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল দুই। ‘কুল’ ধোনি তাঁর মাথা ঠান্ডা রেখে দলের বৈতরণী পার করে দেন।

শনিবার প্রথমে ব্যাট করে ১৭৬ করে হায়দরাবাদ। সর্বোচ্চ ৫৫ করেন মোজেস এনরিকেস। পুনের পিচে এই রান তাড়া করা যথেষ্ট কঠিন ব্যাপার। রান তাড়া করতে নেমে অর্ধশতরান করেন রাহুল ত্রিপাঠী। কিন্তু দিনের শেষে নায়ক এক জনই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here